বিদেশ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

পাকিস্তানে গৃহযুদ্ধ? পুলিশ প্রধানকে অপহরণ করল দেশের আধাসেনা, করাচিতে সংঘর্ষ

পাকিস্তানে গৃহযুদ্ধ? পুলিশ প্রধানকে অপহরণ করল দেশের আধাসেনা, করাচিতে সংঘর্ষ
নওয়াজ শরিফের জামাই মহম্মদ সফদরের (মাঝখানে) গ্রেফতারিকে ঘিরেই পুলিশ- সেনা সংঘাত৷ Photo-AP/Fareed Khan

এই ঘটনার পরই সিন্ধ প্রদেশের পুলিশ বাহিনীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হয়৷ বাহিনীর প্রধানের অপমানের প্রতিবাদে ছুটির আবেদন জানাতে শুরু করেন ছোট বড় পদাধিকারীরা৷

  • Share this:

#করাচি: এবার কি গৃহযুদ্ধের দিকে এগোচ্ছে পাকিস্তান? পুলিশ বনাম পাক রেঞ্জার্স-এর লড়াইতে সেরকম সম্ভাবনাই মাথাচাড়া দিচ্ছে৷ অভিযোগ, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের জামাইয়ের গ্রেফতারির নির্দেশ দিতে বাধ্য করতে সিন্ধ প্রদেশের পুলিশের প্রধানকে অপহরণ করে দেশের আধাসেনা বাহিনী৷ এই ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান কোয়ামার জাভেদ বাজওয়া৷

বিবৃতিতে পাক সেনার তরফে জানানো হয়েছে, করাচির সেনা কম্যান্ডার ঘটনার তদন্ত করবেন৷ পুলিশ প্রধানের এই অসম্মানের প্রতিবাদে সিন্ধ পুলিশের বিভিন্ন পদাধিকারীরা গণছুটির আবেদন করেন৷ কিন্তু ইতিমধ্যেই এই ঘটনার পরে করাচির বিভিন্ন জায়গায় সংঘর্ষ বেধে গিয়েছে বলে খবর৷ করাচির একটি বহুতলে আইইডি ব্লাস্টও হয়েছে৷ অসমর্থিত সূত্রে দ্য ইন্টারন্যাশনাল হেরাল্ড-এর তরফে ট্যুইটারে দাবি করা হয়েছে, করাচিতে সিন্ধ প্রদেশের পুলিশ এবং পাকিস্তানি সেনার মধ্যে গুলি বিনিময়ের ঘটনায় দশ জন পুলিশ অফিসারের মৃত্যু হয়েছে৷ যদিও পাকিস্তানের প্রথমসারির সংবাদপত্র ডন-এ এই ধরনের কোনও খবর প্রকাশিত হয়নি৷

তবে করাচির পরিস্থিতি যে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে, তাতে সন্দেহের অবকাশ নেই৷ জাতীয় স্বার্থে তাই আপাতত দশ দিনের জন্য নিজেদের ছুটির আবেদন পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সিন্ধ পুলিশের আইজি মুস্তাক মেহর৷ নিজের অধস্তন অফিসারদেরও একই অনুরোধ করেছেন তিনি৷

প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এবং পাক প্রশাসনের ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে একটি মিছিল করেন পাকিস্তানের বিরোধী দলগুলি৷ এর পর পরই তড়িঘড়ি নওয়াজ শরিফের জামাই এবং পাকিস্তান মুসলিম লিগের নেতা মহম্মদ সফদরকে গ্রেফতার করা হয়৷ অভিযোগ ওঠে, সিন্ধ পুলিশের আইজি মুস্তাক মেহরের ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাঁকে দিয়ে সফদরের গ্রেফতারির নির্দেশে সই করিয়ে নেয় পাকিস্তানের আধাসেনা রেঞ্জার্স-রা৷ পরে অবশ্য আদালত থেকে জামিন পেয়ে যান নওয়াজ শরিফের জামাই৷

এই ঘটনার পরই সিন্ধ প্রদেশের পুলিশ বাহিনীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হয়৷ বাহিনীর প্রধানের অপমানের প্রতিবাদে ছুটির আবেদন জানাতে শুরু করেন ছোট বড় পদাধিকারীরা৷ এই ঘটনায় পুলিশ বাহিনীকে অপমান এবং অপদস্থ করা হয়েছে বলেও সিন্ধ পুলিশের পক্ষে ট্যুইট করা হয়৷ দুর্ভাগ্যজনক এই ঘটনায় গোটা বাহিনীর মনোবল ভেঙে গিয়েছে বলেও অভিযোগ তোলা হয়৷ তবে তাঁকে কারা জোর করে রেঞ্জার্স-এর অফিসে নিয়ে গিয়েছিল বা কারা তাঁকে অপহরণ করেছিল, এ বিষয়ে মুখ খোলেননি সিন্ধ পুলিশের আইজি মুস্তাক মেহর৷ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানও এই ঘটনা নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি৷ তবে পুলিশ- সেনা সংঘাতের ঘটনায় প্রবল অস্বস্তিতে পাকিস্তান সরকার৷

Published by: Debamoy Ghosh
First published: October 21, 2020, 11:42 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर