• Home
  • »
  • News
  • »
  • international
  • »
  • উপচে পড়ল সাহায্য, জীবন বদলাতে চলেছে বাস্তবের ‘‌মোগলি’‌র

উপচে পড়ল সাহায্য, জীবন বদলাতে চলেছে বাস্তবের ‘‌মোগলি’‌র

আর শুধু গল্পকথা নয়, বাস্তবেই দেখা মিলল 'মোগলি-র। ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তার বাসিন্দা, বছর একুশের এলি যেন হুবহু 'মোগলি'

আর শুধু গল্পকথা নয়, বাস্তবেই দেখা মিলল 'মোগলি-র। ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তার বাসিন্দা, বছর একুশের এলি যেন হুবহু 'মোগলি'

আর শুধু গল্পকথা নয়, বাস্তবেই দেখা মিলল 'মোগলি-র। ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তার বাসিন্দা, বছর একুশের এলি যেন হুবহু 'মোগলি'

  • Share this:

    #জাকার্তা: জঙ্গলের পশু-পাখিই তার বন্ধু, জঙ্গলই তার বাড়ি...ছোটবেলায় পড়া রুডইয়ার্ড কিপলিং-এর কালজয়ী চরিত্র ‘মোগলি’র কথা মনে পড়ছে তো? তবে এবার আর শুধু গল্পকথা নয়, বাস্তবেই দেখা মিলল 'মোগলি-র। ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তার বাসিন্দা, বছর একুশের এলি যেন হুবহু 'মোগলি'। দিনে অনায়াসে দৌঁড়তে পারে প্রায় ৩০ কিলোমিটার। দেখতেও আর পাঁচজন সাধারণ যুবকের থেকে অনেকটাই আলাদা, আলাদা জীবনযাপনও। আসলে এলি মাইক্রোসেফালি নামে এক বিরল রোগে আক্রান্ত । মাথা ঈষৎ ছোট। কথাও বলতে পারে না। বাড়ির রান্না মুখে রোচে না এলির, সারাদিন জঙ্গলে ঘুরে ঘুরে ঘাস-পাতা খেয়েই পেট ভরায়। গ্রামের লোকে ছোটবেলা থেকেই খেপাত। অনেকে ডাকত 'বাঁদর' বলেও! মা তাই ছেলেকে নিয়ে ঘর বেঁধেছিলেন জঙ্গলে, তথাকথিত সভ্য সমাজের থেকে দূরে।

    সম্প্রতি ‘আফ্রিম্যাক্স’ নামে একটি টিভি চ্যানেলের দৌলতে সামনে আসে এলি এবং তার মায়ের দুঃখ-দুর্দশার গল্প আর সেখান থেকেই তাঁদের জীবনের মোড় ঘোরে। এলি’র মা, ওই টিভি চ্যানেলে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, ছেলের অস্বাভাবিকতার কারণেই বিদ্রুপের শিকার হয়ে তাঁকে গ্রাম ছেড়ে জঙ্গলে চলে আসতে হয়। পাঁচটি সন্তানকে হারানোর পর তাঁর ষষ্ঠ সন্তান এলি, অর্থের অভাবে তাকে স্কুলেও পাঠাতে পারেননি।

    এরপর ‘আফ্রিম্যাক্স’- এই অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ায়। তারা ‘গো ফান্ড মি’ নামে একটি পেজ খোলে। চ্যানেল কর্তৃপক্ষ সেখানে লেখে, “চলুন এই অসহায় মা এবং সন্তানের দিকে সকলে সাহায্যের হাত বাড়াই। অর্থাভাবে এঁরা জঙ্গলে ঘাস খেয়ে দিন কাটান। আমরা সাহায্য করলে ওদের জীবন একটু সুন্দর হবে।” এই আবেদনে অভূতপূর্ব সাড়া মেলে। এরই মধ্যে উঠে এসেছে ৩,৯৫৮ ডলার। পেজের কমেন্ট বক্সে বহু মানুষ প্রার্থনা করেছেন এলি’র জন্য। একজন লিখেছেন, ‘ওর মধ্যে নিশ্চয়ই কিছু বিশেষত্ব আছে এবং তা প্রমাণ হওয়ার অপেক্ষা। ভগবান ওর মধ্যে বিশেষ কোনও গুণ দিয়েছেন। ওর দীর্ঘ জীবন কামনা করি।’

    ANTARA DEY

    Published by:Rukmini Mazumder
    First published: