ফোনে কথা মোদি-বাইডেনের, আলোচনায় জলবায়ু পরিবর্তন ও ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজি

ফোনে কথা মোদি-বাইডেনের, আলোচনায় জলবায়ু পরিবর্তন ও ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজি

PM Modi Speaks to US President Joe Biden and Discusses Rules-based International Order

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট পদে ক্ষমতায় আসার পর তাঁকে ও রাষ্ট্রের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড, জো ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসকে (Kamala Harris) ফোন করে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন মোদি৷ তারপর এই প্রথম কথোপকথন হলন মোদি-বাইডেনের৷

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: মার্কিন প্রেসিডেন্ট (US President) জো বাইডেনের (Joe Biden) সঙ্গে ফোনে কথা হল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi)৷ রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে (Donald Trump) হারিয়ে আমেরিকার ৪৬ তম প্রেসিডেন্ট হয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী বাইডেন৷

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট পদে ক্ষমতায় আসার পর তাঁকে ও রাষ্ট্রের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড, জো ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসকে (Kamala Harris) ফোন করে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন মোদি৷ তারপর এই প্রথম কথোপকথন হলন মোদি-বাইডেনের৷ সোমবার রাতে মোদি ট্যুইট করে নিজেই জানালেন যে, কী নিয়ে তাঁদের কথা হল এদিন!

    মোদি ট্যুইটারে লিখলেন, "জো বাইডেনের সাফল্যের জন্য আমি তাঁকে শুভেচ্ছা জানালাম৷ আমরা আঞ্চলিক ইস্যু এবং আমাদের অগ্রাধিকার নিয়ে আলোচনা করেছি। জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয় নিয়ে পারস্পরিক সহযোগিতা বিষয় নিয়ে একমত৷ আমরা নিয়ম ভিত্তিক আন্তর্জাতিক আদেশের বিষয় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ৷ ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে এবং এর বাইরে আরও শান্তি ও সুরক্ষার জন্য আমাদের কৌশলগত অংশীদারিত্বের একত্রীকরণের অপেক্ষায় আছি।"

    ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের শান্তি ও সুরক্ষা নিয়ে মোদি-বাইডেনের আলোচনা হওয়া মানেই একটা বিষয় স্পষ্ট, চিন নিয়ে আলোচনা হয়েছে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের৷ প্রতিরক্ষা, কৌশলগত এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়গুলিতে ২০০০ সাল থেকেই ভারতের প্রতি আমেরিকার নীতি খুব একটা বদলায়নি৷ আশা করা হচ্ছে জো বাইডেনও সেই পথেই হাঁটবেন৷ তবে চিনের প্রতি বাইডেন প্রশাসনের মনোভাব কী হয়, সেদিকে তাকিয়ে থাকবে ভারত৷ কারণ, তার প্রভাব ভারতের উপরে পড়তে বাধ্য৷ চিনের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে বাইডেন পন্থীরা দু' ভাগ৷ এর প্রভাব আমেরিকা- ভারত এবং ভারত- চিন সম্পর্কের উপরে পড়তে বাধ্য৷ বাইডেনের পরামর্শদাতাদের একাংশ ট্রাম্পের মতোই তীব্র চিন বিরোধী৷ আবার একাংশের মতে, আমেরিকা এবং চিনের অর্থনীতিকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করা অসম্ভব৷ ফলে খুব বেশি হলে জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত ক্ষেত্রগুলিতে চিনের সঙ্গে সম্পর্ক পুরোপুরি ছিন্ন করার দিকেই হাঁটতে পারে বাইডেন প্রশাসন৷

    Published by:Subhapam Saha
    First published: