Home /News /international /

Viral: শুয়োরের হৃদযন্ত্র মানুষের শরীরে! আমেরিকার ডাক্তাররা ভেল্কি দেখিয়ে ছাড়লেন

Viral: শুয়োরের হৃদযন্ত্র মানুষের শরীরে! আমেরিকার ডাক্তাররা ভেল্কি দেখিয়ে ছাড়লেন

হাসপাতাল থেকে পাওয়া ছবি।

হাসপাতাল থেকে পাওয়া ছবি।

Viral News: এই অস্ত্রোপচারের আগেরদিন আক্রান্ত ব্যক্তি বলেছিলেন, "যা পরিস্থিতি হয়েছিল, তাতে হয় আমাকে বিনা চিকিৎসায় মরতে হত, অথবা আমাকে এই অঙ্গ-প্রতিস্থাপনের দিকে যেতে হত। আমি ভাবলাম, একরাশ অন্ধকারে এই অঙ্গ-প্রতিস্থাপনই একটু যা আশার আলো। তাই এতে রাজি হয়ে গেলাম।"

আরও পড়ুন...
  • Share this:

    #ওয়াশিংটন: জেনেটিক্যালি পরিবর্তন করা শুয়োরের হৃদযন্ত্র চিকিৎসকরা নিশ্চিন্ত বসিয়ে দিলেন মানুষের শরীরে (Pig Heart Implant In US Man)। ৫৭ বছরের এক ব্যক্তির শরীরে এই হৃদযন্ত্র প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। পৃথিবীতে প্রথমবার। গত শুক্রবার এই অস্ত্রোপচার করা হয়েছে মেরিল্যান্ড মেডিক্যাল স্কুলে। ওই ব্যক্তি আপাতত সুস্থ আছেন। ফলে চিকিৎসকরা মনে করছেন, অন্য প্রাণীর শরীরের অঙ্গ মানবদেবে প্রতিস্থাপনের ঘটনার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন হয়ে রইল। চিকিৎসকরা বলেছেন, ওই ব্যক্তি সেরে উঠছেন, তাঁকে সর্বক্ষণ নজরে রেখেছেন চিকিৎসকরা।

    আরও পড়ুন -  ভয়ঙ্কর দৃশ্য ! পর্যটকদের নৌকার উপর হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল পাথরের চাঁই ! মৃত্যু ৭ জনের

    এই অস্ত্রোপচারের আগেরদিন আক্রান্ত ব্যক্তি বলেছিলেন, "যা পরিস্থিতি হয়েছিল, তাতে হয় আমাকে বিনা চিকিৎসায় মরতে হত, অথবা আমাকে এই অঙ্গ-প্রতিস্থাপনের দিকে যেতে হত। আমি ভাবলাম, একরাশ অন্ধকারে এই অঙ্গ-প্রতিস্থাপনই একটু যা আশার আলো। তাই এতে রাজি হয়ে গেলাম।" তবে এমন অঙ্গ প্রতিস্থাপনের কি অনুমতি আছে! আমেরিকার সিডিসি সম্প্রতি এই বিশেষ ক্ষেত্রে অনুমতি প্রদান করেছিল। বর্ষশেষের দিন, অর্থাৎ ৩১ ডিসেম্বর রাতে এই অঙ্গ প্রতিস্থাপনের বিষয়ে অনুমতি প্রদান করে সিডিসি। কারণ, আক্রান্তের শরীরে সাধারণ ভাবে মানুষের অঙ্গ প্রতিস্থাপনের কোনও সুযোগ ছিল না, এতটাই অসুস্থ ছিলেন তিনি।

    আরও পড়ুন - মানুষের পাশে থাকুন, কোভিড কালে বিপন্নদের পাশে থাকতে কর্মীদের নির্দেশ তৃণমূলের

    মহম্মদ মইনউদ্দিন নামে এক চিকিৎসক জানিয়েছেন, দীর্ঘ দিনের একটি গবেষণার ফল এই অস্ত্রোপচার। তিনি বলছেন, এই অস্ত্রোপচারের সাফল্যের উপর অনেককিছু নির্ভর করছে। হতে পারে, ভবিষ্যতে মানুষের জীবন বাঁচাতে সাহায্য করবে এই ধরনের অস্ত্রোপচার। তিনি তাঁর বক্তব্যের সমর্থনে পরিসংখ্যানও দিয়েছেন। তাঁর মতে সারা পৃথিবীতে অঙ্গদানের অভাবে বহু মানুষের দ্রুত মৃত্যু হয়। স্রেফ অঙ্গ না পাওয়ায় ধীরে ধীরে নিশ্চিত মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যেতে হয় তাদের। আপাতত আমেরিকায় ১ লক্ষ ১১ হাজার মানুষ অঙ্গ প্রতিস্থাপনের জন্য অপেক্ষা করছেন। প্রতি বছর গড়ে ৬ হাজার রোগীর মৃত্যু হয় অঙ্গদানের অভাবে। সই কারণেই জেনোট্রান্সপ্লান্টেশন বা দুই ভিন্ন প্রাণীর অঙ্গ প্রতিস্থাপনের দিকে এগতে চাইছেন চিকিৎসকরা। যে গবেষণা ১৭ শতকে শুরু হয়েছিল, তাকে সত্যি করতে দেখা চাইছেন তাঁরা।

    Published by:Uddalak B
    First published:

    Tags: Health

    পরবর্তী খবর