• Home
  • »
  • News
  • »
  • international
  • »
  • পৃথিবীর দোসর 'পাই প্ল্যানেট' মিলল নাসার দূরবীনে, সেখানে প্রাণের সম্ভাবনা কতটা?

পৃথিবীর দোসর 'পাই প্ল্যানেট' মিলল নাসার দূরবীনে, সেখানে প্রাণের সম্ভাবনা কতটা?

গ্রহের নাম দেওয়া হয়েছে কে২-৩১৫বি। গ্রহটি নিজস্ব সৌরজগতে তার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে চলেছে বলে নিশ্চিত করেছেন মহাকাশ বিজ্ঞানীরা।

গ্রহের নাম দেওয়া হয়েছে কে২-৩১৫বি। গ্রহটি নিজস্ব সৌরজগতে তার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে চলেছে বলে নিশ্চিত করেছেন মহাকাশ বিজ্ঞানীরা।

গ্রহের নাম দেওয়া হয়েছে কে২-৩১৫বি। গ্রহটি নিজস্ব সৌরজগতে তার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে চলেছে বলে নিশ্চিত করেছেন মহাকাশ বিজ্ঞানীরা।

  • Share this:

ূম#হিউস্টান: পৃথিবীর বাইরে আর কোনও পড়শি গ্রহে কি রয়েছে প্রাণের অস্তিত্ব? গত শতাব্দী থেকেই এই নিয়ে জল্পনার শেষ নেই। উত্তর যেন মিলবে-মিলবে করেও মিলছে না।

তবে সম্প্রতি নাসার কেপলার টেলিস্কোপেই প্রথম ধরা পড়ল পৃথিবীর এক দোসরের অস্তিত্ব। সঙ্গত কারণেই উত্তেজনা তুঙ্গে- পৃথিবীর দোসর যখন, তখন কি সেখানে প্রাণের অস্তিত্ব থাকবে না?

আদিগন্ত বিস্তৃত মহাকাশ নিয়ে মানুষের জিজ্ঞাসার শেষ নেই। পৃথিবীর বাইরে আর কোনও পৃথিবী রয়েছে কি না, তা জানার জন্য পাঁচ দশক আগে মহাকাশে পৌঁছে গিয়েছিলেন ইউরি গ্যাগারিন। তার পর ১৯৬৯ সালে চাঁদে পদার্পণ করলেন নীল আর্মস্ট্রং। এর পর রহস্য উন্মোচনের লক্ষ্যে একের পর এক মহাকাশযান কখনও পৌঁছেছে চাঁদে, কখনও মঙ্গলে। দূরবিনে বছরের পর বছর চোখ ঠেকিয়ে বসে রয়েছেন মহাকাশবিজ্ঞানীরা। সম্প্রতি ম্যাসাচুসেটস ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি-র (এমআইটি) গবেষকরা পৃথিবীর মতোই একটি গ্রহ আবিষ্কার করেছেন। একেবারে আমাদের পৃথিবীর মতোই আকৃতি তার। ২০১৭ সালে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার কেপলার টেলিস্কোপে প্রথম এই গ্রহ থেকে সঙ্কেত আসে।

গ্রহের নাম দেওয়া হয়েছে কে২-৩১৫বি। গ্রহটি নিজস্ব সৌরজগতে তার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে চলেছে বলে নিশ্চিত করেছেন মহাকাশ বিজ্ঞানীরা। কে-২ তথ্য ব্যবহার করে এই নিয়ে ৩১৫টি নতুন গ্রহের সন্ধান মিলল মহাকাশে।

গ্রহটির ভর সম্পর্কে এখনও তেমন কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে আসতে পারেননি জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। তবে বিজ্ঞানীদের প্রাথমিক অনুমান বলছে, প্রাণের বসবাসযোগ্য নয় ওই গ্রহ। কারণ এই গ্রহটি তার সূর্যকে এক বার প্রদক্ষিণ করতে সময় নেয় মাত্র ৩.১৪ দিন। অর্থাৎ এর আবর্তনের গতি থাকে ৮১ কিলোমিটার/সেকেন্ড। ফলে এর ভূপৃষ্ঠের তাপমাত্রা থাকে ৩৫০ ডিগ্রি ফারেনহাইট অথবা ৪৫০ কেলভিনের কাছাকাছি। এত উচ্চ তাপমাত্রায় প্রাণের অস্তিত্বের সম্ভাবনা ক্ষীণ বলেই জানিয়েছেন এমআইটি-র গবেষকরা।

তা বলে পৃথিবীর এই দোসর গ্রহটির বুকে কী চলছে, তা নিয়ে গবেষণা থামিয়ে দেবেন না তাঁরা। কেন না, আপাতত যা আবিষ্কার হয়েছে, তা কেবল অস্তিত্বের প্রথম ধাপ। ঠিক যেমন শুক্র গ্রহে ফসফিন গ্যাসের সন্ধান পাওয়ার পর বিস্তারিত পরীক্ষার লক্ষ্যে এগোচ্ছে বিজ্ঞানী-মহল, এ ক্ষেত্রেও তেমনটা হবে আশা রাখাই যায়।

Published by:Pooja Basu
First published: