মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন সদ্য গ্র্যাজুয়েট ২৯ যুবক, ফিলিপিন্সে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা.. 

দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে বিমানের ধ্বংসাবশেষে।

এই বিমানের যাত্রীরা প্রত্যেকেই সদ্য জাতীয় সেনা স্কুলে স্নাতক হয়েছিলেন।

  • Share this:

    #ম্যানিলা: ৯২ জন যাত্রী-সহ সেনাবাহিনীর বিমান ভেঙে পড়ল ফিলিপিন্সে। অন্তত ২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে এই ঘটনায়। ৫০ জনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা গিয়েছে। এখনও উদ্ধারকার্য চলছে।  এই বিমানের যাত্রীরা প্রত্যেকেই সদ্য জাতীয় সেনা স্কুলে স্নাতক হয়েছিলেন।

    সিই ১৩০ হারকিউলিস বিমানটিতে চলে তারা সুলু দ্বীপপুঞ্জের যাচ্ছিলেন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ফিলিপিন্সের দক্ষিণ প্রান্তে অপরাধ প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় তৎপর ফিলিপিন্স প্রশাসন সিদ্ধান্ত নেয় এই টাস্ক ফোর্স ওই প্রত্যন্ত অঞ্চলে মোতায়েন করা হবে। কিন্তু শেষমেশ সেখানে আর পৌঁছনো হল না এই যুবকদের।

    ফিলিপিন্সে সেনাবাহিনী থেকে বলা হচ্ছে এটি দেশের এযাবৎ কালের সবথেকে দুর্ভাগ্যজনক বিমান দুর্ঘটনা। শেষ পাওয়া খবরে এখনও পর্যন্ত ১৭ জনকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম এবং ফেসবুক পেজে যেসব ছবিগুলো ছড়িয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে বিমানের ধ্বংসাবশেষ দাউদাউ করে জ্বলছে। ওই জয়েন্ট টাস্কফোর্সের জীবিত সদস্য উইলিয়াম গঞ্জালেস বলেছেন, বিমানটি বিপদ এড়ানোর সর্বাত্মক চেষ্টা করেছিল কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি।

    ফিলিপিন্স বায়ুসেনা বাহিনীর মুখপাত্র মায়নার্ড মারিয়ানো সংবাদসংস্থা এএফপিকে জানিয়েছেন, ঠিক কী কারণে বিমান ভেঙে পড়ল তা জানতে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। তবে সম্ভবত এটি দুর্ঘটনাই। বিমানটিকে গুলি ছুঁড়ে নামানো হয়েছে এমন প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

    চারটি ইঞ্জিনের এই বিমানটি যে অঞ্চলে আছড়ে পড়ে সেখানে জনবসতি কম থাকায় বড় বিপদ এড়ানো গিয়েছে। রবিবার থেকেই কাজে  যোগ দেওয়ার কথা ছিল এই টাস্কফোর্সের। আবু সায়াফের মত ভয়াবহ গোষ্ঠী ওই এলাকায় সক্রিয়, আর সেটাই মাথাব্যথা ফিলিপিনস প্রশাসনের। গত মাসেও ফিলিপিন্সে একটি ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টার ৬ যাত্রীসহ ভেঙে পড়েছিল

    Published by:Arka Deb
    First published: