'একটা ইঞ্জিন বিকল!' চরম বিপদের আঁচ পেয়েও শান্ত ছিলেন পাক বিমানের চালক

বিমানচালক সাজ্জাদ গুল৷ PHOTO- TWITTER

পাকিস্তানের এয়ারলাইন্স পাইলট অ্যাসোসিয়েশন-এর তরফে জানানো হয়েছে, সাজ্জাদ গুল তাঁদের সদস্যদের মধ্যে অন্যতম অভিজ্ঞ পাইলট ছিলেন৷

  • Share this:

    #করাচি: 'আমাদের বিমানের একটি ইঞ্জিন বিকল হয়ে গিয়েছে...বিপদ, বিপদ, বিপদ!' বিমান ভেঙে পড়ার কয়েক মুহূর্ত আগে অত্যন্ত শান্ত গলায় করাচির এটিসি-কে এ কথাগুলোই বলেছিলেন পাকিস্তান এয়ারলাইন্স-এর অভিশপ্ত বিমানের পাইলট সাজ্জাদ গুল৷ সেই শেষ, করাচি বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণের জন্য দু'টি রানওয়ে ফাঁকা রাখা হলেও সেই সুযোগ পাননি বিমানচালক৷ বেলা ১টার পরে করাচির জনবহুল এলাকাতেই ৯৯ জন যাত্রী এবং ৭ জন বিমানকর্মীকে নিয়ে ভেঙে পড়ে বিমানটি৷

    পাকিস্তানের একটি নিউজ চ্যানেলে ভেঙে পড়ার কয়েক মুহূর্ত আগে বিমানচালকের সঙ্গে এটিসি-র কথোপকথনের একটি অডিও টেপ প্রকাশ করা হয়েছে৷ সেখানেই শোনা যাচ্ছে চরম বিপদের ইঙ্গিত পেয়ে গিয়েছিলেন বিমানচালক সাজ্জাদ গুল৷ তার পরেও নিজেকে শান্ত রেখেছিলেন তিনি৷ শেষরক্ষা যে হবে না, সেটাও তিনি বুঝে গিয়েছিলেন৷ কারণ ততক্ষণে ইঞ্জিন বিকল হয়ে সাজ্জাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছে বিমান৷

    পাকিস্তানের এয়ারলাইন্স পাইলট অ্যাসোসিয়েশন-এর তরফে জানানো হয়েছে, সাজ্জাদ গুল তাঁদের সদস্যদের মধ্যে অন্যতম অভিজ্ঞ পাইলট ছিলেন৷ সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে, যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ার আগে বিমানটি নিয়ে একবার বিমানবন্দরে নামার চেষ্টা করেছিলেন সাজ্জাদ৷ কিন্তু অবতরণে ব্যর্থ হয়ে ফের উড়ে যেতে হয়েছিল তাঁকে৷

    এই দুর্ঘটনায় দু' জন বাদে বিমানে থাকা সব যাত্রীরই মৃত্যু হয়েছে বলে খবর৷ পাশাপাশি জনবহুল এলাকায় বিমানটি ভেঙে পড়ায় আরও প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে৷ ফলে হতাহতের সংখ্যা এখনও স্পষ্ট হয়নি৷ করাচির মালির মডেল কলোনির জিন্নাহ গার্ডেন এলাকায় বেশ কয়েকটি বাড়ির উপরেই বিমানটি ভেঙে পড়ে৷ এর পরেই বিমানটিতে আগুন ধরে যায়৷

    Published by:Debamoy Ghosh
    First published: