• Home
  • »
  • News
  • »
  • international
  • »
  • ‘পাকিস্তান জঙ্গিদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে, যা বরদাস্ত করা হবে না’, হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

‘পাকিস্তান জঙ্গিদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে, যা বরদাস্ত করা হবে না’, হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

ফের পাকিস্তানকে তোপ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ৷

ফের পাকিস্তানকে তোপ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ৷

ফের পাকিস্তানকে তোপ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ৷

  • Share this:

    #ওয়াশিংটন: পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সুর চড়াল আমেরিকা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি, জঙ্গিদের স্বর্গরাজ্য পাকিস্তান।বিশ্বে সন্ত্রাস চালিয়ে পাকিস্তানে আশ্রয় পাচ্ছে জঙ্গিরা। ইসলামাবাদকে এর মূল্য চোকাতে হবে। পাকিস্তানকে চরম হুঁশিয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্টের। তাঁর সাফ কথা, জঙ্গি গোষ্ঠীগুলিকে মদত আর বরদাস্ত করা হবে না।

    মাস দুয়েক আগে হোয়াইট হাউজে দাঁড়িয়ে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সঙ্গে নিয়ে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, সন্ত্রাসবাদীরা কোনওভাবে যাতে পাক ভূখণ্ডে ব্যবহার করতে না পারে তা নিশ্চিত করতে হবে। এটা যে শুধুই কথার কথা ছিল না, ফের তা স্পষ্ট করে দিলেন ট্রাম্প। আফগানিস্তান সম্পর্কে নয়া নীতি ঘোষণার সময় পাকিস্তানকে চরম হুঁশিয়ারি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্প বলেন,

    পাকিস্তান যেভাবে সন্ত্রাসবাদীদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে তা নিয়ে আর চুপ থাকবে না আমেরিকা।

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট মনে করিয়ে দিয়েছেন, সন্ত্রাস দমনের জন্য ইসলামাবাদকে অঢেল অর্থসাহায্য করে আমেরিকা। জঙ্গিদের মদত বন্ধ না করলে সেই সাহায্য বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প।

    আমেরিকার সবচেয়ে বড় আশঙ্কার জায়গা এখন জঙ্গি সংগঠন হাক্কানি গ্রুপ। সেই সংগঠনকে সাহায্য করার অভিযোগ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। ট্রাম্প জানান, তাঁর নয়া নীতির মূল লক্ষই হল যাতে আফগানিস্তান কোনোভাবে ইসলামিক সন্ত্রাসবাদীদের ঘাঁটিতে পরিণত না হয়। সেখান থেকে আইএস যাতে আমেরিকার উপর হামলার ছক কষতে না পারে। পাকিস্তানের উদ্দেশ্যে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি সম্পূর্ণ নিজেদের স্বার্থেই। দাবি বিশেষজ্ঞদের।

    দক্ষিণ এশিয়ার শান্তি ও স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে ভারত একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। আর সেই কারণেই ভারতের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার উপরে জোর দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    First published: