• Home
  • »
  • News
  • »
  • international
  • »
  • পাকিস্তানেই রয়েছে মাসুদ আজহার, অবশেষে মানল ইসলামাবাদ

পাকিস্তানেই রয়েছে মাসুদ আজহার, অবশেষে মানল ইসলামাবাদ

পুলওয়ামা হামলার পর আন্তর্জাতিক চাপে জইশ-ই-মহম্মদ সহ একাধিক সন্ত্রাসবাদী সংগঠনকে নিষিদ্ধ করেছিল পাকিস্তান । পাকিস্তানের এই পদক্ষেপের প্রশংসা করেছিল মার্কিন প্রশাসন। তবে এতকিছুর পরেও সোশ্যাল মিডিয়ায় ফের সরব জইশ ।

পুলওয়ামা হামলার পর আন্তর্জাতিক চাপে জইশ-ই-মহম্মদ সহ একাধিক সন্ত্রাসবাদী সংগঠনকে নিষিদ্ধ করেছিল পাকিস্তান । পাকিস্তানের এই পদক্ষেপের প্রশংসা করেছিল মার্কিন প্রশাসন। তবে এতকিছুর পরেও সোশ্যাল মিডিয়ায় ফের সরব জইশ ।

  • Share this:

    #ইসলামাবাদ: ফের একবার কূটনৈতিক জয় ভারতের ৷ আন্তর্জাতিক চাপের কাছে নতিস্বীকার পাকিস্তানের ৷ মাসুদ আজহার যে পাকিস্তানেই রয়েছে, সেটা অবশেষে মেনে নিল ইসলামাবাদ ৷

    পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশি CNN-কে জানিয়েছেন, জৈশ-ই-মহম্মদের প্রধান মাসুদ আজহার পাকিস্তানেই রয়েছে ৷ কিন্তু তিনি খুব অসুস্থ ৷ আপাতত বাড়িতেই আছে সে ৷ শারীরিক অবস্থা এতটাই খারাপ, যে বাড়ি থেকে বেরনোর মতো অবস্থায় নেই মাসুদ ৷ ভারত প্রমাণ দিলে মাসুদকে আদালতে পেশ করা হবে ৷

    পুলওয়ামা-সন্ত্রাসের ডসিয়র পাকিস্তানের হাতে ইতিমধ্যেই তুলে দিয়েছে ভারত। অর্থাৎ কোথায় জইশের ঘাঁটি, কীভাবে চলে জঙ্গি শিবির ? সবটাই তথ্য-প্রমাণ দিয়ে ডসিয়রের মাধ্যমে জমা দিয়েছে কেন্দ্র। বুধবার পাক বায়ুসেনা ভারতের সামরিক ঘাঁটিতে হামলার চেষ্টা চালায়। এনিয়েও কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে ভারত।

    আকাশে উত্তেজনার মধ্যেই পুরোদস্তুর কূটনৈতিক যুদ্ধ। পাকিস্তানের ওপর চাপ বাড়িয়ে জইশ-এ-মহম্মদকে নিয়ে ডসিয়র দিয়েছে ভারত। বুধবার পাক ডেপুটি হাইকমিশনারকে ডেকে পাঠিয়ে জইশকে নিয়ে ডসিয়র তুলে দেয় ভারত। পাকিস্তানে জইশের ঘাঁটি ও গতিবিধি নিয়ে বিস্তারিত বিবরণ দিয়েই ডসিয়র তৈরি করা হয়েছে।

    - পুলওয়ামার ঘটনায় জইশ যোগের তথ্যপ্রমাণ - পাকিস্তানে জইশের ঘাঁটি ও প্রশিক্ষণ শিবির সম্পর্কে তথ্য - পাকিস্তানে শীর্ষ জইশ জঙ্গিদের গতিবিধির প্রামাণ্য নথি

    এই ডসিয়রের প্রেক্ষিতে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি পাক আগ্রাসন নিয়েও চাপ বাড়িয়েছে ভারত। বিদেশমন্ত্রকের তরফে পাক হাইকমিশনারকে ডেকে জানানো হয় ,ভারতে আগ্রাসন চালিয়েছে পাকিস্তান। ভারত জঙ্গিঘাঁটিতে হামলা চালায়। পাকিস্তানের সেনাঘাঁটিকে টার্গেট করা হয়নি। সেখানে ভারতে সামরিক বাহিনীর উপর হামলার চেষ্টা হয়েছে ৷ এখানেই না থেমে আরও কড়া মনোভাব কেন্দ্রের। জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ভারতের অধিকার। সীমান্তে সন্ত্রাসের মোকাবিলা করে সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে ৷ শক্তি প্রদর্শনের পাশাপাশি কূটনৈতিক যুদ্ধেও প্রথম থেকেই চাপ বাড়াতে চাইছে কেন্দ্র।

    First published: