corona virus btn
corona virus btn
Loading

মিলল ১৩ হাজার বছর আগের মানুষের পায়ের ছাপ থেকে! কী করছিলেনস কোথাও যাচ্ছিলেন ওঁরা!

মিলল ১৩ হাজার বছর আগের মানুষের পায়ের ছাপ থেকে! কী করছিলেনস কোথাও যাচ্ছিলেন ওঁরা!
মিলল মানুষের প্রায় ১৩ হাজার বছর আগের পায়ের ছাপ।

শেষ পর্যন্ত কেবল একটা সিদ্ধান্তেই পৌঁছেছেন নৃতত্ত্ববিদরা

  • Share this:

পায়ের ছাপের জীবাশ্ম যদি হয়, তা হলে তার থেকে প্রাথমিক ভাবে পাওয়া যেতে পারে দুই রকমের ধারণা। এর মধ্যে প্রথমটা হল পায়ের মালিককে নিয়ে। যেমন তিনি নারী না পুরুষ, পায়ের ছাপের আকৃতি তাঁর শারীরিক গঠন সম্পর্কে কী বলছে এই সব! আর দ্বিতীয় ধাপে আসে কী ভাবে ওই পায়ের ছাপ পড়ল, সেই প্রসঙ্গ। মানে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিটি হাঁটছিলেন না দৌড়চ্ছিলেন না কি দাঁড়িয়ে ছিলেন চুপচাপ! এই সব প্রাসঙ্গিক দিক বিচার করে সম্প্রতি ১৩ হাজার বছর আগের আদিম মানুষের যে পায়ের ছাপগুলো পাওয়া গিয়েছে, তার ভিত্তিতে শেষ পর্যন্ত কেবল একটা সিদ্ধান্তেই পৌঁছেছেন নৃতত্ত্ববিদরা- তাঁরা ছিলেন প্রচণ্ড তাড়াহুড়োর মধ্যে!

খবর বলছে যে হালফিলে ১৩ হাজার বছর আগের আদিম মানুষের জীবাশ্মে পরিণত হয়ে যাওয়া পায়ের ছাপ উদ্ধার হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকোর হোয়াইট স্যান্ডস ন্যাশনাল পার্কের একটি শুকিয়ে যাওয়া নদীখাত থেকে। তাও একটা কী দুটো নয়, একসঙ্গে অনেকগুলো পায়ের ছাপের জীবাশ্ম পেয়েছেন নৃতত্ত্ববিদরা। কিন্তু অনেক পায়ের ছাপ মানেই অনেক মানুষ, মানে একটা পুরো গোষ্ঠী, এই ধারণা করা ভুল হবে। কেন না, সাফ জানাচ্ছেন নৃতত্ত্ববিদরা- এই সবক'টা পায়ের ছাপই পরস্পরের সঙ্গে মিলে যায়। এই দিক থেকে বিচার করে তাঁরা বুঝতে পেরেছেন যে এই সব পায়ের ছাপ এক পূর্ণবয়স্ক পুরুষ, এক প্রাপ্তবয়স্কা নারী এবং কোলের শিশুর।

তা, কী করে নৃতত্ত্ববিদরা বুঝলেন যে এই পরিবার প্রচণ্ড তাড়াহুড়ের মধ্যে ছিল?

জীবাশ্মগুলোকে ভালো ভাবে পরীক্ষা করে তাঁরা দেখেছেন যে এই আদিম পুরুষ এবং নারীর প্রতি সেকেন্ডে পদক্ষেপের গতি ছিল ১.৭ মিটার। সাধারণত ধীরে-সুস্থে হাঁটলে পদক্ষেপের গতি হওয়ার কথা প্রতি সেকেন্ডে ১.২ মিটার; বড়জোর ১.৫ মিটার। কিন্তু এ ক্ষেত্রে তার ব্যতিক্রম দেখা গিয়েছে যা প্রমাণ করে দিচ্ছে যে এই পরিবার তাড়াহুড়োর মধ্যে ছিল।

নৃতত্ত্ববিদরা আরও জানিয়েছেন যে এই দম্পতির পায়ের ছাপের মাঝে আচমকাই এক কোলের শিশুর পায়ের ছাপও দেখা গিয়েছে। এ থেকে সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন তাঁরা- হয় তো মা ক্লান্ত হয়ে একটু হাঁফ ছাড়ার জন্য সন্তানকে ক্ষণিকের জন্য কোল থেকে নামিয়েছিলেন! এর ভিত্তিতে নৃতত্ত্ববিদরা বলছেন যে এই আদিম পরিবারের তাড়াহুড়োর কারণও ওই শিশু এবং তার নিরাপত্তা।

নৃতত্ত্ববিদদের দাবি, ১৩ হাজার বছর আগে মানুষের চেয়ে অন্য প্রাণীরা ছিল অনেক বেশি শক্তিশালী। হয় তো তাদের হাত থেকে সুরক্ষার জন্য বা অন্য কোনও কারণে এই পরিবারের শিশুটিকে একটি নিরাপদ জায়গায় লুকিয়ে রাখার প্রয়োজন হয়েছিল। সেই জন্যই তাড়াহুড়ো করে তাকে কোথাও রেখে এসে আবার আগের জায়গায় ফিরে গিয়েছিলেন দম্পতি। তাই ফেরার পথে আর শিশুটির পায়ের ছাপ দেখা যায়নি!

Written By: Anirban Chaudhury

Published by: Arka Deb
First published: October 17, 2020, 4:36 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर