বিদেশ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

‘কোনও ভ্যাকসিন দরকার নেই, কোভিড অতিমারী চলে গেছে’- Pfizerর প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট

‘কোনও ভ্যাকসিন দরকার নেই, কোভিড অতিমারী চলে গেছে’- Pfizerর প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট
Photo- Representative

Pfizer ফার্মাসিউটিক্যাল নিজেরাই আনছে ভ্যাকসিন আর তাদেরই প্রধান বিজ্ঞানীর মত চমকে দিল সকলকে৷

  • Share this:

#লন্ডন: এই মুহূর্তে করোনা ভাইরাস ভ্যাকসিন আবিষ্কারের দৌড়ে যারা রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম Pfizer pharmaceutical ৷ ইতিমধ্যে ভ্যাকসিন আবিষ্কার নিয়ে একাধিক শিরোনাম পেয়ে গেছে তারা৷ কিন্তু তাদেরই প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্টে মারাত্মক মন্তব্য করেছেন ৷ তাদের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ও প্রধান বিজ্ঞানী ডক্টর মাইকেল ইয়াডোন বলেছেন কোভিড ১৯ (COVID-19) অতিমারী থেকে বাঁচার জন্য ভ্যাকসিনের প্রয়োজন নেই৷

Lockdown Sceptics জার্নালে প্রকাশিত একটি আর্টিকেল তিনি লিখেছেন, ‘ ভ্যাকসিনের কোনও প্রয়োজন নেই এই অতিমারী থেকে বাঁচার জন্য৷ আমি এই ভ্যাকসিনের মত ননসেন্স কখনও শুনিনি৷ যে রোগ থেকে যে মানুষদের কোনও ক্ষতির সম্ভবনা নেই তাঁদের ভ্যাকসিন দেওয়া হতে পারে এরকম কখনও হয় না৷ কখনও লক্ষ লক্ষ সুস্থ মানুষকে ভ্যাকসিন দেওয়ার প্ল্যানও করতে পার না৷ বিশেষত যখন অবধি সেই ভ্যাকসিন বিস্তৃতভাবে টেস্টের মধ্যে দিয়ে না গেছে৷ ’

তাঁর এই পরামর্শ এসেছে Scientific Advisor Group for Emergencies (SAGE) -র সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে৷ এই সংস্থা ব্রিটেনের একটি সরকারি সংস্থা৷ যারা আপতকালীন পরিস্থিতিতে সরকারকে পরামর্শ দেয়৷

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ কালে লকডাউন কীভাবে হবে তা নিয়ে নিজেদের গুরুত্বপূর্ণ মতামত রেখেছিল এই সংস্থা৷ তিনি SAGE -র বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন৷ তাঁর মতে গত সাত মাস ধরে নাগরিকদের অত্যন্ত মানসিক অত্যাচার করা হচ্ছে৷

তিনি সরাসরি পরিসংখ্যানের সাহায্য নিয়ে বলেছেন, ‘SAGE বলেছিল সকলে সংক্রমিত হবে সেখানে মাত্র ৭ শতাংশ মানুষ সংক্রমিত হয়েছে৷ এটা সত্যিই অবিশ্বাস্য৷ তারা শ্বাসপ্রশ্বাস সংক্রান্ত ভাইরাসে সমস্ত প্রাচীন ইতিহাস ভুলে গেছে৷ তারা বোধহয় অসংখ্য গুণী ইমিউনোলজিস্টের সব কিছু ভুলো গেছে৷ যেখানে রিসার্চে দেখা যায় ৩০ শতাংশ মানুষের শুরু থেকে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা রয়েছে ৷ ’

 তিনি আরও বলেছেন, ‘তাঁরা আরও বাদ রেখেছে বিশাল সংখ্যক শিশু ও বাচ্চাদের৷ যাঁরা সংক্রমিত হচ্ছে না৷ সম্ভবত তাদের অপরিণত বায়োলজি -যা তাদের কোষকে স্পাইক প্রোটিনের রিসেপটর তৈরি করছে না৷ যা জানা যায় ACE2 নামে৷ আমি বলছি না সব শিশুর ক্ষেত্রেই এটা প্রযোজ্য৷ কিন্তু অন্তত দুই তৃতীয়াংশ ক্ষেত্রে এটা প্রযোজ্য৷
‘তাই SAGE খুব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ভুলে গেছে তারা মনে করেছে আগে থেকে কোনও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নেই৷ যেখানে ৩০ শতাংশ মানুষের এই ক্ষমতা রয়েছেই৷ (প্রায় ৪০ শতাংশ যদি আপনি শিশুদের যোগ করেন তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নেই কিন্তু তারা এটা রেসিসট্যান্ট) ৷
হার্ড ইমিউনিটি (herd immunity) তখন বলা হয় যখন রোগ সংক্রমণ ২৮ থেকে ৩৫ শতাংশে আসবে ৷ তখন আর এই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়বে না ৷ তখন এই ভাইরাস চলে যাবে৷
Published by: Debalina Datta
First published: November 27, 2020, 10:53 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर