ছুটি পেতে নিজেই নিজেকে 'অপহরণ' করে চাকরি খোয়ালেন গুণধর!

ব্র্যান্ডেল সোলস নামের ওই কিশোর।

আমেরিকার অ্যারিজোনায় ১৯ বছরের এক কিশোরের কাণ্ড শুনে চক্ষু চড়কগাছে উঠছে অনেকেরই। একটি কারখানার কর্মী ওই ছেলেটি। নিজেই নিজের অপহরণের গল্প ফেঁদে ফেলেছেন তিনি।

  • Share this:

    #অ্যারিজোনা: ছুটি পাওয়ার জন্য সর্বোচ্চ আপনি কী করবেন? অসুস্থতা হলে সেই কারণ দেখিয়ে, কিংবা অসুস্থতার নামে মিথ্যে বলে ছুটি নেন অনেকেই। অনেকে আবার আত্মীয়স্বজনদের মৃত্যুসংবাদের কথাও কাজে লাগান ছুটি পাওয়ার জন্য। তবে আমেরিকার অ্যারিজোনায় ১৯ বছরের এক কিশোরের কাণ্ড শুনে চক্ষু চড়কগাছে উঠছে অনেকেরই। একটি কারখানার কর্মী ওই ছেলেটি। নিজেই নিজের অপহরণের গল্প ফেঁদে ফেলেছেন তিনি। যদিও শেষ পর্যন্ত কাজ থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে তাঁকে।

    ব্র্যান্ডন সোলস নামে ১৯ বছরের ওই ছেলেটি ছুটি পাওয়ার জন্য অপহরণের গল্প ফেঁদেছিলেন বলে দাবি একটি আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থার। পুলিশ সূত্রে খবর, সোলসকে খুঁজে পাওয়া গিয়েছে। টায়ারের কারখানায় কর্মরত সোলসকে একটি জলের টাওয়ারের সামনে থেকে হাত বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করেন এক প্রত্যক্ষদর্শী। মুখেও কাপড় আটকানো ছিল বলে জানা গিয়েছে।

    This media release is being published to supply facts and address a number rumors that are circulating regarding an... Posted by Coolidge Police Department on Wednesday, February 17, 2021

    পুলিশতে সোলস জানিয়েছিলেন, তাঁকে দুই ব্যক্তি অপহরণ করেছিল। এই জলের টাওয়ারের কাছে ফেলে যাওয়ার আগে তাঁকে গাড়িতে তোলা হয়েছিল বলে দাবি সোলসের। অচৈতন্য অবস্থায় তাঁকে এই রাস্তায় ফেলে দিয়েছিল দুষ্কৃতীরা বলে দাবি করেছেন ছেলেটি। কুলিজ পুলিশের গোয়েন্দারা এই ঘটনার তদন্তে নেমে অবশ্য গোটা বিষয়টা অন্যভাবে সামনে এনেছেন। ব্র্যান্ডন সোলসকে অপহরণের কোনও প্রমাণ পাননি তাঁরা। রাস্তার সিসিটিভি ফুটেজ দেখে গোয়েন্দারা নিশ্চিত গোটা বিষয়টাই সাজানো হয়েছিল ছুটি পাওয়ার জন্য।

    পুলিশের জেরার মুখে পড়ে অবশ্য নিজের দোষের কথা স্বীকার করেছেন ব্র্যান্ডন। কাজ থেকে ছুটি পাওয়ার জন্যই এমন গল্প ফেঁদেছিলেন বলে দাবি করেছেন সোলস। তবে মিথ্যে গল্প ফেঁদে এভাবে পুলিশকে বিব্রত করার দায়ে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃত নিজের বেল্ট দিয়েই নিজে হাত বেঁধেছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। কারখানা থেকেও তাঁকে বিতাড়িত করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    Published by:Raima Chakraborty
    First published: