Home /News /international /
মারামারি, থুতু ফেলা চলবে না! চাঁদে যাওয়ার আগে হঠাৎ কেন এ নিয়ম জারি করল নাসা?

মারামারি, থুতু ফেলা চলবে না! চাঁদে যাওয়ার আগে হঠাৎ কেন এ নিয়ম জারি করল নাসা?

Representational Image

Representational Image

নাসা অবশ্য চাইছে যে আরও বেশি সংখ্যক দেশ এই চুক্তিতে সই করুক যাতে ২০২৪-এর মধ্যে মহাকাশচারীরা চাঁদের মাটিতে পা রাখুন।

  • Share this:

আর্টেমিস চন্দ্রযান আর কিছুদিনের মধ্যেই চাঁদের দিকে যাত্রা করবে। আর সেই জন্য নাসা একটু বেশিই সতর্কতা অবলম্বন করতে চাইছে। এই ব্যাপারে তারা সম্প্রতি কিছু নির্দেশিকাও প্রকাশ করেছে। ১৯৬৭ সালের আউটার স্পেস ট্রিটির উপর ভিত্তি করে এই নির্দেশিকা তৈরি করেছে নাসা। এই আর্টেমিস চুক্তিতে সই করেছে আমেরিকা, ইতালি, কানাডা, জাপান, লুক্সেমবার্গ, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং ব্রিটেন। নাসা অবশ্য চাইছে যে আরও বেশি সংখ্যক দেশ এই চুক্তিতে সই করুক যাতে ২০২৪-এর মধ্যে মহাকাশচারীরা চাঁদের মাটিতে পা রাখুন।

নাসার প্রশাসক জিম ব্রিডেনস্টাইনের মতে এই প্রজেক্ট ইতিহাসের অন্যতম মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হতে চলেছে। আর এই উচ্চাকাঙ্ক্ষী অভিযানই ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে যাত্রার পথ আরও মসৃণ করবে বলে আশা করা যায়।

আর সেই জন্যই নাসা চাইছে যে অ্যাপোলো ১১ ট্রাঙ্কুয়ালিটি বেসের মতো ঐতিহাসিক লুনার ল্যান্ডমার্কে কোনও মারামারি, নোংরা বা থুতু ফেলা বা আচমকা ঢুকে পড়া ইত্যাদি চলবে না। মাইক গোল্ড যিনি নাসার আন্তর্জাতিক ও আন্তঃসংযোগ বিভাগ দেখাশোনা করেন, তিনি বলেছেন চাঁদে শুধু একজন মহাকাশচারী যাবেন না তাঁর সঙ্গে যাবে আমাদের নীতি ও আদর্শ। সেই জন্যই এ হেন কড়াকড়ি!

আমেরিকাই একমাত্র দেশ যারা ১৯৬৯ থেকে ১৯৭২-এর মধ্যে চাঁদে মানুষ পাঠিয়েছিল। এই বিষয়ে নাসা রাশিয়াকে এখনও অপেক্ষমান তালিকায় রেখেছে আর চিনকে তালিকাভুক্ত করাই হয়নি। আর কেন সেটা করা হয়নি, সে বিষয়ে বাড়তি শব্দ খরচ করা অপ্রয়োজনীয়। চিনের সঙ্গে এই মুহূর্তে নাসার কোনও দ্বিপাক্ষিক চুক্তি হবে না।

মূলত নতুন নির্দেশিকায় যে নিয়মগুলো রাখা হয়েছে সেগুলি হল- সবাইকে শান্ত থাকতে হবে। কোনও রকমের রাখঢাক চলবে না। যে সব বস্তু লঞ্চ করা হবে সেগুলো সমস্ত শনাক্ত করতে হবে এবং নথিভুক্ত করতে হবে। সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল এই সব নিয়ম যাঁরা লঙ্ঘন করবেন তাঁদের সত্ত্বর কাজের জায়গা ছেড়ে চলে যেতে হবে। এই নিয়মটির উপর বিশেষ জোর দিয়েছেন ব্রিডেনস্টাইন।

বোঝাই যাচ্ছে আর্টেমিস নিয়ে নাসা একটু স্পর্শকাতর হয়ে পড়েছে। তাই কোনও দিক থেকে কোনও ত্রুটি যাতে না থাকে সেই ব্যবস্থাই তারা নিচ্ছে। পাশাপাশি, সমস্ত বৈজ্ঞানিক তথ্য সবার সঙ্গে শেয়ার করা এবং সহজবোধ্য স্পেস সিস্টেম যাতে রাখা হয় এই বিষয়গুলিও নিয়মাবলীতে যুক্ত করা হয়েছে।

তবে নাসার এই আর্টেমিস চুক্তিতে আটটি দেশ থাকলেও মূল ক্ষমতা আমেরিকার হাতেই থাকবে বলে খবর মিলেছে।

Published by:Siddhartha Sarkar
First published:

Tags: NASA

পরবর্তী খবর