অস্ট্রেলিয়ার স্কুল মাঠে উল্কাপিণ্ড, NASA-র তদন্তে উঠে এল মজার তথ্য!

অস্ট্রেলিয়ার স্কুল মাঠে উল্কাপিণ্ড, NASA-র তদন্তে উঠে এল মজার তথ্য!
উত্তর ক্যুইনসল্যান্ডের মাঠে উল্কাপাতের খবরটি হু-হু করে ছড়িয়ে পড়ে। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মানুষজনের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়। পুলিশ পৌঁছায়।

উত্তর ক্যুইনসল্যান্ডের মাঠে উল্কাপাতের খবরটি হু-হু করে ছড়িয়ে পড়ে। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মানুষজনের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়। পুলিশ পৌঁছায়।

  • Share this:

#অস্ট্রেলিয়া: অস্ট্রেলিয়ার উত্তর ক্যুইনসল্যান্ড (North Queensland)। এখানকারই একটি স্কুলের মাঠে দেখা মিলল উল্কাপিণ্ডের। মাঠের সবুজ ঘাস চিরে বেশ কিছু দূর এগিয়েও গিয়েছে সেই জ্বলন্ত উল্কাপিণ্ড। আশপাশের ঘাসগুলি পুড়ে গিয়েছে। একটু দূরে একটি গর্ত আর দু'-তিনটি কালো রঙের পোড়া পাথরের মতো জিনিস। অল্প ধোঁয়াও রয়েছে। মুহূর্তের মধ্যে আশsপাশের শহরে ছড়িয়ে পড়ে খবরটা। স্কুলের মাঠে উল্কাপিণ্ড! সব কিছু ঠিক আছে তো? সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতে শুরু করে ঘটনার ছবি। স্থানীয় প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরাও ঘটনাস্থানে পৌঁছান। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্য তোড়জোড় শুরু করে দেন বিজ্ঞানীদের একাংশ। কিন্তু তার পর আসল বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। যা সত্যিই হতাশ করে দেয় মহাকাশ-বিজ্ঞানীদের। আসলে সেটি উল্কা ছিল না। তাহলে কী ছিল? একবার বিশদে জেনে নেওয়া যাক!

উত্তর ক্যুইনসল্যান্ডের মাঠে উল্কাপাতের খবরটি হু-হু করে ছড়িয়ে পড়ে। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মানুষজনের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়। পুলিশ পৌঁছায়। এমনকি সোমবার মহাকাশ সংস্থা NASA-র তরফেও অস্ট্রেলিয়ার ওই স্কুলকে রিপোর্ট দিতে বলা হয়। কিন্তু আসল ঘটনা জানার পর সবাই রীতিমতো হতবাক হয়ে যান। আসলে এটি আর কিছুই না, স্কুলের প্রোজেক্ট মাত্র। স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরাই মাঠে এই কৃত্রিম উল্কাপাতের দৃশ্য তৈরি করেছিল!


এ নিয়ে পরের দিকে অস্ট্রেলিয়ান ক্রাশ ইনভেস্টিগেশন ইউনিটের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজেও একটি পোস্ট করা হয়। সেখানে এই উল্কাপাতের ছবিও শেয়ার করা হয়। কয়েকঘণ্টার মধ্যেই লাইক আর কমেন্টের ঝড় ওঠে। তবে ততক্ষণে অনেকে সত্যিটা জেনে গিয়েছেন। তাই নানা ধরনের মজার কমেন্টও দেখা গিয়েছে। এক ব্যবহারকারী লিখেছেন, খুদেদের প্রচেষ্টা দারুণ। তবে আশপাশের লোকজনের জাজমেন্ট অত্যন্ত খারাপ।

এই বিষয়ে 7NEWS-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মালান্দা স্টেট স্কুলের প্রিন্সিপাল জানান, গোটা বিশ্ব থেকে একের পর এক প্রশ্ন আসতে শুরু করে। উল্কা পড়ার খবর শুনে NASA-র তরফেও রিপোর্ট চাওয়া হয়। আদতে ওখানে কোনও উল্কা নেই। স্কুলের জার্নালিজমের ছাত্র-ছাত্রীদের উল্কাপাত নিয়ে একটি প্রোজেক্ট করতে বলা হয়েছিল। এটা সেই অ্যাসাইনমেন্টেরই অংশ। এতে পুলিশকেও অংশ নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। আসলে ছাত্র-ছাত্রীদের উল্কাপাতের বিষয়টি বোঝানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে এই সামান্য বিষয় নিয়ে যা হল, তা সত্যিই অবিশ্বাস্য! আসলে কাউকে না জানিয়েই কেউ একজন সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে দেয় ছবিটি। আর তার জেরেই এত কাণ্ড!

Published by:Piya Banerjee
First published: