বিদেশ

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

পিছিয়ে গেল নাসার শনির চাঁদে অভিযান, নেপথ্যে কোন রহস্য সক্রিয়! রইল বিস্তারিত...

পিছিয়ে গেল নাসার শনির চাঁদে অভিযান, নেপথ্যে কোন রহস্য সক্রিয়! রইল বিস্তারিত...

শনির উপগ্রহ টাইটান, সহজ ভাবে বললে শনির চাঁদ, তাকে ঘিরেও কৌতূহলের অন্ত নেই। নাসার বিভিন্ন প্রোজেক্টও শুরু হয়েছে শনির এই চাঁদ টাইটানকে ঘিরে।

  • Share this:

#ওয়াশিংটন: শনি গ্রহ নিয়ে মানুষের উৎসাহ দিন দিন বেড়েই চলেছে। নাসার বিভিন্ন প্রোজেক্টে শনি নিয়ে উঠে আসছে বিভিন্ন অজানা তথ্যও। শীতল এই গ্রহ আমাদের কাছে রহস্যে ঘেরা অঞ্চল। শনির উপগ্রহ টাইটান, সহজ ভাবে বললে শনির চাঁদ, তাকে ঘিরেও কৌতূহলের অন্ত নেই। নাসার বিভিন্ন প্রোজেক্টও শুরু হয়েছে শনির এই চাঁদ টাইটানকে ঘিরে।

নাসার সে রকমই একটি প্ৰোজেক্ট হল মিশন ড্রাগনফ্লাই। এই অভিযান ২০২৬ সালে হওয়ার কথা থাকলেও আপাতত তা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। শনির সব চেয়ে বড় উপগ্রহ টাইটানে নাসার ড্রাগনফ্লাই অভিযান ২০২৭-এর আগে হবে না বলে জানা যাচ্ছে। নাসার বিবৃতিতে জানা গিয়েছে, ২০২৬-এ এই অভিযানের কথা থাকলেও সংস্থা ড্রাগনফ্লাই টিমকে ২০২৭ সালে আরও এক বিকল্প লঞ্চ ডেট পেশ করার জন্য অনুরোধ করেছে।

তবে নাসা জানিয়েছে, ড্রাগনফ্লাই লঞ্চের ডেট বদলে গেলেও মিশনের কাঠামোয় কোনও রদবদল হচ্ছে না। এই মিশনের সময় বদলালেও ড্রাগনফ্লাই যখন টাইটানে পৌঁছবে, তখন তার যে নিয়মে কাজ করার করার কথা ছিল, সেই সব নিয়ম মেনেই কাজ করবে। 

নাসা এই প্রথমবার বিজ্ঞানের স্বার্থে কোনও গ্রহে, মাল্টিরোটার যান পাঠাচ্ছে। সব যদি নিয়ম মেনে চলে, তা হলে ড্রাগনফ্লাই যান যত দিন সচল থাকবে, তত দিন পর্যন্ত টাইটান উপগ্রহের মাটি পরীক্ষা করতে সেখানকার বিভিন্ন অঞ্চলে ঘুরে বেড়াবে। নাসা সূত্রে জানা গিয়েছে, ড্রাগনফ্লাই জলবায়ু পরীক্ষা করতে টাইটানের নানা অংশে ঘোরাফেরা করবে। 

আসলে কোভিড ১৯ এসে যাওয়ার ফলেই নাসার প্ল্যানেটরি সায়েন্স ডিভিশন-এর বাজেট কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর জন্যেই নাসার ড্রাগনফ্লাই টাইটান অভিযান পিছিয়ে অন্য সময়ে করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। 

ওয়াশিংটনে নাসার সদর দফতরে প্ল্যানেটরি সায়েন্স ডিভিশন-এর ডিরেক্টর লরি গ্লেজ জানান, ড্রাগনফ্লাই মিশন নিয়ে নাসার পুরোপুরি আত্মবিশ্বাস রয়েছে। ড্রাগনফ্লাই মিশন মানুষের কাছে শনির মতন সমৃদ্ধশালী জৈব গ্রহের সম্বন্ধে অনেক কিছু তথ্য তুলে ধরবে। মানুষ শনি এবং তার উপগ্রহ টাইটান নিয়েও আরও বেশি কিছু জানতেও পারবে। অনেক অ্যাস্ট্রোবায়োলোজিক্যাল প্রশ্নের উত্তরও এই অভিযানের মাধ্যমে মিলবে, যার থেকে পৃথিবীর প্রাণের বিকাশ সম্বন্ধেও অনেক নিত্যনতুন তথ্য জানতে পারা যাবে।

Published by: Shubhagata Dey
First published: September 30, 2020, 7:08 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर