• Home
  • »
  • News
  • »
  • international
  • »
  • পৃথিবীর আকাশে মহাজাগতিক অদ্ভুত বস্তুর আবির্ভাব, রহস্যভেদে কী বলছে NASA

পৃথিবীর আকাশে মহাজাগতিক অদ্ভুত বস্তুর আবির্ভাব, রহস্যভেদে কী বলছে NASA

সেপ্টেম্বরে হাওয়াইয়ান দ্বীপের (Hawaiian Island )মাউইয়ের একটি টেলিস্কোপে প্রথমবার ধরা পড়ে এই বস্তুটি

সেপ্টেম্বরে হাওয়াইয়ান দ্বীপের (Hawaiian Island )মাউইয়ের একটি টেলিস্কোপে প্রথমবার ধরা পড়ে এই বস্তুটি

সেপ্টেম্বরে হাওয়াইয়ান দ্বীপের (Hawaiian Island )মাউইয়ের একটি টেলিস্কোপে প্রথমবার ধরা পড়ে এই বস্তুটি

  • Share this:

#ওয়াশিংটন: এই সপ্তাহের ঘটনা। মঙ্গলবার পৃথিবীর পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায় এক রহস্যময় মহাজাগতিক বস্তু। একটা সময় পৃথিবীর ৩২,০০০ মাইলের মধ্যেও চলে এসেছিল এটি। এর পর থেকেই একাধিক জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছিল। আসলে এই বস্তুটি কী হতে পারে? এর সন্ধানে একাধিক গবেষণা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষাও শুরু হয়ে যায়। তবে শেষমেশ রহস্য উন্মোচন করল NASA। এই মহাকাশ সংস্থার গবেষকরা বস্তুটির অস্তিত্ব অনুধাবন করতে পারলেন। জানিয়ে দিলেন এটি আসলে একটি রকেট বুস্টার।

ন্যাশনাল এয়ারোনটিকস অ্যান্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (NASA)-এর তরফে জানানো হয়েছে, এই রহস্যময় বস্তু আসলে একটি Centaur Rocket বুস্টার। ১৯৬৬ সালের ২০ সেপ্টেম্বর লঞ্চ করা হয়েছিল এটি। বর্তমানে বস্তুটির নাম দেওয়া হয়েছে 2020 SO। তৎকালীন সময়ে Surveyor 2 মিশনের অংশ হিসেবে এই রকেটটিকে চাঁদে অবতরণের জন্য পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু রকেটটির একটি থ্রাস্টার (Thruster) অকেজো হয়ে পড়ায় ব্যর্থ হয় Surveyor 2। চাঁদের পৃষ্ঠতলেই ল্যান্ডার (Lander) তথা Surveyor 2 ধ্বংস হয়ে যায়। আর সেই সময়ে স্পেসক্রাফ্ট (Spacecraft) থেকে আলাদা হয়ে যায় রকেট বুস্টারটি। এর পর থেকে ওই বুস্টারটি সুবিশাল মহাশূন্যের কোনও অতল গহ্বরে হারিয়ে যায়।

সম্প্রতি পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির জেরে সেই রকেট বুস্টারটি আবার ধরা দেয়। NASA-র প্রেস বিবৃতি অনুযায়ী পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তি থেকে মুক্তি পাওয়ার আগে আগামী বছর মার্চের দিকে আরও একবার পৃথিবীর আশেপাশের এলাকায় নজরে আসতে পারে বুস্টারটি। তার পর এটি সূর্যের আশেপাশের কোনও নতুন কক্ষপথের দিকে চলে যাবে।

সেপ্টেম্বরে হাওয়াইয়ান দ্বীপের (Hawaiian Island )মাউইয়ের একটি টেলিস্কোপে প্রথমবার ধরা পড়ে এই বস্তুটি। খানিকটা অস্বাভাবিক ভাবেই পৃথিবীর কাছাকাছি চলে গিয়েছিল এটি। সেই সময় অনেক মহাকাশ বিজ্ঞানী একে গ্রহাণু বলেও মনে করেছিলেন। 2020 SO-এর কক্ষপথের উপরে বিস্তর বিশ্লেষণের পর NASA-র বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, কয়েক দশক ধরেই বেশ কয়েকবার পৃথিবীর কাছে এসেছে এই 2020 SO। এ ক্ষেত্রে NASA-এর আগের মিশনের তথ্যগুলির সঙ্গে তুলনা করার পর Center for Near-Earth Object Studies (CNEOS)-এর ডিরেক্টর পল চোডাসও ( Paul Chodas) একই কথা জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, Centaur রকেটের বুস্টার এই 2020 SO।

Published by:Ananya Chakraborty
First published: