বিদেশ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

হারানো বন্ধু খুঁজে পেলে মানুষের মতোই গরিলাও হয় আবেগপ্রবণ, চমকে দিচ্ছে সমীক্ষা

হারানো বন্ধু খুঁজে পেলে মানুষের মতোই গরিলাও হয় আবেগপ্রবণ, চমকে দিচ্ছে সমীক্ষা

মানুষের সঙ্গে হাবেভাবে, সামাজিকতায় দারুণ মিল গরিলাদের!

  • Share this:

#লন্ডন:  যা দেখা যাচ্ছে, যত বিতর্কই থাক না কেন, শেষ পর্যন্ত আমাদের এসে থামতে হয় চার্লস ডারউইন এবং তাঁর অন দ্য অরিজিন অফ স্পিসিসের বিবর্তনবাদের সূত্রে। এই যে ইউনিভার্সিটি অফ এক্সটারের গবেষণা বলছে যে গরিলাদের সঙ্গে মানুষের সামাজিকতার ধরনে কোনওই তফাত নেই, তা যেন আধা-মানব বা এক বিশেষ ধরনের বানরের প্রজাতি থেকে মানুষের উৎপত্তির সূত্রকেই সমর্থন করে!

এই জায়গায় এসে একটু জোর দিতে হবে শ্রেণীবিভাগে। সব গরিলাই মানুষের মতো দুই পায়ে ভর দিয়ে মাঝে মাঝে সোজা হয়ে দাঁড়াতে এবং হাঁটতে পারে ঠিকই! তবে যাদের সঙ্গে সামাজিকতার ধরনে মানুষের মিল আছে, তারা এক বিশেষ প্রজাতি। এদের বলা হয়ে থাকে মাউন্টেন গরিলা। ইউনিভার্সিট অফ এক্সটারের গবেষক এবং গরিলাবিদ রবিন মরিসন তাঁর দল নিয়ে রোওয়ান্ডার ভলক্যানোজ ন্যাশনাল পার্কে ১৬ বছর ধরে এক সমীক্ষা চালিয়ে এ হেন সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন।

সম্প্রতি ডেইলি মেলকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রবিন জানিয়েছেন যে মানুষ যেমন পুরনো বন্ধুদের দেখা পেলে উল্লসিত হয়ে ওঠে, আনন্দ প্রকাশ করে, তাকে আপ্যায়ন করে, মাউন্টেন গরিলাদের ক্ষেত্রেও ঠিক সেই ব্যাপারটাই হয়। অনেক বছর পরে পূর্বপরিচিত কাউকে দেখলে প্রথমে আমরা যেমন একটু থমকে যাই, এই প্রজাতির গরিলারাও তাই করে। তার পর আস্তে আস্তে সময়ের ব্যবধানের বরফ ভাঙে, দুই দলই পরস্পরের সঙ্গে মিশে যায়।

রবিন বলছেন, মাউন্টেন গরিলারা এই যে পুরনো বন্ধুদের দেখা পেলে আনন্দিত হয়, সেটা কিন্তু এমনিতে খুবই কালে-ভদ্রে ঘটে থাকে। কেন না, এই গরিলারা বেশ দৃঢ় সামাজিক পরিবেশে বাস করে। সেখান থেকে বড় একটা তারা বেরোয় না। কাজেই এই পুরনো বন্ধুর দেখা পাওয়াটা যত না ব্যক্তিগত, তার চেয়েও বেশি করে গোষ্ঠীগত। তাই তেমনটা হলে প্রথমে দুই দল থমকে দাঁড়ায়, একে অপরকে খুঁটিয়ে দেখে, স্মৃতিতে ঝালিয়ে নেয় পূর্বপরিচয়ের সূত্র আর বুকে ঘন ঘন ঘুষি মেরে আনন্দ প্রকাশ করে পরস্পরকে স্বাগত জানায়। পরের ধাপে সবাই মিশে যায় একসঙ্গে, ছোটরা শুরু করে নিজেদের মধ্যে খেলাধুলো!

তবে সেটা ততক্ষণ পর্যন্তই, যতক্ষণ এক দল অন্যের বাসস্থানের সীমানার মধ্যে ঢুকছে না! স্বাভাবিক, মানুষও কি আর নিজের বাড়িতে অন্যের উপস্থিতিতে সব সময়ে স্বস্তি বোধ করে?

Published by: Debalina Datta
First published: October 30, 2020, 9:07 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर