করোনাকালে উঠে গেল ১৩০ বছরের পুরনো ওষুধের দোকান, চোখে জল ক্রেতাদেরও!

করোনাকালে উঠে গেল ১৩০ বছরের পুরনো ওষুধের দোকান, চোখে জল ক্রেতাদেরও!

Image for representation | Image credit: Reuters

স্বাভাবিক ভাবেই এই দোকান বন্ধ হয়ে যাওয়ার ব্যাপারটা মেনে নিতে পারছেন না কর্মচারীরা।

  • Share this:

#ওয়াশিংটন: লকডাউন পর্বে তো বটেই, তার পরের সময়টাতেও ভারতের মতো দেশের বহু ওষুধের দোকান রয়েছে এক টালমাটাল পরিস্থিতির মধ্যে। প্রয়োজনীয় অনেক ওষুধই তারা নিয়মিত ভাবে আর সরবরাহ করে উঠতে পারছে না ক্রেতাদের। করোনাকালের এই পরিস্থিতি কি ছায়া ফেলল মার্কিন মুলুকেও?

খবর বলছে যে সম্প্রতি ইউনাইটেড স্টেটস-এর ১৩০ বছরের পুরনো ওষুধের দোকান গোল্টজ ফার্মেসি শেষ পর্যন্ত ঝাঁপ ফেলতে বাধ্য হল বরাবরের মতো। জানা গিয়েছে যে কিংবদন্তির সমান এই ওষুধের দোকান তাঁর মালিকানা হস্তান্তর করেছে মার্কিন মুলুকের দ্বিতীয় বৃহত্তম ফার্মেসি স্টোর-চেন ওয়ালগ্রিনের হাতে।

স্বাভাবিক ভাবেই এই দোকান বন্ধ হয়ে যাওয়ার ব্যাপারটা মেনে নিতে পারছেন না কর্মচারীরা। তাঁরা জানাচ্ছেন যে কিছু দিন আগেও গোল্টজ ফার্মেসি ব্যবসার স্বার্থে নানা পদক্ষেপ করার কথা বিবেচনা করছিল। এর মধ্যে দোকান বাড়ানোর পরিকল্পনাও ছিল। তার পরেও কেন আচমকা মালিকানা হস্তান্তর করতে হল এই ওষুধের দোকানকে?

সেই সূত্রটি সংবাদমাধ্যমের কাছে পেশ করেছেন গোল্টজ ফার্মেসির মার্কেটিং ম্যানেজার সিন্থিয়া পোর্টার। এটা খুব একটা অজানা তথ্য নয় যে বিশ্বের অনেক দেশেই প্রেসক্রিপশন চার্জ বলে ব্যাপার থাকে। অর্থাৎ প্রেসক্রিপশনে যে ওষুধটা লেখা রয়েছে, সেটা কেনার জন্য অতিরিক্ত দাম দিতে হয়। এ ক্ষেত্রে বিশ্বে সব চেয়ে কুখ্যাত দেশ হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সেখানে প্রেসক্রিপশন চার্জ অন্য দেশের তুলনায় অনেকটাই বেশি। আর এই ব্যাপারটাই সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে গোল্টজ ফার্মেসির পক্ষে।

সিন্থিয়া জানাচ্ছেন যে তাঁরা আর সুলভে ক্রেতাদের হাতে ওষুধ তুলে দিতে সমর্থ নন। প্রেসক্রিপশন চার্জের নিয়ম বজায় রাখতে গেলে প্রায় ১৫ ডলার থেকে ২০ ডলার অতিরিক্ত খরচ করতে হচ্ছে ক্রেতাদের। যা তাঁদের পক্ষেও খুব একটা সুবিধার ব্যাপার নয়। ফলে, দোকানের বিশ্বস্ত ক্রেতাদের ফিরিয়ে দেওয়া ছাড়া আর উপায় থাকছে না। এর পাশাপাশি রয়েছে বিমা সংস্থার সুদের হারও। সেটা খুব অল্প হলেও যে হারে কেনাকাটা কমে যাচ্ছে, তাতে লোকসানের দিকটা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না বলেই জানিয়েছেন তিনি!

Published by:Pooja Basu
First published: