Home /News /international /
গণ কবরে থরে থরে শোয়ানো শ্রমিকের লাশ, মায়ানমার খনি ধসে মৃত বেড়ে ১৭০, চলছে উদ্ধারকাজ

গণ কবরে থরে থরে শোয়ানো শ্রমিকের লাশ, মায়ানমার খনি ধসে মৃত বেড়ে ১৭০, চলছে উদ্ধারকাজ

মায়ানমারের কাচিনে ঘটে যাওয়া ভয়ঙ্কর ধসে এখনও উদ্ধারকাজ শেষ হয়নি। শনিবার পর্যন্ত ১৭০জন শ্রমিকের মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে।

  • Last Updated :
  • Share this:

#মায়ানমার: মায়ানমারের কাচিনে ঘটে যাওয়া ভয়ঙ্কর ধসে এখনও উদ্ধারকাজ শেষ হয়নি। শনিবার পর্যন্ত ১৭০জন শ্রমিকের মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। মৃতদের সমাধিস্থ করার জন্য প্রশাসনের তরফে খোঁড়া হয়েছে গণ কবর। সেখানেই থরে থরে সাজিয়ে রাখা হয়েছে দুর্ঘটনায় মৃতদের কফিন।

স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, খনি দুর্ঘটনায় মৃতদের জন্য খোঁড়া গণ কবরে শুক্রবার ৭৭ জনকে সমাধিস্ত করা হয়েছিল। শনিবার সেখানে এক ডজনেরও বেশি শ্রমিকের দেহ সম্বাধি দেওয়া হয়। তবে এখনও পর্যন্ত ওই খনিতে কতজন কাজ করছিলেন বা এখনও কতজন নিখোঁজ রয়েছেন, তার সঠিক হিসেব দিতে পারেনি প্রশাসন। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ দিকে হাসপাতালে চিকিত্‍সাধীন রয়েছেন ৪৩ জন। এখনও বহু শ্রমিক নিখোঁজ।  তাঁদের খোঁজে তল্লাশি অভিযান চলছে যুদ্ধকালীন তৎপরতায়।

এ দিকে, মৃতদেহগুলির মধ্যে অনেক দেহই এখনও শনাক্ত করা যায়নি। স্থানীয় সূত্রের খবর, খনির পাশেই পরিযায়ী শ্রমিকরা তাঁবু থাটিয়ে থাকতেন। ফলে তাঁদের সকলকে শনাক্তকরণ সম্ভব হয়নি। মৃতদের পরিবারকে আর্থিক ক্ষতিপূরণের আশ্বাস দিয়েছে মায়ানমার সরকার। খনির সংস্থা, স্থানীয় প্রশাসন ও মায়ানামারের জেড মাইন ইন্ডাস্ট্রির পক্ষ থেকে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার সকালে বহুমূল্য 'পান্না'র খনিতে ভয়াবহ ধস নেমে কাদার স্রোতে তলিয়ে যান শ্রমিকেরা। দমকল বিভাগ একটি ফেসবুক পোস্টে জানায়, শ্রমিকরা উত্তর মায়ানমারের কাচিন রাজ্যের একটি খনি থেকে গয়নায় ব্যবহারের 'জেড' অর্থাৎ 'পান্না' পাথর সংগ্রহ করছিলেন।প্রবল বৃষ্টি হচ্ছিল। সে সময় হঠাৎ ভূমিধস নামে। কাদার স্রোতের নীচে চাপা পরে যান কর্তব্যরত পাথর সংগ্রহকারী শ্রমিকরা।

জানা গিয়েছে, বিশ্বের বৃহত্তম জেড খনি রয়েছে মায়ানমারের ইয়াঙ্গন উত্তর পূর্বে। প্রায় ৯৫০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে রয়েছে এই জেড বা বহুমূল্য পান্নার খনি।

Published by:Shubhagata Dey
First published:

Tags: Jade Mine Landslide, Mass Grave, Myanmar