বিদেশ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

চাঁদের মাটিতে বিকিরণের পরিমাণ প্রথম মেপেছে চিন ! মানুষ কি এবার থাকতে পারবে চাঁদে ?

চাঁদের মাটিতে বিকিরণের পরিমাণ প্রথম মেপেছে চিন ! মানুষ কি এবার থাকতে পারবে চাঁদে ?

মহাকাশযুদ্ধে জেতার দৌড় ফের শুরু হয়ে গিয়েছে।

  • Share this:

#চিন: মহাকাশযুদ্ধে জেতার দৌড় ফের শুরু হয়ে গিয়েছে। অ্যাপোলোর চন্দ্র অভিযানের পর সব দেশের কাছেই এটা স্পষ্ট যে সমস্ত আন্তর্জাতিক মহাকাশ সংস্থাই চাঁদে বসতি গড়ে তোলার ভাবনা নিয়েই গবেষণা এবং অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

শুনতে অদ্ভুত লাগলেও ব্যাপারটা কিন্তু মিথ্যে নয়। ভবিষ্যতে পৃথিবীই যে শুধু মানুষের বসবাসের পক্ষে যথেষ্ট হবে না, তেমনটাই অনুমান করছেন বিশেষজ্ঞরা। ক্রমাগত বেড়ে চলা জনসংখ্যা এর একটা কারণ তো বটেই! পাশাপাশি এটাও আমরা স্বীকার করে নিতে বাধ্য যে পৃথিবীর প্রাকৃতিক সম্পদের পরিমাণও তুলনামূলক ভাবে বহু ব্যবহারে কমতে থাকছে। ফলে চলছে চাঁদ, মঙ্গলের মতো জায়গায় মানুষের বসতি গড়ে তোলার চিন্তা-ভাবনা।

মূলত এই লক্ষ্যেই চিনা রোবোটিক মহাকাশযান শাং-ই ৪ প্রথম চাঁদের মাটিতে বিকিরণের পরিমাপ করেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। ১৯৬৯ সালে নীল আর্মস্ট্রং যখন চাঁদের মাটিতে পা রেখেছিলেন, তখন বিকিরণ সংক্রান্ত তথ্য রিপোর্ট করা হয়নি। সম্প্রতি সায়েন্স জার্নালে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। চিনা মহাকাশযানটি চাঁদের মাটিতে পৌঁছেছিল ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাসে।  শাং-ই ৪ থেকে পাঠানো তথ্য বলছে- চাঁদের মাটিতে দৈনিক ১,৩৬৯ মাইক্রোসাইভার্ট পরিমাণ বিকিরণ হয়। যে কোনও আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে যে পরিমাণ বিকিরণ হয়, চাঁদের মাটিতে তার থেকে ২.৬ গুণ বেশিই হয়।

আমাদের পৃথিবীতে যে কোনও দৃশ্যমান আলো অথবা তাপ থেকেই বিকিরণ ঘটে। মহাকাশে মহাকাশচারীরা বেশ কিছু ক্ষতিকারক বিকিরণের সম্মুখীন হন। পৃথিবীতে আমরা তেমনটা হই না পরিবেশের চাদরটা থাকার জন্য। তা না হলে হরেক মহাজাগতিক রশ্মি, গামা রশ্মি, ছায়াপথ থেকে বিকিরিত রশ্মি কিন্তু পৌঁছে যেতে পারত ভূপৃষ্ঠে।

পৃথিবীর বুকে দাঁড়িয়ে আমরা যে পরিমাণ বিকিরণ দেখি, চাঁদের মাটিতে তার পরিমাণ ২০০ গুণ বেশি। নিউ ইয়র্ক থেকে ফ্রাঙ্কফুর্টের বিমানের বিকিরণের চেয়েও চাঁদের মাটিতে বিকিরণের পরিমাণ আরও পাঁচ থেকে ১০ গুণ বেশি।

জার্মানির কেইল বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যার অধ্যাপক রবার্ট উইমার তাই জানিয়েছেন, একটি বিমানযাত্রার চেয়ে অনেক বেশি লম্বা সময় মহাকাশচারীরা মহাকাশে থাকেন বলে ক্ষতিকারক প্রভাবটাও অনেক বেশি হয়।

মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার পরবর্তী চন্দ্র অভিযানটি হবে আগামী ২০২৪ সালে। এক মহিলা মহাকশচারীকে সেই যানে পাঠানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে নাসা। প্রায় এক সপ্তাহ মহাকাশে থাকবে যানটি। দেখা যাক, সেই অভিযানে বিকিরণ-সংক্রান্ত আরও কোনও তথ্য উঠে আসে কি না!

Published by: Piya Banerjee
First published: September 26, 2020, 7:26 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर