বিদেশ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

কী কাণ্ড! চাঁদ ঢেকে দিল সূর্যের ৪৪ শতাংশ! চমকে দেবে নাসা-র ভিডিও

কী কাণ্ড! চাঁদ ঢেকে দিল সূর্যের ৪৪ শতাংশ! চমকে দেবে নাসা-র ভিডিও

নাসা-র টেলিস্কোপের সামনে দেখতে দেখতে এসে গেল চাঁদ, একটা কালো বৃত্তের মতো এর পর সে ঢেকে ফেলল সূর্যের প্রায় ৪৪ শতাংশ!

  • Share this:

আকাশ ভরা সূর্য তারা নিয়ে কাজ করার লক্ষ্যেই মূলত এ বার টেলিস্কোপে চোখ রেখেছিলেন ন্যাশনাল এয়ারোনটিকস অ্যান্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ওরফে নাসা-র জ্যোতির্বিদরা। চাঁদ এ বার তাঁদের হিসেবের মধ্যে কোনওখানেই ছিল না। বিভাগটির নামও তো তাই নাসা সান অ্যান্ড স্পেস। তাই সংস্থার সোলার ডায়ানামিকস অবজারভেটরি থেকে চলছিল সূর্যকে মেপেজুপে দেখা এবং ভালো করে বোঝার পালা- ঠিক কী কাণ্ড ঘটে চলেছে তার অভ্যন্তরে!

কিন্তু এই যে তাকে পাত্তা দেওয়া হচ্ছে না এতটুকুও- এ ব্যাপারটা হয় চাঁদের পছন্দ হল না, নয় তো সেই সময়ে প্রকৃতি একটু মুচকি হাসলেন! আর তার ফলেই ঘটে গেল এক অকল্পনীয় ব্যাপার! নাসা-র টেলিস্কোপের সামনে দেখতে দেখতে এসে গেল চাঁদ, একটা কালো বৃত্তের মতো এর পর সে ঢেকে ফেলল সূর্যের প্রায় ৪৪ শতাংশ! সম্প্রতি নিজেদের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল মারফত সে কথাই জানিয়েছে নাসা-র সান অ্যান্ড স্পেস বিভাগ। শুধু জানিয়েই ক্ষান্ত থাকেনি, এই মহাজাগতিক বিস্ময়ের স্বাদ যাতে সবাই নিতে পারেন, সে জন্য একটা ছোট্ট ভিডিও পোস্ট করতেও ভোলেনি সংস্থা ট্যুইটারে।

খবর বলছে যে এই ঘটনাটি ঘটেছে প্রায় মিনিট পঞ্চাশ ধরে! এতক্ষণ ধরে নেওয়া ভিডিও তো আর পোস্ট করা সম্ভব নয়। তাই আদতে কী হয়েছিল, তার একটা সারসংক্ষেপ পোস্ট করেছে নাসা। আর তার পরেই দারুণ হইচই শুরু হয়ে গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। কেন না, সূর্যের ব্যাস প্রায় ১৩ লক্ষ ৯২ হাজার কিলোমিটার; আর চাঁদের ব্যাস ৩,৪৭৪.২০৬ কিলোমিটার! সে দিক থেকে দেখলে এই অসাধ্যসাধনের ঘটনাকে ট্যুইটারেতিরা চাঁদের স্পর্ধা বলেই ব্যাখ্যা করছেন।

কিন্তু নাসা কেন সূর্যের দিকে টেলিস্কোপ তাক করে অপেক্ষায় ছিল?

আসলে কিছু দিন আগেই জানা গিয়েছে যে সূর্য না কি এখন রয়েছে ঘুমন্ত অবস্থায়। সৃষ্টির প্রথম যুগে মানুষ সূর্যের উপরে দেবত্ব আরোপ করলেও আসলে তো তা এক নক্ষত্র বই আর কিছু নয়। আর সেই নক্ষত্রের উত্তাপ বিকিরণ হয় তার বুকে ক্রমাগত ঘটে চলা আণবিক বিস্ফোরণের ফলে। এই আণবিক বিস্ফোরণ থেকে জন্ম নেয় একেকটি চক্র যাকে বিজ্ঞানের পরিভাষায় বলা হয়ে থাকে সানস্পট। একেকটি সানস্পটের মেয়াদ কাল হল ১১ বছর। তো, খবর বলছে যে সূর্য আপাতত ঝিমিয়ে রয়েছে, মানে সেখানে এখন কোনও সানস্পট চলছে না!

নাসা পাশাপাশি আরও বলছে যে সূর্যের এই ঝিমিয়ে পড়াটা এক স্বাভাবিক ঘটনা। সানস্পট-এর মধ্যে কিছু খুবই সক্রিয় দশা এবং একেবারে নিষ্ক্রিয় দশা- দুই দেখতে পাওয়া যায়। কাজেই পৃথিবীর উত্তাপহীন হওয়ার কোনও আশঙ্কা নেই। তা বলে নিষ্ক্রিয় দশাতে কী হচ্ছে, তার পর্যবেক্ষণও তো আর বন্ধ করা যায় না। সেটা করতে গিয়েই ট্যুইটারের ভাষায় চাঁদের স্পর্ধা দেখার সৌভাগ্য হল সংস্থার।

Written By: Anirban Chaudhury

Published by: Arka Deb
First published: October 23, 2020, 1:26 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर