ভিডিও গেমের শেয়ার বেচে পেয়েছিলেন প্রচুর টাকা, আবার ভিডিও গেম কিনে শিশু হাসপাতালে দান করছেন ছাত্র!

ভিডিও গেমের শেয়ার বেচে পেয়েছিলেন প্রচুর টাকা, আবার ভিডিও গেম কিনে শিশু হাসপাতালে দান করছেন ছাত্র!
শেয়ারে পাওয়া অর্থ দিয়ে কান কী করতে চান সেই বিষয়ে তাঁর পরিকল্পনা তিনি Reddit-এ শেয়ার করেন। সেখানে তিনি ১৭৫ হাজার ভোটও পান এই পরিকল্পনার সমর্থনে।

শেয়ারে পাওয়া অর্থ দিয়ে কান কী করতে চান সেই বিষয়ে তাঁর পরিকল্পনা তিনি Reddit-এ শেয়ার করেন। সেখানে তিনি ১৭৫ হাজার ভোটও পান এই পরিকল্পনার সমর্থনে।

  • Share this:

#মিনেসোটা: মিনেসোটার বছর কুড়ির হান্টার কান। সাদামাটা এই মানুষটি এখন খবরের শিরোনামে। সম্প্রতি কান এমন একটি কাজ করেছেন যে তাঁকে নিয়ে প্রশংসার শেষ নেই। কিছুদিন আগে GameStop নামের একটি ভিডিও গেমের স্টকে কিছু টাকা বিনিয়োগ করেন তিনি। তবে তিনি পেশাদার বিনিয়োগকারী নন। মাঝে মধ্যে শখ করে কিছু অর্থ তিনি বিনিয়োগ করেন। তবে এবারে কানের কপালে রীতিমতো রাজযোগ ছিল। তিনি যে অর্থ বিনিয়োগ করেন, মাত্র দুই সপ্তাহে সেই কোম্পানির শেয়ারে ১৫০০ শতাংশ বৃদ্ধি ঘটে। কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্র কান মাত্র ৩০ মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করে লাভ করেন ৩০ হাজার মার্কিন ডলার।

এই বিপুল পরিমাণে অর্থ যাতে ভাল কাজে লাগে, সেটাই চাইছিলেন এই ছাত্র। আর তাই তিনি যে টাকা পেয়েছেন তার থেকে কিছু টাকা নিয়ে নিনটেনডো সুইচ লাইট গেমিং কনসোল এবং GameStop থেকে কিছু ভিডিও গেম কেনেন। আর এই সবটাই তিনি দান করেছেন মিনেসোটার শিশু হাসপাতালে। এক সাক্ষাৎকারে কান জানিয়েছেন যে মাত্র ৩০ থেকে ৮০ মার্কিন ডলার GameStop-এ বিনিয়োগ করে তিনি ৩০ হাজার মার্কিন ডলার পেয়েছেন। তিনি ছয়টি নিনটেনডো সুইচ লাইট, দু'টি নিনটেনডো সুইচ এবং নানা গেম ও শিশুদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র হাসপাতালকে দিয়েছেন।

কান চাইছিলেন যে অর্থ তিনি পেয়েছেন, সেটা দিয়ে একমাত্র GameStop থেকেই তিনি কিছু কেনাকাটা করবেন। কারণ GameStop-এর হাত ধরেই তাঁর এত বাড়বাড়ন্ত। যে সব অসুস্থ শিশু জীবনের কঠিনতম সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে, তাদের জন্য এই নিনটেনডো সুইচ খুবই কাজে দেবে বলে বিশ্বাস কানের।


শেয়ারে পাওয়া অর্থ দিয়ে কান কী করতে চান সেই বিষয়ে তাঁর পরিকল্পনা তিনি Reddit-এ শেয়ার করেন। সেখানে তিনি ১৭৫ হাজার ভোটও পান এই পরিকল্পনার সমর্থনে। কান চাইছিলেন যে শুধু নিজের কথা না ভেবে এই অর্থ যেন কোনও একটা ভালো কাজে ব্যবহৃত হয়!

নিজের এই কাজের কথা হান্টার কান নিজেই তাঁর ব্যক্তিগত Instagram হ্যান্ডলে শেয়ার করেছেন। তাঁর এই ভাল কাজের জন্য নেটিজেনরাও তাঁকে ভালোবাসা আর আশীর্বাদে ভরিয়ে দিয়েছেন।

Published by:Pooja Basu
First published:

লেটেস্ট খবর