• Home
  • »
  • News
  • »
  • international
  • »
  • সুড়ঙ্গ খুঁড়ে প্রেম নিবেদন! স্বামীর হাতে পাকড়াও প্রেমিক

সুড়ঙ্গ খুঁড়ে প্রেম নিবেদন! স্বামীর হাতে পাকড়াও প্রেমিক

প্রেমে পড়লে মানুষ কী না করতে পারে! প্রেমিকার সঙ্গে 'চোরি-চোরি, চুপকে-চুপকে' পরকীয়া চালানোর জন্য দীর্ঘ সুড়ঙ্গও খুঁড়ে ফেলতে পার!  এমনিই এক তাজ্জব  ঘটনার সাক্ষী থাকল মেক্সিকো৷

প্রেমে পড়লে মানুষ কী না করতে পারে! প্রেমিকার সঙ্গে 'চোরি-চোরি, চুপকে-চুপকে' পরকীয়া চালানোর জন্য দীর্ঘ সুড়ঙ্গও খুঁড়ে ফেলতে পার! এমনিই এক তাজ্জব ঘটনার সাক্ষী থাকল মেক্সিকো৷

প্রেমে পড়লে মানুষ কী না করতে পারে! প্রেমিকার সঙ্গে 'চোরি-চোরি, চুপকে-চুপকে' পরকীয়া চালানোর জন্য দীর্ঘ সুড়ঙ্গও খুঁড়ে ফেলতে পার! এমনিই এক তাজ্জব ঘটনার সাক্ষী থাকল মেক্সিকো৷

  • Share this:

    #মেক্সিকো সিটি: প্রেমে পড়লে মানুষ কী না করতে পারে! প্রেমিকার সঙ্গে 'চোরি-চোরি, চুপকে-চুপকে' পরকীয়া চালানোর জন্য দীর্ঘ সুড়ঙ্গও খুঁড়ে ফেলতে পার!  এমনিই এক তাজ্জব  ঘটনার সাক্ষী থাকল মেক্সিকো৷

    মেক্সিকোর ভিলা দেল প্রাদোর বাসিন্দা আলবের্তো৷ তিনি পেশায় নির্মাণ কর্মী৷ লোকচক্ষুর আড়ালে নিভূতে প্রেম চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য নিজের বাড়ি থেকে বিবাহিতা প্রেমিকা পামেলার বাড়ি পর্যন্ত দীর্ঘ সুড়ঙ্গ খুঁড়েছিলেন৷ দীর্ঘদিন এভাবেই 'আন্ডারগ্রাউন্ড লাভ চলছিল তাঁদের'৷  কিন্তু তাঁদের  গোপন প্রেমটি আর গোপন থাকল না৷ পামেলার স্বামী হাতে-নাতে ধরে ফেলেন নিজের স্ত্রী ও আলবের্তোকে৷

    পামেলার সঙ্গে আলবের্তোর সম্পর্ক  দীর্ঘ দিনের। পামেলার স্বামী জর্জ নিরাপত্তা রক্ষী হিসেবে কাজ করেন৷ তিনি প্রতিদিন কাজে বেরিয়ে যাওয়ার পরেই আলবের্তো প্রেমের গোপন সুড়ঙ্গ ধরে পামেলার সঙ্গে দেখা করতে আসতেন। জর্জ একদিন কাজ থেকে অন্যদিনের তুলনায় একটু আগেই ফেরেন। তিনি এসে দেখেন যে, আলবের্তো একটি সোফার নিচে লুকিয়ে পড়েছে। আর ওই সোফার নিচেই আলবের্তো গর্ত করে গোপন সুড়ঙ্গটি তৈরি করেছিলেন। সোফার আড়ালে লুকিয়ে থাকতে দেখে জর্জ ও ওই সুড়ঙ্গ ধরে আলবার্তোর বাড়ি পৌঁছে যান।

    আলবের্তো জর্জকে অনুরোধ করেছিলেন যে, তিনি যেন এই বিষয়টি তাঁর স্ত্রী’কে না জানায়। এরপরে জর্জ এবং আলবার্তোর এই নিয়ে এক প্রস্থ হাতাহাতি হয়। ঘটনাটি নিয়ে পুলিশের কাছেও মামলা দায়ের করা হয়েছে। এদিকে গোপন সুড়ঙ্গের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার মাত্রই খবরটি দ্রুত প্রচারিত হয়।

    Published by:Somosree Das
    First published: