• Home
  • »
  • News
  • »
  • international
  • »
  • MAN MARRIES SAME WOMAN 4 TIMES DIVORCES HER THRICE IN 37 DAYS TO GET EXTENDED PAID LEAVE SR

Bizarre! অফিসে টানা সবেতন ছুটি পেতে ৪ বার একই স্ত্রী’কে বিয়ে করে, ৩ বার ডিভোর্স দিলেন স্বামী!

প্রতীকী চিত্র ।

ব্যাঙ্কের কাছে আবেদন করেও অতিরিক্ত সবেতন ছুটি পাচ্ছিলেন না ওই ব্যক্তি । বারবার আবেদন করেও প্রত্যাখ্যাত হন তিনি । এরপরেই বিয়ের ফন্দি আঁটেন ।

  • Share this:

    #তাইপেই: এই পৃথিবীতে কত না অদ্ভুত, মজার, আজব ঘটনাই ঘটে । নিজের কার্য সিদ্ধি করতে কত উদ্ভট ধরনের ভাবনাই না মাথা খেলিয়ে বের করে মানুষ । তেমনই এক ঘটনা এ বার ঘটল তাইপেই-তে ।

    অফিস থেকে টানা সবেতন ছুটি আদায় করার জন্য একই স্ত্রী’কে তিন বার ডিভোর্স দিয়ে চার বার বিয়ে করলেন এক ব্যক্তি । শেষ বার বিয়ের ৩৭ দিনের মাথায় স্ত্রী’কে ডিভোর্স দেন ওই ব্যক্তি । তার একটাই উদ্দেশ্য, সবেতন ছুটিকে আরও দীর্ঘায়িত করা । পেশায় ব্যাঙ্কের কর্মচারীওই ব্যক্তি প্রথমবার বিয়ের জন্য যখন আবেদন করেছিলেন, তখন তিনি ৮ দিনের সবেতন ছুটি পান । গত বছরের ৬ এপ্রিল বিয়ে করেন তিনি ।

    ছুটি শেষ হওয়ার কিছু দিনের মাথায় স্ত্রী’কে ডিভোর্স দেন ওই ব্যক্তি । তারপর ফের বিয়ের জন্য ছুটির আবেদন করেন, এবং একই মেয়েকে বিয়ে করেন । এ ভাবে মোট তিন বার স্ত্রী’কে ডিভোর্স দেন ওই ব্যক্তি । আর মোট বিয়ে করেন চার বার । আসলে ব্যাঙ্কের কাছে আবেদন করেও অতিরিক্ত সবেতন ছুটি পাচ্ছিলেন না ওই ব্যক্তি । বারবার আবেদন করেও প্রত্যাখ্যাত হন তিনি । এরপরেই বিয়ের ফন্দি আঁটেন । চার বার বিয়ে করার জন্য ৩২ দিনের সবেতন ছুটির আবেদন করেন তিনি ।

    এরপরেই টনক নড়ে ব্যাঙ্কের । দেখা যায়, ছুটি পাওয়ার জন্য ওই ব্যক্তি একই মহিলাকে বারবার বিয়ে করছেন ও ডিভোর্স দিচ্ছেন । এরপরেই ব্যাঙ্ক ওই ব্যক্তিকে অতিরিক্ত ছুটি দিতে অস্বীকার করে । কিন্তু ওই ব্যক্তি জানান, তিনি আইন অমান্য করে কোনও কাজ করেননি । ব্যাঙ্কের বিরুদ্ধে তাইপেই সিটি লেবার ব্যুরো-র কাছে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি । তদন্তে দেখা যায়, ওই ব্যক্তির উদ্দেশ্য অসৎ থাকলেও তিনি আইন ভেঙে কোনও কাজ করেননি । কোনও কর্মচারী বিযে করলে ব্যাঙ্ক ৮ দিনের সবেতন ছুটি তাঁকে দিতে বাধ্য । ব্যাঙ্ক সেই কাজ না করে আইন অমান্য করেছে । এর ফলে NT$20,000 অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৫৩ হাজার টাকা জরিমানা হয়েছে ব্যাঙ্কের ।

    Published by:Simli Raha
    First published: