• Home
  • »
  • News
  • »
  • international
  • »
  • LINDA THOMAS GREENFIELD SAYS INDIA BID FOR PERMANENT UNSC MEMBERSHIP UNDER DISCUSSION RRC

রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্যপদ নিয়ে আমেরিকার মনোভাবে ব্যাকফুটে দিল্লি

আমেরিকা ভারতকে রাষ্ট্রপুঞ্জের স্থায়ী নিরাপত্তা সদস্য হিসেবে নিতে চাইলেও তা সম্ভব হচ্ছে না চিন, পাকিস্তানের আপত্তিতে photo/new indian express

চিনের ভেটো ক্ষমতা রয়েছে এখানে। তাঁরা কিছুতেই ভারতকে স্থায়ী সদস্য হিসেবে দেখতে চায় না। মূলত চিন এবং পাকিস্তানের জন্যই ভারতের এই পদ পাওয়া হয়নি।

  • Share this:

    #ওয়াশিংটন: আমেরিকার প্রেসিডেন্টের চেয়ারে বসার আগে জো বাইডেন বেশকিছু বিবৃতিতে ভারতের রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদ (UNSC) পাওয়া উচিত জানিয়েছিলেন। ভারতের পক্ষে প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছিলেন নতুন প্রেসিডেন্ট। কিন্তু তাঁর নিযুক্ত রাষ্ট্রপুঞ্জে আমেরিকার দূত লিন্ডা টমাস গ্রিনফিল্ড (Linda  Thomas Greenfield) এখন অন্য কথা বলছেন। সম্প্রতি সেনেটর জেফ মার্কলে তাঁকে প্রশ্ন করেন ভারত, জার্মানি, জাপান ব্রাজিলের স্থায়ী সদস্যপদ পাওয়া নিয়ে তাঁর কী মত? লিন্ডা জানান বিষয়টি নিয়ে বেশ কয়েকবার উচ্চপর্যায়ে আলোচনা হয়েছে এবং তা ইতিবাচক হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। তবে কয়েকটি দেশের (চিন, পাকিস্তান, মেক্সিকো, মিশর, ইতালি) এ ব্যাপারে আপত্তি রয়েছে। তাই ভারতের ব্যাপারটি আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে। শুধু বর্তমান আমেরিকান প্রেসিডেন্ট নন, ডোনাল্ড ট্রাম্প থেকে শুরু করে অতীতের ওবামা, বুশরাও ভারতকে স্থায়ী সদস্যপদ দেওয়ার ব্যাপারে ইচ্ছাপ্রকাশ করেছিলেন।

    কিন্তু চিনের ভেটো ক্ষমতা রয়েছে এখানে। তাঁরা কিছুতেই ভারতকে স্থায়ী সদস্য হিসেবে দেখতে চায় না। মূলত চিন এবং পাকিস্তানের জন্যই ভারতের এই পদ পাওয়া হয়নি। যদিও বাইডেন প্রশাসন ক্ষমতায় আসার কয়েকদিনের মধ্যেই জানিয়ে দিয়েছিল ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ এবং কৌশলগত সম্পর্ক রেখে এগোতে চায় আমেরিকা। চিন নিয়ে ট্রাম্পের মত অতি আক্রমনাত্মক না হলেও বেজিং(Beijing) নিয়ে খুব একটা খুশি হওয়ার মত মন্তব্য করেননি নতুন প্রেসিডেন্ট। জিনপিং আশা করেছিলেন নতুন প্রেসিডেন্ট চিন প্রসঙ্গে পূর্বসূরীর মনোভাব ছেড়ে নতুন মনোভাব নেবেন। কিন্তু সেগুড়ে বালি।

    তবে ভারতীয় বিদেশমন্ত্রক (Indian Foreign Ministry) বিষয়টির দিকে নজর রাখলেও কোনও বিবৃতি বা মন্তব্য দেওয়া হয়নি। সবে এখন বাইডেন প্রশাসনের শুরুর দিক। ধীরে চল নীতি নিয়ে এগোতে চায় ভারত। তাছাড়া বিষয়টি আমেরিকার ভেতরে আলোচনা হয়েছে, কোনও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি। তাই আগ বাড়িয়ে মন্তব্যে নারাজ নরেন্দ্র মোদি সরকার। সামরিক সম্পর্কের পাশাপাশি আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্কের উন্নতি স্থাপন ভারতের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

    Published by:Rohan Chowdhury
    First published: