কুকুরের স্তন্যপান করে খিদে মেটালো বিড়ালছানা! মাতৃত্বে ভরপুর এই ভিডিওটি দেখে মুগ্ধ নেটদুনিয়া, দেখুন

কুকুরের স্তন্যপান করে খিদে মেটালো বিড়ালছানা! মাতৃত্বে ভরপুর এই ভিডিওটি দেখে মুগ্ধ নেটদুনিয়া, দেখুন
হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া একটি সুন্দর ভিডিও প্রমাণ করল প্রকৃতির কায়দাকানুন বুঝতে আজও আমরা অক্ষম। প্রকৃতি তার নিজের নিয়মেই এই পৃথিবীর বুকে থাকা মানুষ থেকে প্রাণী, জীব থেকে নির্জীব সকল উপাদানগুলির মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখে।

হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া একটি সুন্দর ভিডিও প্রমাণ করল প্রকৃতির কায়দাকানুন বুঝতে আজও আমরা অক্ষম। প্রকৃতি তার নিজের নিয়মেই এই পৃথিবীর বুকে থাকা মানুষ থেকে প্রাণী, জীব থেকে নির্জীব সকল উপাদানগুলির মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখে।

  • Share this:

    #আবুজা: হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া একটি সুন্দর ভিডিও প্রমাণ করল প্রকৃতির কায়দাকানুন বুঝতে আজও আমরা অক্ষম। প্রকৃতি তার নিজের নিয়মেই এই পৃথিবীর বুকে থাকা মানুষ থেকে প্রাণী, জীব থেকে নির্জীব সকল উপাদানগুলির মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখে।

    নাইজেরিয়ার একটি প্রত্যন্ত গ্রামের ভিডিও এখন নেটদুনিয়ার চর্চায় রয়েছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, একটি নার্সিং কুকুরের স্তন্যপান করে খিদে মেটাচ্ছে ছোট্ট একটি বিড়ালছানা। আর তাতেই মজেছে নেটবাসীরা। মিষ্টি এই ভিডিওটি সকলের মনকে ছুঁয়ে গিয়েছে।

    ডিজিট্যাল মিডিয়ার যুগে আমরা সকলেই খুব বেশি সোশ্যাল মিডিয়া নির্ভর হয়ে পড়েছি। এর যেরকম কিছু খারাপ দিক রয়েছে সেরকম ভাল দিকও রয়েছে। নেটদুনিয়ায় এই ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর অনেকেই বেশ আনন্দ পেয়েছেন। তাই হু হু করে ভিডিওর লাইক, শেয়ার বাড়তে থাকে। ব্যস্ততার মাঝেও একটুখানি আনন্দ পেতে কে না চায়, আর তাতেই শান দিয়েছে এই ভিডিওটি।


    ভিডিওটি দেখে মনে হচ্ছে, ওই বিড়ালছানাটির মা নেই। আর তাই ওই রাস্তার কুকুরটি বিড়ালছানাকে লালন-পালন করার জয় এগিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু ভিডিওতে দেখা যায়, বিড়ালের কার্যকলাপে ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিল ওই নার্সিং কুকুরটি।

    বিভিন্ন কারণে, এই ভিডিওটি নেটে ভাইরাল হয়েছে। এখনও অবধি, এটি ৪০০০টি রিট্যুইট এবং ২০০০টি লাইক সহ প্রায় ৪ লক্ষের বেশি ভিউজ পেয়েছে। একজন ইউজার লিখেছেন, "এটি এত সুন্দর! প্রকৃতির মায়া যে ভারী মিষ্টি। আমাদের মানুষ হিসাবে আরও নম্র হওয়া উচিত এবং এই ভিডিওটি থেকে শেখা উচিৎ"। অন্য আর একজন ইউজার লিখেছেন, "এটি মায়ের ভালবাসা"।

    Published by:Somosree Das
    First published:

    লেটেস্ট খবর