বিদেশ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

'জো আমরা পেরেছি, তুমিই আমেরিকার প্রেসিডেন্ট', জয়ের পর বাইডেনকে প্রথম ফোন কমলার !

'জো আমরা পেরেছি, তুমিই আমেরিকার প্রেসিডেন্ট', জয়ের পর বাইডেনকে প্রথম ফোন কমলার !

হ্যারিসকে এক জন নির্ভীক যোদ্ধা বলেও বর্ণনা করেছেন বাইডেন।

  • Share this:

#ওয়াশিংটন: বর্ণবৈষম্য নিয়ে উত্তপ্ত আবহের মধ্যে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিসেবে সেনেটর কমলা হ্যারিসকে বেছে নিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী জো বাইডেন। এই প্রথম কোনও অ-শ্বেতাঙ্গ মহিলা এই পদের জন্য মনোনীত হলেন। যা মার্কিন ইতিহাসে নজিরবিহীন। কমলা প্রথম এশীয়-আমেরিকান মহিলা যাঁকে এই পদের জন্য মনোনীত করা হল। হ্যারিসকে এক জন নির্ভীক যোদ্ধা বলেও বর্ণনা করেছেন বাইডেন। হ্যারিসকে মনোনীত করার পর বাইডেন বলেন, “আমরা দু’জনে মিলে এ বার ট্রাম্পকে কড়া টক্কর দেব।” বাইডেনের সহযোদ্ধা হিসেবে মনোনীত হওয়ার পর হ্যারিস টুইট করেন, “এই মনোনয়নের জন্য আমি গর্বিত। বাইডেন যাতে প্রেসিডেন্ট হতে পারেন তার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করব।”  তবে বাইডেন শুধু প্রতিশ্রুতি দেননি। আজ ট্রাম্পের বিরুদ্ধে লড়াই করে জয়ী হয়েছেন তিনি। আমেরিকার মসনদে এবার জো বাইডেন বসবেন , সঙ্গে থাকবেন কমলা হ্যারিস। সত্যিই তা করে দেখালেন তাঁরা।

আজ সবথেকে খুশির দিন। ট্রাম্পের হারে গোটা দেশ আজ আনন্দে মাতোয়াড়া। তবে যেই মাত্র জো বাইডেনের জয়ের খবর ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে। তার সঙ্গে ছড়াতে শুরু করেছে সেই যোদ্ধা মেয়ে কমলার কথাও। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এবার তাঁদের লড়াই শুরু হবে দেশের মানুষের জন্য। যে সময় জো বাইডেনের জয় ঘোষণা হয়, সে সময় এক সঙ্গে ছিলেন না কমলা হ্যারিস ও জো বাইডেন। রাস্তার মাঝেই খবরটা পান কমলা। গাড়ি থামিয়ে পাশের পার্কে গিয়ে ফোন করেন জোকে। ফোন করেই জয়ের উত্তাল হাসি হাসেন তিনি। সে হাসিতে ছিল শুধুই জাদু। ছিল শান্তি। তিনি ফোনে বলেন 'আমরা করে দেখিয়েছি জো ! তুমিই ইউনাইটেড স্টেডের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট।" বলেই জয়ের হাসি হাসেন তিনি। এই ভিডিও ট্যুইটারে শেয়ার করেছেন কমলা হ্যারিস। লিখেছেন, "আমরা করে দেখিয়েছি।" মুহূর্তে ভাইরাল হয়েছে এই ভিডিও। এই দিনটার জন্যই যেন অপেক্ষা করে ছিল আমেরিকাবাসি।

শ্যামলা গোপালন হ্যারিসের মেয়ে কমলাদেবী হ্যারিস সংক্ষেপে কমলা হ্যারিস কখনওই তাঁর নিজের শিকড়কে কিন্তু কখনও ভোলেননি। কমলা চেন্নাইয়ে জন্মেছিলেন। নিজেদের সংস্কৃতি এবং পরিচয়ের যোগ রাখতে কমলা এবং তাঁর বোন মায়ার সংস্কৃত নাম রেখেছিলেন তাঁদের মা। যিনি ক্যানসার নিয়ে গবেষণা করতেন। ২০০৯ সালে তাঁর মৃত্যু হয়। কমলার বাবা ডোনাল্ড হ্যারিস জামাইকার। তিনি স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। খুব কম বয়সেই কমলার বাবা-মা'র বিচ্ছেদ হয়ে গিয়েছিল। কমলার জীবনে তাঁর মায়ের প্রভাব সব থেকে বেশি। আজ ভারতের কাছেও গর্বের দিন।

Published by: Piya Banerjee
First published: November 7, 2020, 11:32 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर