বিদেশ

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

পর পর সেলেব-আত্মহত্যায় টনক নড়েছে জাপানের, মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলার আর্জি প্রশাসনের

পর পর সেলেব-আত্মহত্যায় টনক নড়েছে জাপানের, মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলার আর্জি প্রশাসনের

ট্রিবিউনে প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে প্যান্ডেমিক পরিস্থিতিতে সব চেয়ে বেশি অবসাদগ্রস্ত হয়েছেন গৃহবধূ, শ্রমিক এবং পড়ুয়ারা।

  • Share this:

#জাপান: এমনিতেই সে দেশে আত্মহত্যার হার সারা পৃথিবীর নিরিখে বেশি। লকডাউনের জেরে তা না কী বেড়ে গিয়েছে ১৫.৩ শতাংশ। তবে পরিস্থিতি যা-ই হোক, অল্প দিনের ব্যবধানে চার সেলেবের আত্মহত্যার খবরে অবশেষে টনক নড়েছে জাপানের। সম্প্রতি 'মিস শার্লক'-খ্যাত তারকা ইউকো তাকেউচির মৃত্যু হয়েছে জাপানে। মৃত্যুর কারণ হিসেবে আত্মহত্যাই অনুমান করছে পুলিশ। ফলে পর পর সেলেব আত্মহত্যার ঘটনায় মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে খোলাখুলি কথা বলার আর্জি জানিয়েছে জাপান প্রশাসন।

৪০ বছরের তাকেউচির মৃত্যু নাড়িয়ে দিয়ে গিয়েছে গোটা জাপানকে। জানুয়ারি মাসেই দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন তাকেউচি। চলতি মাসের শুরুতেই আশিনা সেই, আরেক জাপানি অভিনেত্রী আত্মহত্যা করেন। এপ্রিল এবং মে মাসে আরও দুই সেলেব আত্মহত্যার সাক্ষী থেকেছে জাপান। জুন মাসে একই রকম ঘটনায় নড়ে গিয়েছে বলিউড। ৩৪ বছরের স্টার সুশান্ত সিং রাজপুতের আত্মহত্যায় রীতিমতো থমকে গিয়েছিল গোটা দেশ। তবে মানসিক স্বাস্থ্য, অবসাদ নিয়ে প্রথম কয়েক দিন হইচইয়ের পর ঘটনার মোড় ঘুরেছে অন্য দিকে। মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলার প্রয়োজনীয়তার দাবি হারিয়ে গিয়েছে। তবে জাপানে তেমনটা হয়নি মোটেও। সেখানে কেন্দ্রের পক্ষ থেকেই আর্জি জানানো হচ্ছে অবসাদ, মন খারাপ, বিষণ্ণতা নিয়ে কথা বলার জন্য। প্রশাসনের তরফে দেওয়া হচ্ছে সাহায্যের প্রস্তুতিও।

শুধু অগস্টেই জাপানে ১৯০০টি আত্মহত্যার ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। কোভিড পরিস্থিতিতে আত্মহত্যা বেড়েছে ১৫.৩ শতাংশ। ওয়াশিংটনে আত্মহত্যার সংখ্যা এই প্যান্ডেমিকে বেড়েছে ১০০০ শতাংশ বেশি। মনোবিদরা জানিয়েছেন, বিগত ছ'মাসের অতিমারী পরিস্থিতি মানসিক স্বাস্থ্যের রাতারাতি অবনতির পেছনে একটা বড় কারণ। ছবিটা কিন্তু শুধু জাপান কিংবা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নয়। বেঙ্গালুরুর এক অসরকারি সংস্থার হিসাব বলছে কোভিড পরিস্থিতিতে আত্মহত্যা এবং নিজের ক্ষতি করার প্রবণতা বেড়েছে ৩০ শতাংশ। যাঁরা এমন মানসিকতার শিকার, তাঁদের মধ্যে অর্ধেকের বয়স চল্লিশের কম। কলকাতায় এপ্রিল থেকে জুলাইয়ের মধ্যে নথিভুক্ত হওয়া আত্মহত্যার সংখ্যা ১১৩। হিমাচল প্রদেশে জানুয়ারি থেকে জুলাইয়ের মধ্যে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে ৪৬৬টি। ট্রিবিউনে প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে প্যান্ডেমিক পরিস্থিতিতে সব চেয়ে বেশি অবসাদগ্রস্ত হয়েছেন গৃহবধূ, শ্রমিক এবং পড়ুয়ারা।

Published by: Simli Raha
First published: September 29, 2020, 8:22 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर