• Home
  • »
  • News
  • »
  • international
  • »
  • ঐতিহাসিক হিন্দু মন্দির রক্ষণাবেক্ষণে কোটি কোটি টাকা খরচ করছে জাপান

ঐতিহাসিক হিন্দু মন্দির রক্ষণাবেক্ষণে কোটি কোটি টাকা খরচ করছে জাপান

এই মন্দিরে মূল আকর্ষণ হল এটির স্থাপত্য। সেই কারণেই ধর্ম নির্বিশেষে মানুষ এখানে আসেন।

এই মন্দিরে মূল আকর্ষণ হল এটির স্থাপত্য। সেই কারণেই ধর্ম নির্বিশেষে মানুষ এখানে আসেন।

এই মন্দিরে মূল আকর্ষণ হল এটির স্থাপত্য। সেই কারণেই ধর্ম নির্বিশেষে মানুষ এখানে আসেন।

  • Share this:

    #‌টোকিও:‌‌ অযোধ্যায় রামমন্দির তৈরির কাজ শুরু হবে আর কিছুদিনের মধ্যেই। ভারতের মতো একটি হিন্দু প্রধান দেশে এই ধর্মের এত জাঁকজমক পূর্ণ আয়োজন হয়ত স্বাভাবিক কিন্তু ভারত থেকে কয়েক হাজার কিলোমিটার দূরে, যেখানে হিন্দুদের তেমন প্রাধান্য নেই, সেখানেও যে মন্দির তৈরিতে কোটি কোটি টাকা খরচ হতে পারে, এটা হয়ত ভাবতে পারবেন না অনেকেই।

    ইন্দোনেশিয়ার একটি মন্দিরের কথা এক্ষেত্রে উল্লেখ করা যেতে পারে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বিচারে এটি অন্য অনেক মন্দিরের সৌন্দর্যের থেকে নিজেকে আলাদা করে নিতে পারবে। একটি বিশাল বড় পাথর কেটে এই মন্দির তৈরি হয়েছিল ১৫ শতাব্দীতে। এই মন্দিরটি আসলে বিষ্ণুদেবের। সাগরের তীরে এই মন্দিরকে ঘিরে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের অনেকেরই ধর্মাচরণ করা যুগের পর যুগ ধরে রীতি। ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপের এই অপূর্ব সুন্দর মন্দিরটিকে বলা হয় ‘‌তানহা লোট’‌। বালির ভাষায় যার মা‌নে হয় সাগর লাগোয়া পাথরভূমি।

    এই মন্দিরে মূল আকর্ষণ হল এটির স্থাপত্য। সেই কারণেই ধর্ম নির্বিশেষে মানুষ এখানে আসেন। দেখতে, কী অপরূপ এই স্থাপত্যের নির্মাণ। কিন্তু ১৯৮০ সালের পর থেকে এই পাথরের একটি অংশ থেকে কিছু কিছু নির্মাণ খুলে পড়তে থাকে। ক্রমে এটি পর্যটকদের জন্য ভয়ানক স্থান হয়ে দাঁড়ায়। সমুদ্রের জলের কারণেই এটির ক্ষতি হয় বলে মনে করছেন অনেকে। তারপরই জাপান সরকার সিদ্ধান্ত নেয় এটিকে সংস্কার করার। সেই কারণে ইন্দোনেশিয়ার সরকারকে মোট ১৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দেওয়া হয়। যাতে বালির এই ঐতিহাসিক মন্দির সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়। তারপর এর সংস্কারের কাজ হয়। ধীরে ধীরে মানুষ ফিরতে থাকেন পর্যটক হিসাবে।

    Published by:Uddalak Bhattacharya
    First published: