বিদেশ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

আইভরি কোস্টের দোকান ছেয়ে গেল কালো পুতুলে! বড়দিনের বাজারে নয়া চমক

আইভরি কোস্টের দোকান ছেয়ে গেল কালো পুতুলে! বড়দিনের বাজারে নয়া চমক

পুতুলদের ত্বক ফর্সা, শারীরিক গঠনের দিক থেকে তারা ছিপছিপে।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: কৃষ্ণকায় শিশুদের মন থেকে দূর হোক বর্ণবিদ্বেষের হীনম্মন্যতা, আইভরি কোস্টের দোকান ছেয়ে গেল কালো পুতুলে!

এই পৃথিবী যে সবার জন্যেই, সেখানে যে বর্ণবিদ্বেষের কোনও স্থান থাকাই উচিৎ নয়, সে কথাটাই সাড়ম্বরে ঘোষণা করতে চান সারা কুলিবালি। তিনি এবং তাঁর পুতুল তৈরির সংস্থা নাইমা ডলস-এর হাত ধরেই আইভরি কোস্টের বাজার বড়দিনের প্রাক্কালে ছেয়ে গিয়েছে কৃষ্ণকায় পুতুলে।

তবে এ প্রসঙ্গে একটি কথা উল্লেখ না করলেই নয়। সারার এ হেন উদ্যোগের নেপথ্যে কাজ করছে এক বিশেষ ধরনের চিন্তাভাবনা। তিনি সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেনও সে কথা। তিনি বলেছেন যে আইভরি কোস্টের নানা দোকানে যে সব পুতুল দেখা যায়, তা সৌন্দর্যের চিরাচরিত ব্যাকরণ মেনে তৈরি। সেই সব পুতুলদের ত্বক ফর্সা, শারীরিক গঠনের দিক থেকে তারা ছিপছিপে। আর এখানেই সারার ঘোর আপত্তি! কৃষ্ণকায়, ঈষৎ স্থূল বীা রীতিমতো স্বাস্থ্যবান ব্যক্তিরাও যে সুন্দর হতে পারেন, সে কথার যেন তীব্র প্রতিবাদ করছে এই ধরনের শ্বেতাঙ্গ, ছিপছিপে পুতুলগুলো!

তাই বড়দিনের প্রাক্কালে আফ্রিকার শিশুদের নিজেদের সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে চাইছেন সারা। তিনি চান যে আফ্রিকার শিশুরা যেন প্রথম বিশ্বের দেশগুলোর আগ্রাসী মানসিকতায় কোণঠাসা না হয়ে থাকে, তারা যেন নিজেদের এবং নিজেদের সংস্কৃতিকে সুন্দর বলে চিনতে শেখে! তাই উৎসবের মুহূর্তে দোকানে দোকানে পুতুলের জোগান দেওয়ার জন্য আলাদা করে ২০জন মহিলাকর্মী নিয়োগ করেছেন সারা। এই ২০জন কর্মী এখন দিন-রাত এক করে ৩২টি মডেলের অসংখ্য পুতুল বাক্সবন্দি করে চলেছেন।

সারা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে তিনি পেশাগত দিক থেকে আর্কিটেক্ট ছিলেন। কিন্তু আফ্রিকার সংস্কৃতির মূল্যায়ণে পুতুল তৈরির পেশা বেছে নিয়েছেন তিনি। সারা বলেছেন যে তিনি যে সব মানুষদের সান্নিধ্যে আসেন, তাঁদের দেখেই পুতুলের মডেল তৈরি করেন, তাদের নামও রাখেন আফ্রিকার সনাতন ভাষায়। যেমন তাঁর তৈরি এক পুতুলের নাম আদজোবা, আকান ভাষায় যার নাম মঙ্গলবারের জাতক। কোঁকড়া চুলের গোলগাল এই পুতুল রীতিমতো নজরকাড়া!

সারা আরও জানিয়েছেন যে আপাতত বছরে তিনি ১৫ হাজার পুতুল তৈরি করে থাকেন। এগুলো বানানোর বরাত দেওয়া হয় চিনের এবং স্পেনের নানা সংস্থাকে। তার পর তা সারার কারখানায় আসে। তাঁর ইচ্ছা, এক দিকে যেমন বার্ষিক উৎপাদন বাড়ুক, তেমনই পুতুলগুলো তৈরিও হোক আফ্রিকাতেই! আপাতত সে লক্ষ্যেই কাজ করে চলেছেন তিনি!

Keywords:

Published by: Debalina Datta
First published: December 23, 2020, 7:10 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर