Israel Gaza War: গাজায় 'ভয়ঙ্করতম দিন'! ৪২ মৃতদেহের সারি, ইজরায়েলকে কাতর প্রশ্ন ছোট্ট নাদিনের

ভয়ঙ্করতম দিন

গাজায় 'ভয়ঙ্করতম হামলা' চালাল ইজরায়েল। আর সেই হামলায় শুধুমাত্র রবিবার ৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে গাজায়। এই পরিস্থিতিতে যুদ্ধের ক্ষতির যেন মুখ হয়ে উঠেছে গাজার নাদিন-আবদেল-তইফ।

  • Share this:

    #ইজরায়েল: ইজরায়েল (Israel) বনাম প্যালেস্টাইন তথা হামাস (Hamas) লড়াই এখন রীতিমতো যুদ্ধের আকার নিয়েছে৷ ইসলামিক উগ্রপন্থী সংগঠন হামাস লড়াই করার জন্য ইজরায়েল-গাজা সীমান্তে প্রচুর সেনা জড়ো করেছে বলে খবর মিলেছে৷ পাশাপাশি ৯০০০ সেনা তারা তৈরি রাখছে পরের ধাপের জন্য৷ গাজা এখন হামাসের দখলে। কিন্তু এরই মধ্যে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু (Israel PM Netanyahu) জানিয়ে দিয়েছেন, শেষ দেখে ছাড়বেন তিনি। আর তারপরই গাজায় 'ভয়ঙ্করতম হামলা' চালাল ইজরায়েল। আর সেই হামলায় শুধুমাত্র রবিবার ৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে গাজায়। এই পরিস্থিতিতে যুদ্ধের ক্ষতির যেন মুখ হয়ে উঠেছে গাজার নাদিন-আবদেল-তইফ। শিশু নাদিন একটি ভিডিওয় বলছে, 'আমি এখন কী করব? আমার তো কোনও ক্ষমতা নেই, আমার বয়স মাত্র ১০ বছর।' নাদিনের কান্নাভেজা সেই ভিডিও এখন নেট মাধ্যমে ভাইরাল।

    এই পরিস্থিতিতে রবিবার যখন ৫৭ টি দেশের অর্গানাইজেশন অফ ইসলামিক কো অপারেশন বৈঠকে বসেছে, অপরদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জানিয়ে দিয়েছেন, 'আত্মরক্ষার অধিকার আছে ইজরায়েলের।' আর তাই গত সপ্তাহব্যাপী রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে ৩০০-র কাছাকাছি প্রাণ গেলেও এখনও নিজের অবস্থানেই অনড় রয়েছেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী। জানিয়ে দিয়েছেন, এখনই থামবে না যুদ্ধ।

    আর দুই দেশের এহেন রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে অত্যন্ত কঠিন অবস্থা শিশুদের। শনিবার পর্যন্ত গাজায় ইজরায়েলি বিমান হানায় প্রায় ১৪৯ জনের মৃত্যু হলেও তার মধ্যে ৪১ জনই শিশু! ইউনিসেফের একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে, গাজায় সর্বনিম্ন ৬ বছর বয়সের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। যদিও ইজরায়েলের পালটা দাবি, সাধারণ নাগরিকদের উপর কোনও রকম হামলা চালানো হচ্ছে না।

    যদিও নেতানিয়াহু বলে রেখেছেন, 'এখনই শেষ হচ্ছে না। আমাদের অপারেশন চলবে। এর শেষ দেখে ছাড়ব। আমরা প্রথমে হামলা করিনি। যারা এই অশান্তি শুরু করেছে, তারাই দোষী। আমরা এখন অপারেশনের মাঝপথে আছি। এখনও শেষ হয়নি অপারেশন। যতদিন দরকার পড়বে, এই অশান্তি চলবে। আমরা এর শেষ দেখে ছাড়ব।'

    ইতিমধ্যেই গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে আল জালা টাওয়ার নামে গাজার একটি বহুতল। সেখানে বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের অফিস ছিল। ইজরায়েলের অবশ্য দাবি, হামাস জঙ্গি সংগঠনের দফতর ছিল আল জালা। এই পরিস্থিতিতে অভিযোগ উঠেছে, “ইজরায়েল শুধু রক্তপাত ও ধ্বংস ঘটাচ্ছে না, বাইরের দুনিয়ার কাছে তা প্রকাশও হতে দিচ্ছে না।” সামাজিক মাধ্যমে প্রতিবাদ চললেও তা পাত্তা দিচ্ছে না ইজরায়েল।

    Published by:Suman Biswas
    First published: