বিদেশ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

আততায়ী হামলায় নিহত দেশের শীর্ষ পরমাণু বিজ্ঞানী, বদলা নেওয়ার হুমকি দিল ইরান

আততায়ী হামলায় নিহত দেশের শীর্ষ পরমাণু বিজ্ঞানী, বদলা নেওয়ার হুমকি দিল ইরান
নিহত বিজ্ঞানী মহসিন ফখরেজাদেহ৷ Photo-AFP

ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির নেপথ্যে তিনিই মূল মাথা ছিলেন বলে দাবি করা হয়৷ এই হত্যাকাণ্ডের পিছনে চিরশত্রু ইজরায়েলের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করেছে ইরান৷

  • Share this:

#তেহরান: বন্দুকধারী আততায়ীদের হামলায় নিহত হলেন ইরানের শীর্ষ পরমাণু বিজ্ঞানী মহসিন ফখরেজাদেহকে৷ ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির নেপথ্যে তিনিই মূল মাথা ছিলেন বলে দাবি করা হয়৷ এই হত্যাকাণ্ডের পিছনে চিরশত্রু ইজরায়েলের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করেছে ইরান৷

জানা গিয়েছে নিজের নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গেই তেহরানের কাছে আবসার্দ শহরে দিয়ে গাড়িতে চড়ে যাচ্ছিলেন ওই পরমাণু বিজ্ঞানী৷ তখনই বন্দুকধারীরা তাঁকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়৷ ফখরেজাদেহের নিরাপত্তারক্ষীরা পাল্টা জবাব দিলেও গুলিতে গুরুতর আহত হন ওই প্রবীণ বিজ্ঞানী৷ পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন৷

এই হত্যাকাণ্ডের পরেই ফের একবার ইরান এবং ইজরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে৷ কারণ দেশের শীর্ষ এই বিজ্ঞানীর হত্যার বদলা নেওয়ার চেষ্টা করতে পারে ইরান, এমন সম্ভাবনা প্রবল৷ ইরানের সরকারি আধিকারিকরা ইতিমধ্যেই এই হত্যাকণ্ডের বদলা নেওয়ার কথা ঘোষণা করে দিয়েছেন৷ ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে অভিযোগ করা হয়েছে, অনেক দিন ধরেই তাঁদের এই দেশের এই পরমাণু বিজ্ঞানীকে নিশানা করেছিল ইজরায়েল৷ তবে শুধু ইজরায়েল নয়, এই ঘটনায় আমেরিকার হাত থাকতে পারে বলেও সন্দেহ ইরানের৷

নিউ ইয়র্ক টাইমস-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন সরকারের এক শীর্ষ আধিকারিক এবং আরও মার্কিন গোয়েন্দা বিভাগের আরও দুই কর্তা স্বীকার করে নিয়েছেন, এই হামলার নেপথ্যে রয়েছে ইজরায়েল৷ কিন্তু আমেরিকা আগে থেকে এই হামলা সম্পর্কে জানত কি না, তা স্পষ্ট নয়৷ তবে ইজরায়েল এবং আমেরিকার যথেষ্ট সুসম্পর্ক রয়েছে এবং ইরানকে নিয়ে দুই দেশের গোয়েন্দা বিভাগের মধ্যে নিয়মিত তথ্যের আদানপ্রদান হয়৷

মার্কিন গোয়েন্দা বিভাগের দাবি, ২০০৩ সালে ইরান সরকারি ভাবে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত থাকার কথা ঘোষণা করলেও গোপনে তা চালিয়ে যাচ্ছিল৷ আর তার নেতৃত্বে ছিলেন নিহত বিজ্ঞানী মহসিন ফখরেজাদেহ৷ ইরান অবশ্য বার বারই দাবি করেছে, যুদ্ধ নয়, বরং শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করার পক্ষে তারা৷

মাত্র দশ মাস আগেই ইরানের অন্যতম ক্ষমতাশালী রিভলিউশনারি গার্ড-এর কম্যান্ডার কাসিম সোলেইমানিকে ইরাকে দ্রোন হামলায় হত্যা করেছিল আমেরিকা৷ তার পর পরমাণু বিজ্ঞানীকেও হত্যা করা হল৷ সদ্য নির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন যদি এর পরে ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক শোধরাতে চান, তাহলেও তা কতটা সম্ভব হবে তা নিয়ে সংশয় থাকছেই৷ তবে পরমাণু বিজ্ঞানীর হত্যা নিয়ে হোয়াইট হাউস, সিআইএ বা ইজরায়েল সরকারের তরফেও কোনও প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি৷

Published by: Debamoy Ghosh
First published: November 28, 2020, 4:38 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर