• Home
  • »
  • News
  • »
  • international
  • »
  • আততায়ী হামলায় নিহত দেশের শীর্ষ পরমাণু বিজ্ঞানী, বদলা নেওয়ার হুমকি দিল ইরান

আততায়ী হামলায় নিহত দেশের শীর্ষ পরমাণু বিজ্ঞানী, বদলা নেওয়ার হুমকি দিল ইরান

নিহত বিজ্ঞানী মহসিন ফখরেজাদেহ৷ Photo-AFP

নিহত বিজ্ঞানী মহসিন ফখরেজাদেহ৷ Photo-AFP

ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির নেপথ্যে তিনিই মূল মাথা ছিলেন বলে দাবি করা হয়৷ এই হত্যাকাণ্ডের পিছনে চিরশত্রু ইজরায়েলের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করেছে ইরান৷

  • Share this:

    #তেহরান: বন্দুকধারী আততায়ীদের হামলায় নিহত হলেন ইরানের শীর্ষ পরমাণু বিজ্ঞানী মহসিন ফখরেজাদেহকে৷ ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির নেপথ্যে তিনিই মূল মাথা ছিলেন বলে দাবি করা হয়৷ এই হত্যাকাণ্ডের পিছনে চিরশত্রু ইজরায়েলের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করেছে ইরান৷

    জানা গিয়েছে নিজের নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গেই তেহরানের কাছে আবসার্দ শহরে দিয়ে গাড়িতে চড়ে যাচ্ছিলেন ওই পরমাণু বিজ্ঞানী৷ তখনই বন্দুকধারীরা তাঁকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়৷ ফখরেজাদেহের নিরাপত্তারক্ষীরা পাল্টা জবাব দিলেও গুলিতে গুরুতর আহত হন ওই প্রবীণ বিজ্ঞানী৷ পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন৷

    এই হত্যাকাণ্ডের পরেই ফের একবার ইরান এবং ইজরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে৷ কারণ দেশের শীর্ষ এই বিজ্ঞানীর হত্যার বদলা নেওয়ার চেষ্টা করতে পারে ইরান, এমন সম্ভাবনা প্রবল৷ ইরানের সরকারি আধিকারিকরা ইতিমধ্যেই এই হত্যাকণ্ডের বদলা নেওয়ার কথা ঘোষণা করে দিয়েছেন৷ ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে অভিযোগ করা হয়েছে, অনেক দিন ধরেই তাঁদের এই দেশের এই পরমাণু বিজ্ঞানীকে নিশানা করেছিল ইজরায়েল৷ তবে শুধু ইজরায়েল নয়, এই ঘটনায় আমেরিকার হাত থাকতে পারে বলেও সন্দেহ ইরানের৷

    নিউ ইয়র্ক টাইমস-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন সরকারের এক শীর্ষ আধিকারিক এবং আরও মার্কিন গোয়েন্দা বিভাগের আরও দুই কর্তা স্বীকার করে নিয়েছেন, এই হামলার নেপথ্যে রয়েছে ইজরায়েল৷ কিন্তু আমেরিকা আগে থেকে এই হামলা সম্পর্কে জানত কি না, তা স্পষ্ট নয়৷ তবে ইজরায়েল এবং আমেরিকার যথেষ্ট সুসম্পর্ক রয়েছে এবং ইরানকে নিয়ে দুই দেশের গোয়েন্দা বিভাগের মধ্যে নিয়মিত তথ্যের আদানপ্রদান হয়৷

    মার্কিন গোয়েন্দা বিভাগের দাবি, ২০০৩ সালে ইরান সরকারি ভাবে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত থাকার কথা ঘোষণা করলেও গোপনে তা চালিয়ে যাচ্ছিল৷ আর তার নেতৃত্বে ছিলেন নিহত বিজ্ঞানী মহসিন ফখরেজাদেহ৷ ইরান অবশ্য বার বারই দাবি করেছে, যুদ্ধ নয়, বরং শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করার পক্ষে তারা৷

    মাত্র দশ মাস আগেই ইরানের অন্যতম ক্ষমতাশালী রিভলিউশনারি গার্ড-এর কম্যান্ডার কাসিম সোলেইমানিকে ইরাকে দ্রোন হামলায় হত্যা করেছিল আমেরিকা৷ তার পর পরমাণু বিজ্ঞানীকেও হত্যা করা হল৷ সদ্য নির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন যদি এর পরে ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক শোধরাতে চান, তাহলেও তা কতটা সম্ভব হবে তা নিয়ে সংশয় থাকছেই৷ তবে পরমাণু বিজ্ঞানীর হত্যা নিয়ে হোয়াইট হাউস, সিআইএ বা ইজরায়েল সরকারের তরফেও কোনও প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি৷

    Published by:Debamoy Ghosh
    First published: