• Home
  • »
  • News
  • »
  • international
  • »
  • Dengue Mosquito: ডেঙ্গু রোধে বড় সাফল্য! বিজ্ঞানীদের এই 'ভাল মশা' বাঁচাতে পারে বহু মানুষের জীবন

Dengue Mosquito: ডেঙ্গু রোধে বড় সাফল্য! বিজ্ঞানীদের এই 'ভাল মশা' বাঁচাতে পারে বহু মানুষের জীবন

Wolbachia Mosquito Indonesia: ডেঙ্গু মশার বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য আরেক প্রজাতির মশার বংশবৃদ্ধির উপায় আবিষ্কার করেছেন। সেটিকেই বলা হচ্ছে ভাল মশা।

Wolbachia Mosquito Indonesia: ডেঙ্গু মশার বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য আরেক প্রজাতির মশার বংশবৃদ্ধির উপায় আবিষ্কার করেছেন। সেটিকেই বলা হচ্ছে ভাল মশা।

Wolbachia Mosquito Indonesia: ডেঙ্গু মশার বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য আরেক প্রজাতির মশার বংশবৃদ্ধির উপায় আবিষ্কার করেছেন। সেটিকেই বলা হচ্ছে ভাল মশা।

  • Share this:

    #জাকার্তা: দেশের বিভিন্ন এলাকায় ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এই রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন অনেকে। কখনো কখনো তা মারাত্মক আকার নিচ্ছে। আসলে, চিকিৎসা বিজ্ঞানে ডেঙ্গুর কার্যত কোনো চিকিৎসা নেই। এটি এমন একটি রোগ হিসাবে বিবেচিত হয় যার সঙ্গে আমাদের শরীর নিজেই লড়াই করে।

    আরও পড়ুন- 'আমার দলে যোগ দিন!' বিদেশে প্রস্তাব পেলেন নরেন্দ্র মোদি, কে দিলেন?

    এদিকে ইন্দোনেশিয়া থেকে একটি সুখবর এসেছে। সেখানকার গবেষকরা ডেঙ্গু মশার বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য আরেক প্রজাতির মশার বংশবৃদ্ধির উপায় আবিষ্কার করেছেন। তাঁদের দাবি, এই মশার ভেতরে এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া রয়েছে যা ডেঙ্গু ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করতে পারবে।

    নতুন গবেষণা কী বলছে-

    ডাউন টু আর্থ ওয়েবসাইট অনুসারে, এই গবেষণা ওয়ার্ল্ড মস্কিটো প্রোগ্রামের (World Mosquito Program) অধীনে শুরু হয়েছিল। এই গবেষণায়, Wolbachia নামে একটি ব্যাকটেরিয়া পাওয়া গেছে, যা ৬০ -এরও বেশি প্রজাতির পোকামাকড়ের মধ্যে পাওয়া যায়। এর মধ্যে রয়েছে নির্দিষ্ট ধরণের মশা, ফলের মাছি, পোকামাকড়, ড্রাগনফ্লাই এবং প্রজাপতি। কিন্তু ডেঙ্গু ছড়ানো এডিস ইজিপ্টি মশার মধ্যে এই ব্যাকটেরিয়া পাওয়া যায় না।

    আরও পড়ুন- অ্যামাজনের ডেলিভারি গাড়ি থেকে চুপিচুপি বেরোলেন এক মহিলা ! চাকরি গেল ড্রাইভারের

    ডাব্লুএমপির মতে, নতুন প্রজাতির এই মশাকে ভাল মশা বলা হচ্ছে। যে মশাগুলি ডেঙ্গু ছড়ায় তারা ওলবাচিয়া মশার সঙ্গে বংশবৃদ্ধি করে ওলবাচিয়া মশা তৈরি করবে। এই মশার মধ্যে Wolbachia ব্যাকটেরিয়া থাকার কারণে একে বলা হয় ভাল মশা। এমনকী এই মশা মানুষকে কামড়ালেও কোনওরকম সংক্রমণ ঘটাবে না।

    কীভাবে হল পরীক্ষা-

    ২০১৭ সাল থেকে WMP অস্ট্রেলিয়ার মোনাশ বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইন্দোনেশিয়ার গাদজা মাদা বিশ্ববিদ্যালয় একটি যৌথ গবেষণা পরিচালনা করেছে। ইন্দোনেশিয়ার কিছু ডেঙ্গু-আক্রান্ত এলাকায় পরীক্ষাগারে উত্পাদিত ওলবাচিয়া মশা ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। এরপর নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অফ মেডিসিনে এই গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হয়।

    পরীক্ষায় দেখা গেছে, ওলবাচিয়া মশা ওইসব এলাকায় ছাড়ার পর ডেঙ্গুর প্রকোপ ৭৭ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে এবং আক্রান্ত ব্যক্তিদের হাসপাতালে ভর্তির পরিমাণ ৮৬ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে।

    ডব্লিউএমপি-র প্রধান গবেষক বলেছেন, যেসব এলাকায় ডেঙ্গু ছড়ানো এডিস মশা পাওয়া যায় সেখানে ভাল মশা খুবই কার্যকরী প্রমাণিত হতে পারে। ২০১১ সাল থেকে উত্তর ইন্দোনেশিয়ায় ডেঙ্গু নির্মূলের প্রক্রিয়া চলছে।

    ডেঙ্গু বহু দেশের বড় সমস্যা-

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, ডেঙ্গু একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই রোগ ছড়িয়ে পড়েছে। গত কয়েক দশকে এই রোগটি খুব দ্রুত ছড়িয়েছে। একটি হিসাব অনুযায়ী, বিশ্বের প্রায় অর্ধেক জনসংখ্যা ডেঙ্গুর ঝুঁকিতে রয়েছে।

    ডেঙ্গুর চিকিৎসা কী-

    ডেঙ্গু এমন একটি রোগ যার কোনো কার্যকর চিকিৎসা চিকিৎসা বিজ্ঞানে নেই। চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতে, আমাদের শরীর নিজেই এই রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করে। আসলে ডেঙ্গু সংক্রমণের কারণে আমাদের শরীরের রক্ত ​​পাতলা হয়ে যায়। এতে প্লেটলেটের সংখ্যা অনেক কমে যায়। প্লেটলেটের সংখ্যা কম থাকায় পেটে রক্তক্ষরণ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এমন পরিস্থিতিতে মানুষের জীবন ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। এমন পরিস্থিতিতে একজন ডেঙ্গু রোগীর প্লেটলেটের সংখ্যা ঠিক রাখাই সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।

    Published by:Suman Majumder
    First published: