• Home
  • »
  • News
  • »
  • international
  • »
  • দেশভাগের পর প্রথমবার পাকিস্তানে যেতে পরে ভারতীয় সেনা, সম্পর্কের বরফ গলছে?

দেশভাগের পর প্রথমবার পাকিস্তানে যেতে পরে ভারতীয় সেনা, সম্পর্কের বরফ গলছে?

মঙ্গলবার সিন্ধু নদীর জল বন্টনের স্থায়ী উদ্যোগ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে দুদিনের বৈঠক শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার সিন্ধু নদীর জল বন্টনের স্থায়ী উদ্যোগ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে দুদিনের বৈঠক শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার সিন্ধু নদীর জল বন্টনের স্থায়ী উদ্যোগ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে দুদিনের বৈঠক শুরু হয়েছে।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: তা হলে কি ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে সুসম্পর্কের রাস্তা তৈরি হচ্ছে! পরিবেশ-পরিস্থিতি কিন্তু তেমনই ইঙ্গিত দিচ্ছে! পুলওয়ামা হামলার পর বালাকোট এয়ার স্ট্রাইক করেছিল ভারত। তার পর থেকে দুই দেশের প্রশাসনিক অধিকর্তারা মুখোমুখি আলোচনায় বসেননি। প্রায় আড়াই বছর পর পাকিস্তানি অফিসারদের একটি দল দিল্লি পৌঁছেছে। মঙ্গলবার সিন্ধু নদীর জল বন্টনের স্থায়ী উদ্যোগ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে দুদিনের বৈঠক শুরু হয়েছে। ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে, এই বৈঠকের মাধ্যমেই দুই দেশের সম্পর্কের মাঝে জমে থাকা বরফ গলতে পারে।

    দেশভাগের পর আর পাকিস্তানে যায়নি ভারতীয় সেনার কোনও প্রতিনিধি দল। কিন্তু এবার সেই সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ভারত ও পাকিস্তানের সেনা একসঙ্গে মহড়ায় অংশ নিতে পারে বলে আভাস পাওয়া যাচ্ছে। দুই দেশের সম্পর্ক ঠিকঠাক করতে সংযুক্ত আরব আমিরশাহী ও সৌদি আরব ভূমিকা নিয়েছিল। সেই কথা অবশ্য এখন দুই দেশের বিদেশমন্ত্রক স্বীকার করছে না। ৩০ মার্চ কাজাকিস্তানের রাজধানীতে হার্ট এশিয়া কনফারেন্সে রয়েছে। সেখানে ভারতের বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর ও পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেশি উপস্থিত থাকবেন। ওখানেই দুই দেশের মধ্যে একাধিক ব্যাপারে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ২৫ ফেব্রুয়ারির পর পাকিস্তানের সেনা সীমান্তে সিজ্ ফায়ার ভায়োলেশন করেনি। তবে এক থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সিজ্ ফায়ার ভায়োলেশন হয়েছে ২২৫ বার। জানুয়ারিতে ৩৩৬ বার সংঘর্ষ বিরতি লংঘন করেছে পাকিস্তানি সেনা। দিল্লিতে পাকিস্তান হাইকমিশনে মঙ্গলবার পাকিস্তান দিবস পালিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে পাকিস্তান দিবসের শুভেচ্ছা বার্তা দিয়েছেন। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এর আগেও বহুবার দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের জটিলতা কাটার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু শেষমেশ পাকিস্তানের কোনও কাণ্ড সব ভেস্তে দিয়েছে। এবারও সে রকম কিছু হবে না তো! আরব দেশগুলির মধ্যস্থতায় এবার আপাতত তিনটি ব্যাপার ঠিক হয়েছে। এক, দুই দেশের নেতারা কেউই প্ররোচনামূলক বয়ান দেবেন না। পাকিস্তান নতুন সম্পর্কের প্রস্তাব দেবে, ভারত তা গ্রহণ করবে। দুই, ভারতের সিএএ বিরোধী আন্দোলনে পাকিস্তানের কোনওরকম ফান্ডিং-এর প্রমাণ পাওয়া গেলে শান্তি বার্তা বতিল হবে। ভারত আপাতত বালুচিস্তানের ইস্যু নিয়ে কোনও মঞ্চ থেকে কোনওরকম কথা বলবে না। যদিও বিশেষজ্ঞ মহল মনে করছে, পাকিস্তান ও পাক সেনা জঙ্গিদের মদত করা বন্ধ না করলে দুই দেশের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক কখনওই সম্ভব নয়।

    Published by:Suman Majumder
    First published: