• Home
  • »
  • News
  • »
  • international
  • »
  • IN AUSTRALIAN LAKE ZOMBIE FISH DECLARED EXTINCT OVER 20 YEARS AGO HAS BEEN FOUND LIVING TC SB

রঙিন, তবে 'ভয়ঙ্কর'! ২০ বছর আগে বিলুপ্ত মাছের খোঁজ অস্ট্রেলিয়ায়

২০ বছর আগে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া মাছের দেখা মিলল অস্ট্রেলিয়ায়, শোরগোল প্রাণীবিদদের জগতে!

বিলুপ্ত হয়েও ফিরে আসা মাছকে আপাতত 'জম্বি ফিশ' (Zombie Fish) বলে আখ্যা দেওয়া হয়েছে।

  • Share this:

#ভিক্টোরিয়া: ২০ বছর আগে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া মাছের দেখা মিলল অস্ট্রেলিয়ায়। যা নিয়ে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি ফের জীবনের আলোয় ফিরল ওই রঙিন মাছ? এ ব্যাপারে গবেষণাও শুরু হয়েছে।

নীল শরীরে বেগুনে ছোপ দেওয়া ওই মাছের নাম গুদগেওন (Gudgeon)। ২০ বছর আগে যাকে বিলুপ্ত বলে ঘোষণা করেছিল প্রশাসন, সেই মাছের দেখা মিলেছিল দুই বছর আগেও। অস্ট্রেলিয়ার মিডল রেডি লেকে দু'টি গুদগেওন মাছের দেখা মিলেছিল। এর পরেই এ ব্যাপারে গবেষণার স্বার্থের সার্দান পার্পল স্পটেড গুদগেওন অ্যাডভাইজারি গ্রুপ (Southern Purple Spotted Gudgeon Advisory Group) তৈরি করা হয়েছিল। তারাই আবার নতুন করে একই মাছের দেখা পেয়েছে বলে জানানো হয়েছে। বিলুপ্ত হয়েও ফিরে আসা মাছকে আপাতত 'জম্বি ফিশ' (Zombie Fish) বলে আখ্যা দেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি ভিক্টোরিয়ার ওয়েটল্যান্ডসে এই বিশেষ প্রজাতির মাছের দেখা পাওয়া গিয়েছে। প্রায় দুই বছর ধরে খোঁজ চালিয়ে ৬৬টি এমন প্রজাতির মাছের এক বসতির খোঁজ পাওয়া গিয়েছে বলে সার্দান পার্পল স্পটেড গুদগেওন অ্যাডভাইজারি গ্রুপের তরফে জানানো হয়েছে। সেই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তেমনটা হলে মিরাকেল ঘটবে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। তাঁদের মতে, এমন ঘটনা সত্যিই বিরল। বিলুপ্ত হয়েও কী ভাবে পৃথিবীতে ফিরে এল এই মাছ, তা নিয়ে গবেষণা শুরু হয়েছে।

এক রিপোর্টে জানানো হয়েছে, এক সময়ে দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসের কুইন্সল্যান্ডে এ ধরনের মাছের অবাধ বিচরণ ছিল। একটা সময়ের পর সেই মাছের সংখ্যা কমতে শুরু করে বলে জানানো হয়েছে। ২০০০ সালে এই রঙিন মাছকে বিলুপ্ত বলে ঘোষণা করেছিল প্রশাসন। তার পরেও গুদগেওন মাছের বংশবৃদ্ধি দেখে অবাক হয়েছেন অনেকে। ঘটনায় অবাক হয়েছেন পরিবেশবিদরাও।

অস্ট্রেলিয়ার পরিবেশ দফতরের এক সদস্যের তরফে জানানো হয়েছে যে তাঁরা দীর্ঘদিন ধরেই বিলুপ্তপ্রায় প্রাণীদের নিয়ে গবেষণা চালিয়ে আসছেন। এমন ঘটনা যে ঘটবে, তা তাঁরা কল্পনার মধ্যেও আনতে পারেননি বলে জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার ওই পরিবেশবিদ। তবে এর পিছনে নিশ্চয় কোনও জৈবিক কারণ আছে বলে বিশ্বাস করেন বিশেষজ্ঞরা। সে ব্যাপারে গবেষণা শুরু হচ্ছে।

Published by:Suman Biswas
First published: