মোদির চিঠির জবাব ইমরানের, পাকিস্তান থেকে ফেরত এল কাশ্মীর নিয়ে খোঁচা

মোদির চিঠির জবাব ইমরানের, পাকিস্তান থেকে ফেরত এল কাশ্মীর নিয়ে খোঁচা

স্বভাব যায় না মলে। সেটাই যেন বুঝিয়ে দিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।

স্বভাব যায় না মলে। সেটাই যেন বুঝিয়ে দিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি:

    স্বভাব যায় না মলে। সেটাই যেন বুঝিয়ে দিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পাকিস্তান দিবস উপলক্ষে ইমরান খানকে চিঠি লিখেছিলেন। সেই চিঠিতে দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপনের আহ্বান জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। আশা করা হয়েছিল, ইমরান খানের তরফেও জবাবে বন্ধুত্ব ও সৌহার্দ্যের কথাই ফেরত আসবে। কিন্তু দেশটার নাম পাকিস্তান। আর তাদের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। ফলে সৌহার্দ্য ও বন্ধুত্বের আশা করাটাই হয়তো ভুল হয়েছিল। ইমরান খান জবাবি চিঠিতে জানিয়ে দিয়েছেন, কাশ্মীর সমস্যার সমাধান না হলে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপন কখনওই সম্ভব নয়। পাকিস্তান দিবসের মাহাত্ম্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ইমরান খান আরও কোনও বার্তা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে। ফলে অদূর ভবিষ্যতে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক সম্ভব নয় তা যেন আরও একবার বকলমে স্পষ্ট করে দিলেন ইমরান খান।

    চিঠির শুরুতেই প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। ইমরান আরও বলেছেন, পাকিস্তান সব সময় ভারতসহ বাকি পড়শি দেশগুলোর সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান চায়। তবে এর পরেই কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে খোঁচা দিয়েছেন তিনি। ইমরান খান লিখেছেন, দক্ষিণ এশিয়ায় স্থায়ী শান্তি বজায় রাখার জন্য ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে কাশ্মীর ইস্যুর সমাধান হওয়া প্রয়োজন। কাশ্মীর ইস্যু সমাধান হলেই দুই দেশের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান হবে। উল্লেখ্য ২৩ মার্চ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখে পাকিস্তান দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন মোদি। লিখেছিলেন পড়শি দেশ হিসেবে পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণ হওয়া উচিত। আর তাই সেই সম্পর্ক তৈরি হওয়া উচিত বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে। যেখানে সন্ত্রাসবাদমুক্ত পরিবেশ হবে।

    পাকিস্তানের আওয়ামকে জাতীয় দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন মোদি।

    p style="text-align: justify;">এর আগে ভারতে তৈরি কোভিড ভ্যাকসিন পাকিস্তানে পৌঁছেছিল। দুই দেশের মধ্যে ব্যবসায়িক সম্পর্ক স্তব্ধ হয়েছে অনেকদিন হল। কিন্তু ওষুধ ও জরুরিকালীন সামগ্রীর ব্যাপারে ছাড় রয়েছে। করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য বিশ্বের বহু দেশকেই ভ্যাকসিন দিয়ে সহায়তা করেছে ভারত। পাকিস্তানের ক্ষেত্রেও ভারত সৌহার্দের পরিচয় রেখেছে। কিন্তু কৃতজ্ঞতাবোধ হয়তো ইমরান খানের রক্তে নেই। তাই শান্তি, সৌহার্দ্যের পরিবর্তে তিনি পুরনো ইস্যু নিয়ে খোঁচা দিতে ছাড়লেন না।

    Published by:Suman Majumder
    First published: