corona virus btn
corona virus btn
Loading

ধর্ষণে অভিযুক্তের যৌন ক্ষমতা নষ্ট করে দেওয়া হোক, পাকিস্তানে কড়া শাস্তির পক্ষে ইমরান খান

ধর্ষণে অভিযুক্তের যৌন ক্ষমতা নষ্ট করে দেওয়া হোক, পাকিস্তানে কড়া শাস্তির পক্ষে ইমরান খান
পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান৷ Photo-File

সম্প্রতি লাহোরে হাইওয়ের উপরে এক মহিলার গণধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত একজনের গ্রেফতারের পর এই বার্তা দিয়েছেন ইমরান৷

  • Share this:
#ইসলামাবাদ: ঘৃণ্যতম ধর্ষণের ঘটনাগুলিতে অভিযুক্তদের ওষুধ প্রয়োগ করে যৌন ক্ষমতা কমানোর শাস্তির প্রস্তাব দিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান৷ সম্প্রতি লাহোরে হাইওয়ের উপরে এক মহিলার গণধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত একজনের গ্রেফতারের পর এই বার্তা দিয়েছেন ইমরান৷ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর মতে, এই ধরনের অপরাধীদের প্রকাশ্যে ফাঁসিতে ঝোলানোর পক্ষে তিনি৷ কিন্তু যেহেতু এই ধরনের শাস্তি দিলে আন্তর্জাতিক মহলের রোষের মুখে পড়তে হতে পারে, তাই রাসায়ণিক প্রয়োগ করে অপরাধীর যৌনক্ষমতা কমানোই উচিত শাস্তি বলে মনে করেন ইমরান খান৷

লাহোরের হাইওয়েতে নিজের দুই সন্তানের সামনেই গণধর্ষণের শিকার হন এক মহিলা৷ গাড়ির জ্বালানি ফুরিয়ে যাওয়ায় হাইওয়ের উপরে আটকে পড়েছিলেন তিনি৷ এই ঘটনাকে ঘিরে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে পাকিস্তানে৷ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করেছেন কয়েকশো মহিলা৷ রাতে কোনও পুরুষ সঙ্গী ছাড়াই ওই মহিলা কেন একা গাড়ি নিয়ে যাচ্ছিলেন, সেই প্রশ্ন তুলে নির্যাতিতাকেই দোষারোপের চেষ্টা করেন এক পুলিশ আধিকারিক৷ তার পরেই জনতার ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটে৷ শেষ পর্যন্ত এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ৷

এই ঘটনা সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে পাকিস্তানের একটি সংবাদমাধ্যমকে ইমরান বলেন, 'জঘন্যতম যৌন অপরাধগুলির ক্ষেত্রে অভিযুক্তদের জনসমক্ষে ফাঁসি দেওয়া উচিত৷ কিন্তু এমন পদক্ষেপ করলে সেক্ষেত্রে অন্যান্য দেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্কের উপরে এর প্রভাব পড়তে পারে৷ কারণ ইউরোপীয় ইউনিয়নের মতো অনেক সংগঠনই মৃত্যুদণ্ডের বিরোধী৷'

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমার মতে রাসায়ণিক প্রয়োগ করে (Chemical Castration) অভিযুক্তের যৌন ক্ষমতাই নষ্ট করে দেওয়া উচিত৷ অন্যান্য অনেক দেশ এই পথেই হাঁটছে বলে আমি বেশ কয়েকটি জায়গায় পড়েছি৷' ইমরানের মতে, যেভাবে খুনের অভিযোগের ক্ষেত্রে নৃশংসতা বিচার করে শাস্তি দেওয়া হয়, সেরকমই ধর্ষণের ক্ষেত্রেও সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে যৌন ক্ষমতা নষ্ট করা উচিত৷

এই ঘটনায় দুই অভিযুক্তের মধ্যে একজনকে গ্রেফতার করতে পেরেছে পুলিশ৷ পাঞ্জাব প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী উসমান বুদজার জানিয়েছেন, অভিযুক্ত দোষ স্বীকার করেছে৷ যে পুলিশ আধিকারিক ঘুরিয়ে নির্যাতিতাকেই দোষারোপ করেছিলেন, লাহোরের সেই পুলিশ প্রধান উমর শেখ আমজনতার চাপে পড়ে শেষ পর্যন্ত তিনিও ক্ষমা চেয়েছেন৷

পাকিস্তানে এমনিতেই ধর্ষণের মতো অপরাধে সাজা দানের হার খুবই কম৷ আইনি বিশেষজ্ঞ ওসামা মালিক সংবাদসংস্থা এএফপি-কে জানিয়েছেন, পাকিস্তানে ধর্ষণের অভিযোগে সাজা দানের হার মাত্র ২ শতাংশ৷

Published by: Debamoy Ghosh
First published: September 15, 2020, 3:12 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर