Imran Taliban : তালিবানের দাসত্ব শৃঙ্খল ভাঙার অদ্ভুত তত্ত্ব ইমরান খানের

সরাসরি তালিবানকে সমর্থন ইমরানের

Imran Khan says Taliban broken shackles. পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেছেন, আফগানরা দাসত্বের শৃঙ্খল ভেঙেছে। হয়তো অবাক হওয়ার মত কথা

  • Share this:

    #ইসলামাবাদ: তালিবানের কাবুল দখলের পরদিন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেছেন, আফগানরা দাসত্বের শৃঙ্খল ভেঙেছে। হয়তো অবাক হওয়ার মত কথা। যে তালিবানের আগ্রাসনের কথা মনে রেখে দেশের মানুষ আফগানিস্তান ছাড়তে মরিয়া হয়ে উঠেছেন, সেই দেশে তালিবান কোন যুক্তিতে দাসত্বের শৃংখল ভেঙেছে, সেই যুক্তি বোধহয় একমাত্র পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী দিতে পারবেন।

    পাকিস্তানে ইংরেজি শিক্ষা নিয়ে এক বক্তৃতায় ইমরান খান এই মন্তব্য করেন বলে জানিয়েছেন বিবিসি উর্দু বিভাগের সারাহ আতিক। ১৯৯৬ সালে তালিবান আফগানিস্তানে ক্ষমতা দখলের পর যে তিনটি দেশ তাদের স্বীকৃতি দিয়েছিল পাকিস্তান ছিল তাদের একটি। রবিবার তালিবানের কাবুল দখলের পর এখনও পাকিস্তানের সরকার আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেয়নি।

    তবে আজ (সোমবার) আফগান পরিস্থিতি নিয়ে পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির একটি বৈঠক ছিল যেখানে প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানসহ সামরিক এবং গোয়েন্দা বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তারা ছিলেন। ওই বৈঠক থেকে আফগানিস্তান প্রসঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এদিকে, আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল তালিবান দখলে নেওয়ার পর দেশ ছাড়তে বিমানবন্দরে জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে।

    সেখানে বিমানে ওঠার চেষ্টারত সাধারণ মানুষের চাপ সামলাতে হিমশিম খেয়ে ফাঁকা গুলি ছোড়ে মার্কিন সেনারা। সেখানে অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। তবে ইমরান খানের বক্তব্য থেকে পরিষ্কার হয়ে গেল তালিবানের পেছনে পাকিস্তানের মদত ছিল। যেভাবে ঝড়ের গতিতে একের পর এক অঞ্চল দখল করেছে তালিবান, পাকিস্তানের সাহায্য ছাড়া সেটা সম্ভব নয়।

    এমনকি ভারতের দিল্লি বিমানবন্দরে যাঁরা আফগানিস্তান থেকে ফিরেছেন, তাঁরা স্পষ্ট জানিয়েছেন, কাবুলের রাস্তায় যে তালিবানরা ঘুরে বেড়াচ্ছে, তাঁরা আফগান নন। পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের জঙ্গি। আইডেন্টিটি কার্ডে সেই প্রমাণ মিলেছে।

    তবে ইমরান খান কী করবেন? পাকিস্তানের অতীত প্রধানমন্ত্রীদের মত তাঁরও হাত-পা বাঁধা আইএসআই এবং সেনাবাহিনীর কাছে। তাই এক সুরে না গাইলে ইমরানের গদি যেতে বেশিক্ষণ সময় লাগবে না। তার ওপর চিনের ইচ্ছেতেই আফগানিস্তানে এই জিনিস হয়েছে। এর ফলে ইমরানের তালিবানের পক্ষে কথা বলা ছাড়া আর কিছু করার নেই।

    Published by:Rohan Chowdhury
    First published: