বিদেশ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

‘‌এসকর্ট ভাড়া করে হোটেলের দরজা খুলতেই দেখি বন্ধুর মা’‌, গোপন কাহিনী শোনালেন যুবক

‘‌এসকর্ট ভাড়া করে হোটেলের দরজা খুলতেই দেখি বন্ধুর মা’‌, গোপন কাহিনী শোনালেন যুবক

তারপরেই হোটেলের ঘরে অপেক্ষা করতে থাকেন জন। একসময় পর এসকর্ট এসে দরজায় কড়া নাড়েন। আর তখনই অপেক্ষা করছিল সবচেয়ে বড় সারপ্রাইজ।

  • Share this:

জন (‌পরিবর্তিত নাম)‌ ছিলেন আর্মিতে। দীর্ঘদিন ধরে আর্মিতে থাকার কারণে তাঁর সম্পর্কে নানা সময়েই সমস্যা দেখা যায়। দীর্ঘকালীন সম্পর্ক একটাও টিকছিল না। বলা ভাল দূরত্বের কারণেই সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতেই পারছিলেন না তিনি। আর সেই কারণেই জীবন ক্রমে অসহ্য হয়ে ওঠে। আর সেই কারণেই তিনি অন্য রাস্তা খুঁজে নেন। তিনি জীবন কাটাতে শুরু করেন অবাধ যৌন সঙ্গমের মাধ্যমে। তিনি শুরু করেন এসকর্ট ভাড়া করতে। কিন্তু সেই অভ্যাসই একদিন একটি অঘটনের কারণে বন্ধ হয়ে যায়। আর সেই ঘটনাটিই মিরর ডট ইনের কাছে তুলে ধরেছেন জন।

তিনি বলেছেন, একদিন আবার নতুন এক এসকর্ট ভাড়া করার জন্য ইন্টারনেট সার্ফ করছিলেন তিনি। সেখানেই এক মহিলাকে তাঁর পছন্দ হয়। কিন্তু সেই মহিলার মুখের ছবি ছিল না। শুধু শরীরের ছবি দেখে পছন্দ করেন তিনি। তারপর তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। যোগাযোগ করার পর ওই মহিলা স্বাভাবিকভাবেই কথা বলেন। সেখানে দেনা পাওনার বিষয়ে কথা বার্তা হয়। তারপর জন জানাচ্ছেন, প্রায় ৪৫ মিনিট কথা হয় তাঁদের ফোনে, তখনও মহিলার পরিচয় বিস্তারিত জানতে পারেননি তিনি।

তারপরেই হোটেলের ঘরে অপেক্ষা করতে থাকেন জন। একসময় পর এসকর্ট এসে দরজায় কড়া নাড়েন। আর তখনই অপেক্ষা করছিল সবচেয়ে বড় সারপ্রাইজ। দরজা খুলে জন দেখতে পান, সামনে যিনি রয়েছেন তিনি বন্ধুর মা। স্বাভাবিক কারণে দু’‌জন দু’‌জনকে চেনার পর যথেষ্ট অস্বস্তিতে পড়েন। কিন্তু ওই বন্ধুর মা কোনওভাবেই অস্বস্তি বজায় রাখতে দেননি। তিনি এমন ব্যবহার করতে শুরু করেন, যেন কেউ কাউকে চেনে না। তারপর যে কারণে সেই হোটেলে মিলিত হয়েছিলেন তাঁরা, সেই কারণও সম্পূর্ণ করা হয়। বন্ধুর মা বলে বাদ যায়নি কিছুই। পেশাদার এসকর্টের দায়িত্ব পালন করেন ওই মহিলা। জনেরও অস্বস্তি কেটে গিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দু’‌জন একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছন যে বিষয়টি নিয়ে আর কখনই আলোচনা করবেন না তাঁরা বা বাইরেও কাউকে বলবেন না। সেই থেকে বিষয়টি চাপাই ছিল। আজ কয়েকবছর পর বিষয়টি সামনে আনলেন জন।

Published by: Uddalak Bhattacharya
First published: October 4, 2020, 6:19 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर