• Home
  • »
  • News
  • »
  • international
  • »
  • পয়সা মেটাননি ১৯৯ খানা ট্রাফিক কেসের, রাশিয়া-সুন্দরীর ল্যাম্বরগিনি তুলে নিয়ে গেল পুলিশ!

পয়সা মেটাননি ১৯৯ খানা ট্রাফিক কেসের, রাশিয়া-সুন্দরীর ল্যাম্বরগিনি তুলে নিয়ে গেল পুলিশ!

পয়সা মেটাননি ১৯৯ খানা ট্রাফিক কেসের, রাশিয়া-সুন্দরীর ল্যাম্বরগিনি তুলে নিয়ে গেল পুলিশ!

পয়সা মেটাননি ১৯৯ খানা ট্রাফিক কেসের, রাশিয়া-সুন্দরীর ল্যাম্বরগিনি তুলে নিয়ে গেল পুলিশ!

যিনি ল্যাম্বরগিনি গাড়ি চড়ে ঘুরে বেড়ান, তাঁর কাছে পয়সা নেই, এটা কি একটা বিশ্বাসযোগ্য কথা?

  • Share this:

#মস্কো: ঘটনাটা প্রাথমিক ভাবে বিস্ময় জাগায় মনে! তার পরে জমা হতে থাকে মনের কোণে বেশ কিছু বেয়াড়া প্রশ্ন! তবে আখেরে যে ঘটনাটা রাশিয়ার এই সুন্দরীর সমর্থনে যায় না, সেটা একবাক্যে স্বীকার করছেন সবাই! সেই সঙ্গে উঠে আসছে তীব্র কটাক্ষ- যিনি ল্যাম্বরগিনি গাড়ি চড়ে ঘুরে বেড়ান, তাঁর কাছে পয়সা নেই, এটা কি একটা বিশ্বাসযোগ্য কথা?

রাশিয়ার বিখ্যাত সুন্দরী নাসতিয়া ইভলিভা (Nastya Ivleeva) যদিও সে রকমটাই দাবি করছেন। এই জায়গায় এসে তাঁর সৌন্দর্যের মতো এই দাবিও কেন চমকে দিচ্ছে সবাইকে, সেটা একটু না বুঝিয়ে বললেই নয়!

ইভলিভা রাশিয়ার একজন সেলিব্রিটি এবং সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার। Instagram-এ তাঁর অনুরাগীর সংখ্যা এর মধ্যেই ছাড়িয়ে গিয়েছে ১৮.৭ মিলিয়ন। আর তার সঙ্গে সঙ্গে ছাড়িয়ে গিয়েছে এই সুন্দরীর ট্রাফিক আইন ভাঙার রেকর্ড, অন্তত তেমনটাই দাবি করছে মস্কো পুলিশ। তারা জানিয়েছে যে গত এক বছর জুড়ে মোট ১৯৯ খানা ট্রাফিক আইন উল্লঙ্ঘনের মামলা জমা হয়ে আছে ইভলিভার বিরুদ্ধে।

রাশিয়ার বিখ্যাত ট্র্যাভেল রিয়্যালিটি শো ওরইয়োল ই রেশকা-র (Oryol i Reshka) সূত্র ধরে জনমানসে পরিচিত হয়ে ওঠেন ইভলিভা। আর এই রাতারাতি সাফল্যই তাঁর মাথা ঘুরিয়ে দিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে পুলিশের পক্ষ থেকে। জানা গিয়েছে যে বার বার তাঁকে সতর্ক করা হয়েছে, কিন্তু একজন সচেতন নাগরিকের পরিচয় অন্তত গাড়ি চালানোর ক্ষেত্রে দেননি ইবলিভা। তেমনই কোনও বারেই ট্রাফিক আইন ভাঙার পরে জরিমানা দেওয়ারও প্রয়োজন তিনি বোধ করেননি।

পুলিশ জানিয়েছে যে ট্রাফিক আইন সংক্রান্ত যা কিছু অপরাধ হতে পারে, তার সবক'টিই রয়েছে ইভলিভার কুকীর্তির খাতায় এক এবং একাধিক বার করে! ট্রাফিক আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ঝড়ের বেগে গাড়ি চালিয়ে অন্যদের হেনস্তা করা না কি তাঁর পক্ষে স্বাভাবিক ব্যাপার! এর পাশাপাশি রয়েছে নিষিদ্ধ জায়গায় বহু বার গাড়ি পার্ক করে রাখা, ডবল লাইন ক্রস করা, নিষিদ্ধ রুটে টার্ন নেওয়ার মতো অপরাধও!

সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন জাগে- মস্কো পুলিশ এত দিন কেন চুপ করে ছিল? তবে এবার তাদের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙেছে। প্রথমে তারা ইভলিভাকে এই ১৯৯ খানা ট্রাফিক কেসের জন্য জমা হওয়া টাকা মিটিয়ে দিতে বলে। ইবলিভা জানান যে এই বিশাল পরিমাণ টাকা তাঁর পক্ষে মেটানো সম্ভব নয়। পরিণতিতে পুলিশ তাঁর Lamborghini Aventador গাড়িটা তুলে নিয়ে গিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই কথা জানিয়ে আক্ষেপও প্রকাশ করেছেন ইভলিভা! তাঁর এখন কেবল একটাই চিন্তা- কবে তিনি এই জরিমানা মিটিয়ে গাড়িটা ফেরত আনতে পারবেন!

Published by:Debalina Datta
First published: