Home /News /international /
ট্রাম্প ছিলেন অভিন্ন-আত্মা, বাইডেন কতটা মোদি ঘনিষ্ঠ, তাঁর ভারত-ভাবনাই বা কী

ট্রাম্প ছিলেন অভিন্ন-আত্মা, বাইডেন কতটা মোদি ঘনিষ্ঠ, তাঁর ভারত-ভাবনাই বা কী

জো বাইডেন- নরেন্দ্র মোদি। ছবি পিটিআই

জো বাইডেন- নরেন্দ্র মোদি। ছবি পিটিআই

প্রশ্ন থাকছে নতুন প্রেসিডেন্টের ভারত নীতি কী হবে, কেমন সম্পর্ক হবে মোদির সঙ্গে সম্পর্কের ভিয়েন?

  • Share this:

    #ওয়াশিংটন: অবশেষে হাজির সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। মার্কিন মসনদে বসছেন জো বাইডেন। তবে সিংহাসনে আরোহন মানে শুধুই ক্ষমতায়ন নয়, ট্রাম্প জমানার এ হেন পতনের পর বাইডেনের দায়িত্ব যেন কয়েক গুণ বেড়ে গিয়েছে। রাজনৈতিক ভাবে একই মেরুর বাসিন্দা নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্টের সম্পর্ক ছিল আন্তরিক, ঘনিষ্ঠতা ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রশ্ন থাকছে নতুন প্রেসিডেন্টের ভারত নীতি কী হবে, কেমন সম্পর্ক হবে মোদির সঙ্গে সম্পর্কের ভিয়েন?

    বাইডেনের সঙ্গে মোদির শেষ সাক্ষাৎ হয়েছিল  ২০১৪ সালে মোদির আমেরিকা সফরের সময়ে। বাইডেন তখন আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে। সৌজন্য ভোলেননি মোদি। বাইডেন জয়লাভ করার পরেই দূরাভাষে কথা বলেন তাঁর সঙ্গে। পরে মোদি ট্যুইটারে লেখেন আমেরিকার নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে শুভেচ্ছা জানালান। আমরা ভারত ও আমেরিকার কৌশলগত সম্পর্ক বিকাশের অঙ্গীকার করেছি। জলবায়ু পরিবর্তন, অতিমারী মোকাবিলায় সহযোগিতা, ইন্দো -প্যাসিফিক অঞ্চলে সহযোগিতা নিয়ে কথা হয়েছে।

    কূটনৈতিক মহলের মত, মোদি কেবল শুভেচ্ছা বিনিময়ই করেননি, সম্পর্ককে একটি তারে বেঁধেছেন। তৈরি করেছেন একটি রূপরেখা। আগামী দিনে পাখির চোখ কী হবে তা বুঝিয়ে দিয়েছেন এক ফোনালাপে। তবে প্রশ্ন থাকছে। প্রশ্ন থাকছে কী হবে বাইডেনের পাকিস্তান নীতি? অভিবাসনের ক্ষেত্রে কি ট্রাম্পের নীতিই রাখতে চান বাইডেন?

    বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর অবশ্য আশাবাদী। তিনি বলছেন," ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে আমরা যেখানে কাজ শেষ করব, সেখান থেকেই পথ চলা শুরু হবে নতুন প্রশাসনের সঙ্গে।" উল্লেখ্য ১৯৭৩-২০০৮ সেনেটর থাকার সময় বাইডেন সব সময়েই ভারত বন্ধু হয়ে থেকেছেন। নিউক্লিয়র চুক্তিতেও সদর্থক ভূমিকা ছিল বাইডেনের।

    বাইডেন ভারতে আসেন ২০১৩ সালে। তদানীন্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। কথাবার্তা হয় তদানীন্তন উপরাষ্ট্রপতি হামিদ আনসারির সঙ্গেও দেখা করেন বাইডেন। যান দিল্লি মিউজিয়মে। মুম্বই স্টক এক্সচেঞ্জে দেশের নামী উদ্যোগপতিদের সঙ্গেও কথা হয় তাঁর।

    শুধু তাই নয়, সম্প্রতি সামনে এসেছে পাঁচ দশক আগে ভারতে তাঁর পূর্বপুরুষরাও ছিলেন। সবমিলিয়ে তাই বাইডেনের এই নতুন ইনিংসে ভারতের লাভের সম্ভাবনাই দেখছেন কূটনীতিকরা। দক্ষ প্রশাসক বাইডেন কী ভাবে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতির প্রশ্নে পাকিস্তান নীতি তৈরি করবেন, কী ভাবে অভিবাসন নীতি সংস্কার করবেন, সেটাই দেখার।

    Published by:Arka Deb
    First published:

    Tags: Joe Biden, Narendra Modi

    পরবর্তী খবর