• Home
  • »
  • News
  • »
  • international
  • »
  • লিঙ্গ বোঝা দায়! গত মাসে জন্মানো পুরুষ পান্ডাকে এখন মেয়ে বলে দাবি করছে জাপানের চিড়িয়াখানা

লিঙ্গ বোঝা দায়! গত মাসে জন্মানো পুরুষ পান্ডাকে এখন মেয়ে বলে দাবি করছে জাপানের চিড়িয়াখানা

বিশদে পরীক্ষা করে তাঁরা জানতে পারলেন যে যাকে ছেলে বলে ঘোষণা করা হয়েছে, সেই পান্ডাটি আদতে মেয়ে

বিশদে পরীক্ষা করে তাঁরা জানতে পারলেন যে যাকে ছেলে বলে ঘোষণা করা হয়েছে, সেই পান্ডাটি আদতে মেয়ে

বিশদে পরীক্ষা করে তাঁরা জানতে পারলেন যে যাকে ছেলে বলে ঘোষণা করা হয়েছে, সেই পান্ডাটি আদতে মেয়ে

  • Share this:

খবর মোতাবেকে, চলতি বছরের নভেম্বর মাসের ২১ তারিখে জাপানের ওয়াকাইয়ামা চিড়িয়াখানায় একটি পান্ডাশাবক জন্ম নেয়। চেংদুর পান্ডা বেস এবং অ্যাডভেঞ্চার ওয়ার্ল্ড নামে দুই সংস্থা সম্মিলিত ভাবে এখন ওই চিড়িয়াখানার পশুদের, বিশেষ করে জায়ান্ট পান্ডাদের তত্ত্বাবধান করে থাকে। ফলে এই পান্ডাশাবকটির জন্মের পরেই অ্যাডভেঞ্চার ওয়ার্ল্ডের কর্ণধার তাতসুকো নাকাও রটিয়ে দিলেন সবার মাঝে যে রাউহিন নামের মাদি পান্ডাটি এক পুত্রসন্তান প্রসব করেছে! আর এ বার, এই ডিসেম্বর মাসের শেষের দিকে, মাসখানেকের ব্যবধানের একটু বেশি সময়ে অন্য এক অ্যাডভেঞ্চারের মুখে পড়ত হল সংস্থাকে। বিশদে পরীক্ষা করে তাঁরা জানতে পারলেন যে যাকে ছেলে বলে ঘোষণা করা হয়েছে, সেই পান্ডাটি আদতে মেয়ে!

কী আর করা! ডেইলি মেলে প্রকাশিত খবর বলছে যে আপাতত নিজেদের ভুল শুধরে নিয়ে অ্যাডভেঞ্চার ওয়ার্ল্ড রাউহিনের ছানাকে মেয়ে বলেই সবার কাছে পরিচয় দিচ্ছে। পাশাপাশি, মেয়ের নাম কী রাখা যায়, সে বিষয়েও সবার কাছে আবেদন জানিয়েছেন ওয়াকাইয়ামা চিড়িয়াখানা! খুব ভালো উদ্যোগ, সন্দেহ কী! সন্দেহ কেবল একটা জায়গাতেই- দিন নেই রাত নেই পান্ডা নিয়ে যাঁরা ঘাঁটাঘাঁটি করছেন, তাঁরা সদ্যোজাত প্রাণীগুলোর লিঙ্গ বুঝতে পারছেন না?

জানা গিয়েছে যে পান্ডাদের ক্ষেত্রে এই ভুল সারা পৃথিবী জুড়েই হয়ে থাকে। আসলে জন্মানোর সময়ে এদের স্ত্রী বা পুরুষ অঙ্গ স্পষ্ট থাকে না, তা দিনে দিনে প্রকাশ পায়। তাই এত দিনে রাহিনের ছানাটিকে পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে যে তার অণ্ডকোষ তৈরি হয় নি, মানে সে ছেলে নয়!

ঠিক এই এক ভুল এর আগে ১৯৪০ সালেও হয়েছে। সে কথা জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমকে অ্যাডভেঞ্চার ওয়ার্ল্ড। সে বারা মার্কিন মুলুকের এক চিড়িয়াখানায় বংশবিস্তারের উদ্দেশ্যে একটি মাদি এবং একটি পুরুষ পান্ডা পাঠানো হয়েছিল। পরে টের পাওয়া যায় যে পাঠানো ওই দুই পান্ডাই ছেলে! আবার ১৯৪১ সালে ব্রংক্সের চিড়িয়াখানাতেও দেখা যায় যে জোড়া পান্ডার দু'জনেই মেয়ে- তাদের দিয়ে বশবিস্তারের কাজ হবে না!

এই সব ভুলের জন্যই আপাতত না কি ওয়াশিংটনের জাতীয় চিড়িয়াখানা রীতিমতো জিন পরীক্ষা করে পান্ডারা ছেলে না মেয়ে, সে কথা ঘোষণা করছেন সর্বসমক্ষে। অ্যাডভেঞ্চার ওয়ার্ল্ড কবে এ সিদ্ধান্ত নেবে, কে জানে!

Published by:Ananya Chakraborty
First published: