বিদেশ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

৩০ ফুট উঁচু মস্তকহীন বুদ্ধমূর্তি! ঝরা পাতা সাফ করতে গিয়ে মিলল দুই ফ্ল্যাটের মাঝে

৩০ ফুট উঁচু মস্তকহীন বুদ্ধমূর্তি! ঝরা পাতা সাফ করতে গিয়ে মিলল দুই ফ্ল্যাটের মাঝে

এখন যে জায়গায় ওই দুই ফ্ল্যাটবাড়ি তৈরি হয়েছে, আগে সেখানে ছিল লেইজু নামের এক মন্দির।

  • Share this:

#চংকিঙ: ঘটনাটি প্রত্নতাত্ত্বিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ তো বটেই! কিন্তু সব দিক থেকে যদি বিচার করতে হয়, তা হলে কেবল একটি জায়গায় এসে ভুরু কুঁচকে ফেলতে হয়! ৩০ ফুট উচ্চতা যে মূর্তির, তা আগে এলাকার অধিবাসীরা কেউ দেখেননি? এটা কী করে সম্ভব হতে পারে?

খবর বলছে যে সম্প্রতি দুই ফ্ল্যাটবাড়ির মাঝে এ হেন ঐতিহাসিক পুরাকীর্তির সন্ধান মিলেছে দক্ষিণ-পশ্চিম চিনের নানা প্রদেশের চংকিঙে। সম্প্রতি এই বুদ্ধমূর্তির ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরালও হয়েছে বলে খবর। তার একটি কারণ মূর্তির সুবিশাল উচ্চতা, দ্বিতীয়টি নিঃসন্দেহেই এলাকার অধিবাসীদের দাবি।

ওই এলাকার অধিবাসীরা দাবি করেছেন যে এই বুদ্ধমূর্তির অস্তিত্ব সম্পর্কে তাঁরা এর আগে কিছু না কি জানতেনই না! সম্প্রতি ঝরা পাতার স্তূপ সাফ করতে গিয়ে তার তলায় এই বুদ্ধমূর্তিটি দেখে তাঁরা চমকে যান এবং চংকিঙ রেডিও দফতরে খবর দেন। তার পর থেকেই ঘটনাটি নিয়ে তোলপাড় হচ্ছে বিশ্ব।

এখন যে জায়গায় ওই দুই ফ্ল্যাটবাড়ি তৈরি হয়েছে, আগে সেখানে ছিল লেইজু নামের এক মন্দির। আনুমানিক ১৯১০ সাল থেকে ১৯৪০ সালের মধ্যে মন্দিরটি তৈরি হয়েছিল। ১৯৮৭ সাল নাগাদ এই মন্দির ধ্বংস হয়ে যায়। তার পরে সেই জায়গায় এই দুই ফ্ল্যাটবাড়ি ওঠে।

তবে মন্দির ১৯১০ সাল থেকে ১৯৪০ সালের মধ্যে তৈরি হলেও বুদ্ধমূর্তিটি তার অনেক আগে থেকেই স্বমহিমায় ওই জায়গায় ছিল। মনে করা হচ্ছে যে তা সং বা কিঙ সাম্রাজ্যের আমলে খোদাই করা হয়েছিল। তা-ই যদি ঘটনা হয়, তা হলে ওই বুদ্ধমূর্তি ঘিরেই যে লেইজু মন্দির গড়ে উঠেছিল, তা বোঝা যায়।

অবশ্য ওই এলাকা, তথা ফ্ল্যাটবাড়িজোড়ার একটির বাসিন্দা, জেং পদবীর এক বৃদ্ধা একটু অন্য দাবি করেছেন রেডিওর কাছে। তিনি বলেছেন, এক সময়ে এই এলাকায় যে একটা মন্দির ছিল, তা তাঁর মনে আছে। তিনি এটাও বলেছেন যে মাথা তৈরি না হওয়া এক অসম্পূর্ণ বুদ্ধমূর্তির কথাও তাঁরা ছোটবেলায় শুনেছেন। এত দিনে যা প্রকাশ্যে এল!

Published by: Pooja Basu
First published: December 21, 2020, 4:35 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर