ব্রিটেনের সঙ্গে যাতায়াতের পথ খুলে দিচ্ছে ফ্রান্স, দেখাতে হবে কোভিড নেগেটিভ রিপোর্ট

ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির কাছে পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছিলেন ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী বোরিস জনসন। আর সে কারণেই ফ্রান্সের এই সিদ্ধান্ত।

ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির কাছে পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছিলেন ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী বোরিস জনসন। আর সে কারণেই ফ্রান্সের এই সিদ্ধান্ত।

  • Share this:

    #লন্ডন: ক্রিসমাস এসে গিয়েছে দোরগোড়ায়। কিন্তু এর মধ্যেই ব্রিটেনে এসেছে নতুন করোনা ভাইরাস স্ট্রেন, যা সংক্রমণ ছড়াচ্ছে খুব দ্রুত। এই পরিস্থিতিতে, ফ্রান্স-সহ ইউরোপের অন্যান্য দেশ তাদের সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছে ব্রিটেনের জন্য। শুধু তাই নয়, বিশ্বের অধিকাংশ দেশের উড়ান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ব্রিটেনের সঙ্গে। সে কারণে, অনেক মানুষই ক্রিসমাসের ছুটিতে ব্রিটেন থেকে নিজের দেশে ফিরতে পারছেন না। তবে ফ্রান্স এবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, দু’দেশের মধ্যে যাতায়াতের পথ খুলে দেওয়া হবে। বুধবার থেকে ফের উড়বে বিমান।

    ক্রিসমাসের এই সময়ের কথা বিবেচনা করে, ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি ইম্যানুয়েল ম্যাকরঁ-এর কাছে পরিবহণে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছিলেন ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী বোরিস জনসন। আর সে কারণেই ফ্রান্সের এই সিদ্ধান্ত। মঙ্গলবার রাতে, প্যারিসের সঙ্গে একটি চুক্তি হয়, যেখানে বলা হয় ফ্রান্সের যে নাগরিকেরা ব্রিটেনে রয়েছেন, তাঁরা দেশে ফিরতে পারবেন। তবে ৭২ ঘণ্টার কম সময়ের মধ্যে কোভিড নেগেটিভ রিপোর্ট দেখিয়েই তাঁদের পেরোতে হবে সীমানা।

    যাঁরা ফ্রান্সে ফিরতে চান, তাঁদের কোভিড টেস্ট শুরু হবে বুধবারই। ব্রিটেনের তরফে জানানো হয়েছে, ২-৩ দিনের মধ্যেই এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে এবং দেশে ফিরতে পারবেন ফরাসী নাগরিকেরা। এর আগে, ইওরোপিয়ান কমিশন মন্তব্য করেছিল, ব্রিটেন থেকে অন্য দেশে অথবা অন্য দেশ থেকে ব্রিটেনে প্রয়োজন ছাড়া যাতায়াত না করাই উচিৎ। তবে এখন পরিস্থিতি বিচার করে তারা জানিয়েছে, যাঁরা বাড়ি ফিরতে চান তাঁদের অনুমতি দেওয়াই উচিৎ। মাথায় রাখতে হবে, কোভিড-১৯ টেস্ট এবং ১০ দিনের কোয়ারেন্টাইন কিন্তু মানতেই হবে।

    Published by:Antara Dey
    First published: