বিদেশ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

মাছে করোনা নেই, প্রমাণ করতে কাঁচা চিবিয়ে খেলেন শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন মন্ত্রী!

মাছে করোনা নেই, প্রমাণ করতে কাঁচা চিবিয়ে খেলেন শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন মন্ত্রী!
কাঁচা মাছে কামড় প্রাক্তন মৎস্যমন্ত্রীর৷ Photo-Twitter

সাংবাদিক বৈঠকে তিনি আরও দাবি করেন, দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রীরই উচিত এ বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে ভয় দূর করা৷

  • Share this:

#কলম্বো: মাছ থেকে করোনা সংক্রমণের ভয় নেই৷ তা প্রমাণ করতেই আজব পন্থা বার করলেন শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন মৎস্যমন্ত্রী দিলীপ ওয়েদ্দারাছছি৷ মাছ খেলে যে তা থেকে শরীরে করোনার জীবাণু ঢুকবে না, তা প্রমাণ করতে সাংবাদিক সম্মেলনে বসেই কাঁচা মাছ চিবিয়ে খেলেন তিনি! প্রাক্তন মন্ত্রীর এই কীর্তির ভিডিও এখন রীতিমতো ভাইরাল৷ কাঁচা মাছ খেয়ে দেশের মানুষের কাছে আগের মতোই মাছ কেনার আবেদন করেছেন ওয়েদ্দারাছছি৷ ৷

দেশের বিরোধী দলনেতার অফিসে সম্প্রতি একটি সাংবাদিক বৈঠক ডেকেছিলেন প্রাক্তন মৎস্যমন্ত্রী৷ মাছ ধরে বা বিক্রি করে যাঁদের সংসার চলে, করোনা অতিমারির জেরে তাঁরা কেমন দুর্দশার মধ্যে পড়েছেন, তা তুলে ধরতেই এই সাংবাদিক বৈঠক ডেকেছিলেন ওয়েদ্দারাছছি৷ ৷ তাঁর দাবি, মাছ থেকে করোনা সংক্রমণের ভয়েই তা কিনছেন না সাধারণ মানুষ৷ যে কারণে মাছ ধরা বা বিক্রির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের উপার্জন তলানিতে পৌঁছেছে৷ মানুষের মনের থেকে মাছ নিয়ে ভয় দূর করতে সাংবাদিক বৈঠকে বসেই কাঁচা মাছের একটি টুকরো খেয়ে দেখান প্রাক্তন মন্ত্রী৷

ভিডিও-তে দেখা যাচ্ছে, কথা বলতে বলতেই একটি ব্যাগ থেকে দু'টি কাঁচা মাছ বের করছেন ওয়েদ্দারাছছি৷ ৷ এর পর একটি মাছে সটান কামড় বসিয়ে কিছুটা অংশ চিবিয়ে খান তিনি৷ যাতে প্রমাণ হয়, মাছ থেকে সংক্রমণের ভয় নেই৷

সাংবাদিক বৈঠকে তিনি আরও দাবি করেন, দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রীরই উচিত এ বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে ভয় দূর করা৷ অক্টোবর মাসেই করোনা অতিমারির জেরে শ্রীলঙ্কার সবথেকে বড় মাছের বাজারটি বন্ধ করে দিয়েছিল সরকার৷ নতুন করে করোনা আক্রান্তের খোঁজ পাওয়ায় রাজধানী কলম্বোর বেশ কিছু এলাকা ছাড়াও সংল্গন কয়েকটি জায়গাতেও কার্ফু জারি হয়৷ কলম্বোতে দেশের প্রধান মাছের বাজারটিতে ৪৯ জন ব্যবসায়ীর করোনা ধরা পড়ে৷ এর পর ওই বাজারের আরও কয়েকশো ব্যবসায়ীর করোনা পরীক্ষার ব্যবস্থা করেছে সরকার৷ শ্রীলঙ্কায় এখনও পর্যন্ত মোট ৫৮১১ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন৷ মৃত্যু হয়েছে ১৩ জনের৷

Published by: Debamoy Ghosh
First published: November 17, 2020, 5:11 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर