সামাজিক দূরত্ব নিয়ে কোনও চিন্তা নেই, এই কাফেতে সমস্ত কাজ করে রোবট

সামাজিক দূরত্ব নিয়ে কোনও চিন্তা নেই, এই কাফেতে সমস্ত কাজ করে রোবট
সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য কোনও ঝামেলা ঝক্কি পোহাতে হবে না, এই কাফের দেখভাল করে রোবটরা

সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য কোনও ঝামেলা ঝক্কি পোহাতে হবে না, এই কাফের দেখভাল করে রোবটরা

  • Share this:

    #দুবাই: করোনা সংক্রমণ নিম্নমুখী। ভারত-সহ নানা দেশে শুরু হয়েছে টিকাকরণও। তবে একটু অবহেলা হলেই বড় বিপদ। তাই এখনও প্রাথমিক স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হচ্ছে। পরতে হচ্ছে মাস্ক। সংক্রমণ থেকে পিছু ছাড়াতে নিউ নর্ম্যালে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছেন মানুষজন। ধীরে ধীরে রেস্তোরাঁ, হোটেলগুলিতে যাতায়াত শুরু হয়েছে। তবে মনে এখনও একটা আতঙ্ক রয়েছে। এক্ষেত্রে সম্পূর্ণভাবে নিশ্চিন্তে থাকতে পারেন খদ্দেররা দুবাইয়ের এই রোবো কাফেতে। কেন না, এখানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য কোনও ঝামেলা ঝক্কি পোহাতে হবে না, এই কাফের দেখভাল করে রোবটরা। খাবার অর্ডার নেওয়া থেকে শুরু করে ডেলিভারি- সবেতেই নিযুক্ত রয়েছে রোবট।

    প্রায় দু'বছর ধরে এই রোবো কাফের কাজ চলছে। গত বছর শুরুর দিকে অর্থাৎ মার্চ মাসে উদ্বোধন হওয়ার কথা ছিল কাফেটির। এমন সময় বিশ্ব জুড়ে থাবা বসায় করোনা। ক্রমবর্ধমান সংক্রমণ আর প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞার চাপে পিছিয়ে যায় কাফের উদ্বোধন। পরের দিকে আরব আমিরশাহিতে ধীরে ধীরে শিথিল হতে থাকে বিধিনিষেধ। প্রশাসনের তরফেও শর্তসাপেক্ষে হোটেল, রেস্তোরাঁগুলি খোলার অনুমতি দেওয়া হয়। শেষমেশ গত বছর জুন মাসে সাধারণের জন্য পরিষেবা দেওয়া শুরু করে দুবাইয়ের এই রোবো কাফে।

    কাফে কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গিয়েছে, দুবাই প্রশাসনের সহায়তায় AI প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে পুরো কাফেটিকে গড়ে তোলা হয়। কাফের সমস্ত কাজ রোবটরাই করে। শুধুমাত্র কোনও সমস্যা হলে বা পুরো এলাকা স্যানিটাইজ করতে হলে লোকজন কাজে যোগ দেয়। এই বিষয়ে কাফের সঙ্গে যুক্ত রসিদ এসা লুঠা জানিয়েছেন, প্রথমে টাচ স্ক্রিনের সাহায্যে অর্ডার নেওয়া হয়। এর পর আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সাহায্যে সমস্ত কিছু চলে। রোবোটরাই কাফেতে আসা লোকজনের অর্ডার নেয়। যথাসময়ে প্রতিটি টেবিলে খাবার পরিবেশনও করে তারা। এক্ষেত্রে জার্মানির তৈরি রোবটগুলি নানা ধরনের পানীয় তৈরি করতেও সক্ষম। অর্ডার মতো সমস্ত খাবার ডেলিভারি দিতে পারে তারা।


    বর্তমান পরিস্থিতিতে এটি অত্যন্ত প্রশংসনীয় পদক্ষেপ, এমনই জানাচ্ছেন রোবো কাফেতে খেতে আসা জামাল আলি হাসান। তাঁর কথায়, '' কোনও রকম সংক্রমণের সম্ভাবনা নেই। তাই এখানে খেতে আসা অনেকটাই নিরাপদ। আশা করছি, ভবিষ্যতে এই ধরনের পরিষেবা অন্যান্য রেস্তোরাঁগুলিতেও চালু হবে। কারণ এখানে কোনও ঝামেলা নেই। শুধু অনলাইনে অর্ডার করতে হবে। আপনার সামনেই সমানে কাজ করে চলেছে রোবটগুলি। কয়েক মিনিটে টেবিলে পৌঁছে যাচ্ছে খাবার!

    Published by:Rukmini Mazumder
    First published: