জাতিবৈষম্যকে দূরে রেখে 'টয় হল অফ ফেম'-এ জায়গা করে নিল কালো পুতুল বেবি ন্যান্সি!

জাতিবৈষম্যকে দূরে রেখে 'টয় হল অফ ফেম'-এ জায়গা করে নিল কালো পুতুল বেবি ন্যান্সি!

প্রতি বছর অজস্র মনোনয়ন জমা পড়ে এই সংগঠনে, এর পর বিচারকরা তার মধ্যে থেকে বেছে নেন সেরা খেলনা।

প্রতি বছর অজস্র মনোনয়ন জমা পড়ে এই সংগঠনে, এর পর বিচারকরা তার মধ্যে থেকে বেছে নেন সেরা খেলনা।

  • Share this:

#ওয়াশিংটন: সত্যি বলতে কী, জাতিবৈষম্যের ধারণা যে টিঁকে আছে স্রেফ গুটিকয়েক নির্বোধের মনে, সেই ব্যাপারটা কিন্তু বেবি ন্যান্সি প্রমাণ করে দিয়েছিল সেই ১৯৬৮ সালেই, তার আত্মপ্রকাশের সময়ে। তার পরে এতগুলো বছর পেরিয়ে এসে তার মাথায় উঠল শ্রেষ্ঠত্বের শিরোপা।

এই জায়গায় এসে খুব ছোট করে মার্কিন মুলুকের টয় হল অফ ফেম প্রতিষ্ঠানের কথা একটু সেরে না নিলেই নয়! ১৯৯৮ সালে তৈরি এই প্রতিষ্ঠান সারা বিশ্বে যত খেলনা তৈরি হয়, তা নিয়ে কাজ করে। প্রতি বছর অজস্র মনোনয়ন জমা পড়ে এই সংগঠনে, এর পর বিচারকরা তার মধ্যে থেকে বেছে নেন সেরা খেলনা। এ বছর বেবি ন্যান্সির পাশাপাশি সেই সম্মানের শিরোপা পেয়েছে সাইডওয়াক চক আর কাঠের ব্লকের খেলা জেংগা-ও!

জানা গিয়েছে যে বিংগো, ব্রেয়ার হর্সেস, লাইট ব্রাইট, মাস্টার্স অফ দ্য ইউনিভার্স, মাই লিটল পনি, রিস্ক সরি, তামাগোচি এবং ইয়াতজির মতো জনপ্রিয় খেলা এবং খেলনাকে দূরে সরিয়ে দিয়ে এই তিন খেলনাকে এ বছরের জন্য সেরা বলে ঘোষণা করেছেন বিচারকমণ্ডলী।

অবশ্য শুধুই জনপ্রিয়তা নয়, পাশাপাশি শৈল্পিক গুণগত বিচারেও বেবি ন্যান্সি প্রতিযোগিতায় জিতেছে। এবং তার মধ্যে অবাক হওয়ার মতো কিন্তু কিছু নেই। শিনড্যানা টয়েজ নামে ক্যালিফোর্নিয়ার যে সংস্থা ১৯৬৮ সালে এই পুতুল তৈরি করেছিল, পরের দিকে তাদের আর্থিক অবস্থা বেসামাল হয়ে পড়ে, পরিণামে নতুন খেলনা তৈরি একরকম বন্ধই হয়ে যায়। যদিও বেবি ন্যান্সির জনপ্রিয়তা ছিল অটুট!

অন্য দিকে সাইডওয়াক চকের জনপ্রিয়তা নিয়েও প্রশ্ন তোলা যায় না। রঙিন এই চকখড়ির বাক্স কত শিশুর হাতে বাড়ি থেকে শুরু করে রাস্তার কত কোণ যে রাঙিয়ে তুলেছে, তার ইয়ত্তা নেই। তাই ন্যাশনাল টয় হল অফ ফেমের বিচারক ক্রিস্টোফার বেনশের মতে শ্রেষ্ঠত্ব এর সহজাত প্রতিভা!

অন্য দিকে, এই জনপ্রিয়তার নিরিখে কম যায় না জেংগা-ও! ইংলিশউওম্যান লেসলি স্কটের আবিষ্কৃত এই খেলনা দুই বা ততোধিক ব্যক্তিকে নিজেদের মধ্যে বা কোনও পার্টির আসরে একরাশ আনন্দ দিতে পারে। সেই জনপ্রিয়তার জায়গা থেকেই এই খেলনাটিকে বেছে নেওয়া হয়েছে, জানিয়েছেন বিচারক নিকোলাস রিকেট!

Published by:Piya Banerjee
First published: