corona virus btn
corona virus btn
Loading

চিনের উস্কানিতে সর্বনাশের পথে, নিজের দেশেই সমালোচিত নেপালের প্রধানমন্ত্রী

চিনের উস্কানিতে সর্বনাশের পথে, নিজের দেশেই সমালোচিত নেপালের প্রধানমন্ত্রী
নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি৷

নেপালের নতুন মানচিত্রে উত্তরাখণ্ডের লিপুলেখ, কালাপানি এবং লিম্পিয়াধুরা এলাকাকে তাঁদের দেশের অংশ হিসেবে দাবি করা হয়েছে৷

  • Share this:

#কাঠমান্ডু: চিনের উস্কানিতে ভারতের সঙ্গে সংঘাতের পথে হেঁটে দেশকেই বিপর্যের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন৷ নিজের দেশেই এ ভাবে সমালোচিত হচ্ছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি৷ একাধিক সংবাদমাধ্যম এবং নেপালের বিশেষজ্ঞরা ওলির সমালোচনা করতে গিয়ে এমনই মত প্রকাশ করেছেন৷

ভারতের তিনটি এলাকাকে অন্তর্ভুক্ত করে নিয়ে বিতর্কিত মানচিত্র সংসদে পাশ করিয়ে নিয়েছে নেপাল৷ এর জন্য সংবিধানও সংশোধন করেছে নেপাল সরকার৷ শুধু তাই নয়, কয়েকদিন আগেই বিহারের সীতমারিতে দু' দেশের সীমান্তে নেপাল পুলিশের গুলিতে এক ভারতীয়র মৃত্যু হয়৷

ভারতের উপরে অনেকাংশেই নির্ভরশীল নেপালের আচমকা এই আগ্রাসী মনোভাবের পিছনে বিশেষজ্ঞরা চিনের সক্রিয়তাই দেখছেন৷ আর নেপালের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ওলির অতীতে প্রকাশ্যেই তাঁর ভারত বিরোধী মনোভাবের কথা জানিয়েছেন৷

কিন্তু নেপালের বিশেষজ্ঞরাই মনে করছেন, ভারতের সঙ্গে এ ভাবে সংঘাত বাড়াতে থাকলে তাঁর বড় খেসারত দিতে হবে নেপালকেই৷ তাঁদের অভিযোগ সস্তার জনপ্রিয়তার আশাতেই এমন হঠকারী সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী৷ সীমান্ত বিবাদ মেটানোর জন্য দু' দেশের সামনেই আলোচনা ছাড়া অন্য কোনও বিকল্প নেই বলেও মত দিয়েছেন নেপালের বিশেষজ্ঞরা৷

নেপালের নতুন মানচিত্রে উত্তরাখণ্ডের লিপুলেখ, কালাপানি এবং লিম্পিয়াধুরা এলাকাকে তাঁদের দেশের অংশ হিসেবে দাবি করা হয়েছে৷ নেপালের এই পদক্ষেপের কড়া বিরোধিতা করে এই মানচিত্রকে অস্বীকার করেছে ভারত৷ নেপাল সচিব পর্যায়ে আলোচনার প্রস্তাব দিলেও ভারত স্পষ্ট জানিয়েছে, পারস্পরিক বিশ্বাসের পরিবেশ তৈরি না হলে কোনও আলোচনা সম্ভব নয়৷

নেপালের অন্যতম অভিজ্ঞ সাংবাদিক এবং একটি প্রথমসারির দৈনিকের সম্পাদক প্রহ্লাদ রিজল বলেন, 'নেপাল কালাপানি এলাকাকে নিজেদের বলে দাবি করে যে মানচিত্র সংসদে অনুমোদন করেছে, তা কে পি ওলি সরকারের সস্তার জনপ্রিয়তা হাসিল করার চেষ্টার প্রমাণ৷ এর ফল উল্টোও হতে পারে৷' সতর্ক করে তিনি বলেন, এর ফলে দু'দেশের মধ্যে সীমান্ত বিবাদ আরও বাড়বে৷ যার খেসারত নেপালকেই দিতে হতে পারে৷ তিনি বলেন, 'শোনা যাচ্ছে বেজিংয়ের থেকে সবুজ সংকেত পাওয়ার পরই এই পদক্ষেপ করেছে নেপাল৷ যদি সত্যিই তা হয়, তাহলে তা খুবই দুর্ভাগ্যজনক৷' নেপালের আর্থিক এবং রাজনৈতিক বিষয়ে চিনের হস্তক্ষেপ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ওই বিশেষজ্ঞ৷

রাজনৈতিক বিশ্লেষক এবং আইনজীবী দীনেশ ত্রিপাঠী বলেন, সীমান্ত সমস্যা সমাধানের জন্য নেপাল এবং ভারতের সামনে আলোচনায় বসা ছাড়া বিকল্প কোনও উপায় নেই৷ এর জন্য নেপালকেও পরিণত কূটনীতির পরিচয় দিতে হবে বলে মত দেন তিনি৷ পাশাপাশি আর এক রাজনৈতিক বিশ্লেষক অতুল কে ঠাকুর 'কাঠমান্ডু পোস্ট' সংবাদপত্রে লেখেন, কূটনৈতিক ভাবে সমস্যার সমাধান করতে পারলে তা যথেষ্টই উদ্বেগের বিষয়৷

 
Published by: Debamoy Ghosh
First published: June 15, 2020, 10:07 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर