• Home
  • »
  • News
  • »
  • international
  • »
  • ঐতিহ্যে আঘাত! Hagia Sophia জাদুঘর হয়ে গেল মসজিদ, তুরস্কের সিদ্ধান্তে নিন্দার ঝড়

ঐতিহ্যে আঘাত! Hagia Sophia জাদুঘর হয়ে গেল মসজিদ, তুরস্কের সিদ্ধান্তে নিন্দার ঝড়

হাজিয়া সোফিয়ার অন্দর। রয়টার্স।

হাজিয়া সোফিয়ার অন্দর। রয়টার্স।

গ্রিসের সংস্কৃতি মন্ত্রক এই সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা করে বলেছে, সুসভ্য পৃথিবীর জন্য এটা একটা উস্কানি।

  • Share this:

    #ইস্তানবুল: বাইজেনটাইন সভ্যতার সবচেয়ে বড় নিদর্শন। তুরস্কের দেড় হাজার বছরের পুরনো ঐতিহ্যবাহী হাগিয়া সোফিয়া (তুর্কিতে বলা হয় আয়া সোফিয়া) জাদুঘরকে শেষমেষ মসজিদেরই রূপ দিতে চলেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইপ এরদোগান। আদালতের নির্দেশে আগামী দু'সপ্তাহের মধ্যেই মসজিদ হিসেবে দরজা খুলে দেওয়া হবে হাগিয়া সোফিয়ার।

    শুক্রবার আদালতের ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পরে জনসমক্ষে আসেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট। হাগিয়া সোফিয়াকে মসজিদ বানানোর বিরোধিতা বরাবরই করে এসেছে রাশিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। বিরোধিতা এসেছে ক্যাথলিক প্রতিষ্ঠানগুলি থেকেও। আন্তর্জাতিক মহলের যুক্তি একই সঙ্গে খ্রিস্টীয় বাইজেনটাইন এবং মুসলিম অটোমান এম্পায়ারের সময়ের দলিল হাগিয়া সোফিয়া সৌধ। সেই কারণেই সারা পৃথিবী থেকে দর্শনার্থীরা যান হাগিয়া সোফিয়ায়।

    উল্টোদিকে মুসলিম সমাজের একাংশ অনুরোধ করেছিল হাগিয়া সোফিয়াকে নামাজ পড়ার স্থান হিসেবে ঘোষণা করা হয়। আজ, শনিবার সমস্ত বাধানিষেধ উড়িয়েই তাইপ এরদোগান সিদ্ধান্ত জানান। জাতির উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, "৮৬ বছর পর আদালতের নির্দেশে হাগিয়া সোফিয়া মসজিদে পরিণত হল।ইস্তানবুলের ফাতিহ অঞ্চল এমনটাই বরাবর চেয়ে এসেছে।" তিনি আরও বলেন, মুসলিম বা মুসলিম নয় ৷ এমন সকলের জন্যই হাগিয়া সোফিয়ার দরজা খোলা থাকবে।"

    গ্রিসের সংস্কৃতি মন্ত্রক এই সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা করে বলেছে, সুসভ্য পৃথিবীতে জন্য এটা একটা উস্কানি।

    ষষ্ঠ শতকে তৈরি হয় হাগিয়া সোফিয়া। বিশ্বের সবচেয়ে বড় চার্চের মধ্যে অন্যতম ছিল এটি। পরে অটোমানরা এই চার্চকে মসজিদে পরিণত করে। ১৯৩৪ সালে এই মসজিদ জাদুঘরের মর্যাদা পেয়েছিল। ফের আরও একবার মসজিদের রূপ পেতে চলেছে ঐতিহ্যবাহী হাগিয়া বা আয়া সোফিয়া ৷

    Published by:Arka Deb
    First published: