কী করে বোঝা যায় কর্মী মিথ্যে বলছেন? পথ দেখাচ্ছেন এলন মাস্ক

কী করে বোঝা যায় কর্মী মিথ্যে বলছেন? পথ দেখাচ্ছেন এলন মাস্ক
নিজের সংস্থা Tesla-তে কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে একটি ট্রিকও প্রয়োগ করেন তিনি। কী ট্রিক? জানালেন সকলকে

নিজের সংস্থা Tesla-তে কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে একটি ট্রিকও প্রয়োগ করেন তিনি। কী ট্রিক? জানালেন সকলকে

  • Share this:

বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় গাড়ি প্রস্তুতকারক সংস্থার কর্ণধার এলন মাস্ক (Elon Musk)। বিশ্বের সব চেয়ে ধনী ব্যক্তি তিনি। তাঁর সংস্থায় যাঁরা কাজ করেন, তাঁদের বেশিরভাগই নিজের কেরিয়ারকে হয় তো ভাগ্যবান মনে করেন। পাশাপাশি থাকে তেমন ডিগ্রিও। কিন্তু এসব কিছুর পাশাপাশি নিজের সংস্থা Tesla-তে কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে একটি ট্রিকও প্রয়োগ করেন তিনি। কী ট্রিক? জানালেন সকলকে।

একাধিক দুর্দান্ত লাক্সারি গাড়ির সম্ভার রয়েছে Tesla-র ঝুলিতে। বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় এই গাড়িপ্রস্তুতকারক সংস্থায় কাজ করার জন্য অনেকেই মুখিয়ে থাকেন। অনেকেই কেরিয়ারের টপ পয়েন্টে গিয়ে এমন এক সংস্থায় কাজ করতে চান। কিন্তু জানেন কি, এই সংস্থায় কাজ করার জন্য কোনও ডিগ্রিই যথেষ্ট নয়? না, এ কথা বানানো নয়, এ কথা বলেছেন খোদ এলন মাস্ক।

এক সাক্ষাৎকারে তিনি সংস্থার কর্মীদের নিয়ে কথা বলতে গিয়ে, বেশ কিছু তথ্য সামনে আনেন। কী ভাবে কর্মী বাছাই করেন তিনি, কী কী গুণ বা বায়োডেটায় কী দেখে কর্মী নিয়োগ করেন, বলেন সে কথা। জানান, তাঁর আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) টিমের কারও PhD আছে কি না, বিরাট কোনও ডিগ্রি আছে কি না, এমনকি হাই স্কুল ডিগ্রি পর্যন্ত আছে কি না তা দেখেন না তিনি। শুধু AI সম্পর্কে গভীরভাবে যে বা যাঁরা বোঝেন, তাঁদেরকেই নিয়োগ করেন। তিনি মনে করেন, এটি বোঝার জন্য ডিগ্রির প্রয়োজন সে ভাবে হয় না। এই AI টিমই সরাসরি এলন মাস্কের সঙ্গে কাজ করে থাকে।


আর কী ভাবে নির্বাচন করেন কর্মী? এলন জানান, যাঁরাই তাঁর সংস্থায় চাকরির আবেদন পাঠান, তাঁদের সঙ্গে কথা বলার সময়, তাঁরা কাজ নিয়ে বা অভিজ্ঞতা নিয়ে মিথ্যে কথা বলছেন কি না তা দেখে নেন। এই ক্ষেত্রে উল্লেখ করা যেতে পারে, CNBC-র একটি রিপোর্ট বলছে, ২৬ শতাংশ চাকরিপ্রার্থীই নিজের ডিগ্রি বা বায়োডেটা নিয়ে মিথ্যে কথা বলে থাকেন। ফলে, সেটাই বার বার যাচাই করে নেন Tesla-র কর্ণধার।

এর জন্য খুব সাধারণ একটি প্রশ্ন আবেদনকারীদের করে থাকেন তিনি। প্রায় প্রত্যেককেই কাজের সময় প্রত্যক্ষ করা সব চেয়ে কঠিন সময় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা কররেন তিনি এবং সেই সময় কী ভাবে কাটিয়ে উঠেছেন, তা জিজ্ঞাসা করেন।

এলনের মতে, এটা খুব একটা কঠিন প্রশ্ন নয়। কিন্তু যিনি সত্যিই মন দিয়ে কাজ করেছেন জীবনে, তিনি কোনও না কোনও সময়ে কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছেন এবং তা অবশ্যই সমাধানের চেষ্টা করেছেন। ফলে সেটা যদি তিনি বিশ্লেষণ করতে পারেন, তা হলে বোঝাই যাবে তিনি কাজ করেছেন আর না করতে পারলে বা ভুলে গিয়েছি বলে থাকলে, বোঝা যাবে, তিনি কাজ করেননি।

তাঁর এই ট্রিক নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটা বৈজ্ঞনিক ভাবে প্রমাণিত। এই বিষয়টির উপর একাধিক গবেষণা প্রমাণ করেছে, এই ট্রিক বা এই প্রশ্নে মিথ্যে বললে ধরা যায়!

Published by:Ananya Chakraborty
First published: